Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ০৪ কার্তিক ১৪২৬, ২০ সফর ১৪৪১ হিজরী

রূপগঞ্জে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে মৃৎশিল্পীরা

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) থেকে মোঃ খলিল সিকদার | প্রকাশের সময় : ১২ এপ্রিল, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

পহেলা বৈশাখ উৎসব সামনে রেখে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের কুমারপাড়ার মৃৎ শিল্পীরা। ‘পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালীর প্রানের উৎসব’। পহেলা বৈশাখ মানেই বাঙ্গালীর মনে নতুন আমেজ। আর এ পহেলা বৈশাখকে ঘিরে গ্রাম-গঞ্জের হাট বাজারে বসে বিভিন্ন রকমের মেলার পসরা। তখন ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা তাদের বাবা মার সঙ্গে মেলাতে যাওয়া বায়না ধরে। মেলায় গিয়ে তাদের প্রথম পছন্দ থাকে মাটির তৈরী রকমারি খেলনা। আর এ মাটি দিয়ে মনের মাধুরী দিয়ে তৈরী করছেন বিভিন্ন রং বেরংয়ের পুতুল, সরা, ঘোড়া, হাতি, বানর, বাঘ, সিংহ, গরু, কুকুর, মাটির ব্যাংক, পাতিল, প্লেট ও বাচ্চাদের হাড়িপাতিলসহ নানা রকমের গৃহস্থালির তৈজসপত্র। নববর্ষের আর সময় বেশী না থাকায় তাদের যেন নিশ্বাস ফেলারও সময় নেই। প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন মৃৎ শিল্পীরা। তাইতো তারা রং তুলির শেষ আচড় টুকু দিয়ে দিচ্ছেন তাদের তৈরী খেলনা পুতুলসহ ও গৃহস্থালির নানা রকম তৈজসপত্রে। এ কাজে ছেলে বুড়ো থেকে শুরু করে পরিবারের সবাই একে অপরকে কাজে সাহায্য করছে। এ কাজে পুরুষদের পাশাপাশি পিছিয়ে নেই নারীরাও। নারীরা তাদের হাতের নিপুন ছোঁয়ায় রাঙ্গিয়ে দিচ্ছেন খেলনা ও তৈজসপত্রগুলোকে।
রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি লায়ন মীর আব্দুল আলীম বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের প্রানের উৎসব। আর মৃৎ শিল্প আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে আঙ্গাআঙ্গিভাবে জড়িত। মৃৎ শিল্পীরা তাদের হাতের ছোঁয়ায় অনেক অভুতপূর্ব ও রকমারি জিনিস তৈরী করেন। মৃৎ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে সমাজের সচেতন সমাজকে অগ্রনী ভুমিকা রাখতে হবে। উপজেলার নির্বাহী মমতাজ বেগম জানান, মৃৎ শিল্প টিকিয়ে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসনও সহযোগীতা করবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন