Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১২ বৈশাখ ১৪২৬, ১৮ শাবান ১৪৪০ হিজরী।

আমের গুটিতে ছেয়ে গেছে লালপুর

লালপুর (নাটোর) থেকে মো. আশিকুর রহমান টুটুল | প্রকাশের সময় : ২৪ মার্চ, ২০১৯, ১২:০৯ এএম

ফাগুনের শেষে চৈত্রের শুরুতে নাটোরের লালপুর উপজেলার আম গাছ গুলিতে মুকুল ঝরে দেখা মিলেছে সবুজ আমের গুঠির।
চলতি মৌসুমে বাগান ও বাড়ির আঙ্গিনায় আম গাছ গুলিতে আশানুরূপ আমের গুঠি আশায় ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগানী ও ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন আম বাগান ঘুরে দেখা যায়, মুকুল ঝরে সবুজ গুঠিতে ভরে ওঠতে শুরু করেছে আম গাছগুলি। মটরদানা আমের ভরে কিছু কিছু গাছের ডাল মাটিতে নুয়ে পড়েছে। বাগান মালিকরা গুঠি আমগুলিকে রোগ পোকামকরের হাত থেকে রক্ষা করতে পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
এ সময় দৈনিক ইনকিলাবের এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় উপজেলার আম চাষী সান্তুনু সরকারের তিনি বলেন, ‘এবছর তার বাগানের প্রায় গাছেই প্রচুর পরিমানে মুকুল এসেছিলো সেই সকল মুকুল ঝরে আশানুরূপ গুঠিও এসেছে। এখন পর্যন্ত তেমন কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটেনি। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবছর আমের ফলন ভালো হবে বলে তিনি আশা করছেন।’
আম চাষী দুলাল সরকার বলেন, ‘তিনি ২ বিঘা জমিতে আম্রপালি জাতের বাগানা করেছেন। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় তার বাগানে মুকুল ও গুঠি বেশ ভালো আছে।’
আম চাষী কমরুজামান লাভলু বলেন, ‘তিনি ১২ বিঘা জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির আমের বাগান করেছেন। এবছর তার বাগানে বেশ ভালো গুঠি আছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় আমের তেমন পোকামাকরের আক্রমণ হয়নি। শেষ পর্যন্ত এমন আবহাওয়া থাকলে এবছর আম বিক্রয় করে তিনি লাভবান হবেন। ’

লালপুর উপজেলায় মোট ১ হাজার ৭ শ ২০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আমের বাগান রয়েছে। এই সকল জমি থেকে প্রায় ৮ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানকার চাষকৃত উল্লেখযোগ্য জাতের আম হলো, ‘ফজলি, নেংড়া, খেরসাপতি, গোপালভোগ, আম্রপালি, লকনা’ অন্যতম। লালপুর উপজেলা কৃষি অফিসার রাকিবুল ইসলাম এই সকল তথ্য জানিয়ে ইনকিলাবকে বলেন, ‘এ বছর উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ গাছে আমের মুকুল এসেছে। কিছু কিছু গাছে গুঠি আসলেও আর কিছু দিন পরে সব গাছের মুকুল ঝরে মটরদানা আম দৃশ্যমান হবে। তবে আম মৌসুমি ফসল এই ফসলের ফলনটা নির্ভর করে আবহাওয়ার উপরে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এখন পর্যন্ত কোন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়নি, শেষ পর্যন্ত আবহাওয় অনুকুলে থাকলে আমের আশনুরূপ ফলন হবে বলে তিনি মনে করছেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন