Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৪ সফর ১৪৪১ হিজরী

৪০ দিনে ১৫২ মামলা

ভোলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার

ভোলা জেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ১১ এপ্রিল, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

ভোলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কি:মি: মৎস অভয়াশ্রম এলাকায় গত ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ইলিশ উৎপাদন বৃদ্বিতে জাটকা ইলিশ রক্ষার জন্য সব ধরনের মাছ শিকারে সরকারিভাবে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
এ আইন অমান্য করে মাছ শিকার করার অপরাধে ১ মার্চ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত ১৫২ টি মামলা হয়েছে এবং ২৭৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্বার করা হয়েছে প্রায় ৬ লাখ মিটার। যার বাজার মূল্য ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। ৩ হাজার ১৫৩ কেজি জাটকাসহ উদ্বার হয়েছে অনান্য প্রজাতির কিছু মাছও রয়েছে। উদ্বারকৃত মাছ বিভিন্ন এতিম খানা ও হেফজ লিল্লাহ মাদরাসায় বিতরণ করা হয়েছে। জেলা মৎস অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
এ ব্যাপারে জেলা মৎস কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম বলেন নিষেধাজ্ঞা সময়টা মাছের ডিম ছাড়ার সময়। তাই এ সময় মাছ যাতে নির্বিঘেœ মাছের ডিম ছাড়তে পারে যার জন্যই এই সময়টা সব ধরনের মাছ ধরার উপর সরকারিভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তাই এ সময় নদীতে জাল ফেলে যে কোন ধরনের মাছ শিকার করা, পরিবহন, ক্রয় বিক্রয়, মজুত, প্রদর্শনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস বিভাগ। আর এই সময়ে জেলেদের মৎস শিকার থেকে বিরত রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে ৯৫ টি, অভিযান হয়েছে ১৪৮টি, জেলেদের কাছ থেকে জরিমানা আদায় হয়েছে ৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকা, নৌকা দোন নিলাম থেকে ৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে। যা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে।
তিনি ইনকিলাবকে আরো জানান এ মৎস অভয়াশ্রমে মৎস শিকার বন্ধ থাকার সুফল আসছে। মাছ উৎপাদন অনেক বেড়েছে। জেলা প্রশাসনের সহায়তায় এ অভিযান চলছে এবং নিদিষ্ট সময় পর্যন্ত কঠোরভাবে অভিযান অব্যাহত থাকবে। সরকার জেলেদের জন্য আপদকালীন সময়ে ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত প্রত্যেক জেলেদের জন্য ৪০ কেজি করে চাল দিচ্ছে।
তবে চাল দেয়া নিয়ে জেলেদের রয়েছে অনেক অভিযোগ। জেলেরা যদি সঠিক সময়ে সঠিকভাবে চাল পেত তাহলে হয়ত জেলেরা এখন যারা মাছ শিকারে যায় তারাও হয়ত নদীতে মাছ ধরতে যেত না বলেই মনে করছেন অনেক জেলেরা। এব্যাপারে জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক বলেন নিষেধাজ্ঞা সময়ে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ আইন অমান্যকারী কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্বে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মাছ শিকার


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ