Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ০৪ কার্তিক ১৪২৬, ২০ সফর ১৪৪১ হিজরী

ঢাবি মৈত্রী হলের ঘটনায় প্রভোস্টকে দায়ী করে চাকরি থেকে অব্যাহতি

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৩০ মার্চ, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বস্তা ভর্তি সিলমারা ব্যালট পেপার উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে চাকরি থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ কুয়েত-মৈত্রী হলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট শবনম জাহানকে। একই সঙ্গে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে কেন অব্যাহতি দেয়া হবে না- এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হওয়া সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে গত ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচনের দিন তাৎক্ষণিকভাবে তাকে প্রভোস্টের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছিল।
ড. শবনম জাহান বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের এসোসিয়েট প্রফেসর ও ইন্সটিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। চলতি মাসের ১১ তারিখ দীর্ঘ ২৮ বছর পর ডাকসু ও হল সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটের দিন সিলমারা বস্তা ভর্তি ব্যালট পেপার পাওয়ায় হলটিতে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিল। প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে হলের প্রভোস্টকে অপসারণ করে প্রফেসর মাহবুবা নাসরিনকে ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ দিয়ে নতুন করে ভোটগ্রহণ শুরু করেন। নির্বাচনের দিনই ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপির অভিযোগ করে তা বাতিলসহ পুনর্র্নিবাচনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে অধিকাংশ প্যানেল। বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সদস্য এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রফেসর হুমায়ুন কবির বলেন, সিন্ডিকেট সভায় মৈত্রী হলের ঘটনায় শবনম জাহানকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এবং কেন স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেয়া হবে না সে বিষয়ে তদন্ত করতে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত প্রফেসর ড. খন্দকার বজলুল হককে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ঢাবি


আরও
আরও পড়ুন