Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৯ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

উত্তর শান রাজ্যে আরসিএসএসকে সাহায্য করছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী : টিএনএলএ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩১ মার্চ, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

তাং ন্যাশনাল লিবারেশান আর্মির (টিএনএলএ) এক কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন যে, যখনই রেস্টোরেশান কাউন্সিল অব শান স্টেট (আরসিএসএস) উত্তর শান রাজ্যের নামতু বা লাশিও টাউনশিপের কোন এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারায়, তখনই মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বা তাতমাদাও তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসে এবং তাদেরকে সাহায্য করে। নামতু এবং লাশিও এলাকায় প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে যুদ্ধ চলছে বলে জানিয়েছেন টিএনএলএ’র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তার ফোন কিয়াউ। টিএনএলএ এবং শান স্টেট প্রগ্রেস পার্টি (এসএসপিপি) যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে যাতে আরসিএসএসকে ওই এলাকা থেকে বের করে দেয়া যায়। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তার ফোন কিয়াউ বলেন, “আরসিএসএস নামতু এবং লাশিও এলাকার প্রায় সমস্ত ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল। তারা যদি মোংমু গ্রামের কাছের ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ হারায়, তাহলে তারা এই এলাকাগুলোতে আর থাকতে পারবে না। কিন্তু মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এসে তাদেরকে সাহায্য করছে। ১০৫ মিলিমিটার শেল বর্ষণ করে হামলা চালাচ্ছে তারা”। মোংমু গ্রামে টানা দুই দিন ধরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সাথে টিএনএলএ এবং এসএসপিপি যৌথ গ্রুপের শক্ত লড়াই হয়েছে। যৌথ বাহিনীর উপর হামলার জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনী তিন ব্যাটালিয়ন সেনা সেখানে মোতায়েন করেছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তার ফোন কিয়াউ বলেন, “আমাদের দিক থেকে, এসএসপিপি যোগ দেয়ায় আমাদের এখন শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী রয়েছে। আমরা যখন বার্মিজদের (সেনাবাহিনী) বিরুদ্ধে লড়াই করছি, তখন যুদ্ধটা হচ্ছে খুবই বড় ধরনের। সে কারণে তারা কামানের গোলা বর্ষণ শুরু করেছে”। টিএনএলএ জানিয়েছে, আরসিএসএসের বিরুদ্ধে টিএনএলএ এবং এসএসপিপির যৌথ অভিযান এটাই প্রথম নয়। অন্তত চারবার এমন হয়েছে, যখন যৌথ বাহিনী প্রায় সফলভাবে আরসিএসএসকে এলাকা থেকে বের করে দিয়েছেল, তখন সেনাবাহিনী এগিয়ে এসে তাদের সাহায্য করেছে। ব্রি-জেনারেল তার ফোন কিয়াউ বলেন, “তারা চায় না আরসিএসএস এই এলাকা ছেড়ে যাক। তারা আমাদের কাছ থেকে এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল এবং আরসিএসএসের হাতে নিয়ন্ত্রণ তুলে দিয়েছিল। তারা এই এলাকায় আরও বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়”। তবে আরসিএসএসের মুখপাত্র লে কর্নেল সাই উ টিএনএলএ’র এ অভিযোগ অস্বীকার করেন। ওই এলাকার ঘরবাড়িছাড়া মানুষদের সহায়তা করতে কিছু ত্রাণকর্মী ওই এলাকায় গিয়েছিলেন। তারা বলেছেন যে, মোংমু গ্রামে আরসিএসএস সেনারা একটি বৌদ্ধ মঠের ভেতরে আশ্রয় নিয়েছে আর মঠের বাইরে অবস্থান নিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এসএএম।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ