Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০২ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ সফর ১৪৪১ হিজরী

গণধর্ষণের শিকার কিশোরী

বালাগঞ্জ (সিলেট) উপজেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ৩১ মার্চ, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

সিলেটের ওসমানীনগরে ৬ বছরের শিশু ধর্ষণ ঘটনার ২ দিন যেতে না যেতেই গণধর্ষণের শিকার হলো আরেক কিশোরী। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সাদীপুর ইউপির রহমতপুর গ্রামে। নির্যাতিতা কিশোরীসহ তার পরিবারের লোকজন গত বৃহস্পতিবার রাতে ওসমানীনগর থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ রাতেই রহমতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩জনকে থানায় নিয়ে আসে। গণধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিম কিশোরীর ভাই বাদি হয়ে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মিনার মিয়া ও মখলু মিয়াকে আসামি করে ওসমানীনগর থানায় মামলা করেন।
গত শুক্রবার সকালে নির্যাতিতা কিশোরীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকলে কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসিতে) প্রেরণ করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা ৩ ব্যক্তি হলেন উপজেলার সাদিপুর ইউপির রহমতপুর গ্রামের আহাদ মিয়ার ছেলে মতিন মিয়া, একই গ্রামের মনির মিয়া ও মকরম মিয়া।
পুলিশ ও নির্যাতিতা কিশোরীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মার্চ রাতে খেলার অজুহাতে রহমতপুর গ্রামের লতিব মিয়ার ছেলে মিনার মিয়া ও পাশর্^বর্তী উত্তর কালনীচর গ্রামের তাইদ উল্লার ছেলে মখলু মিয়া কিশোরীর বাড়িতে যায়। রাতে সবাইকে চায়ের সাথে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে খাইয়ে অচেতন করে মিনার ও মকলু। মধ্যরাতে মিনার ও মকলু মিয়া কিশোরীকে মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরদিন বিষয়টি কিশোরীর পরিবারের লোকজন জানতে পেরে সালিশ ব্যক্তিদের শরনাপন্ন হয়। রহমতপুর গ্রামের মতিন মিয়া, মনির মিয়া, মকরম মিয়া গংরা বিষয়টি টাকার বিনিময়ে সমাধান করতে চাইলে কিশোরীর ভাই তাতে রাজি হননি। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানতে পেরে ধর্ষিত কিশোরীসহ তার পরিবারের লোকদেরকে গত বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের নিকট পাঠানো হয়।
ওসমানীনগর থানার ওসি এসএম আল মামুন বলেন, ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাকালেল ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: গণধর্ষণ

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন