Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার ১৯ মে ২০১৯, ০৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৩ রমজান ১৪৪০ হিজরী।
শিরোনাম

বাংলায় বিজেপিকে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে দেয়া হবে না : মমতা

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৬ এপ্রিল, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

বাংলার মাটিতে বিজেপিকে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মানুষকে বিপথগামী করতেই ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে বিজেপি। তার ভাষায়, ওরা তো ধর্ম নিয়েই নোংরা রাজনীতি করে যায়। ওদের আর আছেটা কী! ওরা ধর্মের নামে নোংরা রাজনীতি করেই মানুষকে ভুলপথে চালিত করার চেষ্টা করছে। আর নির্বাচনের সময় এটাকে বাংলার মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরির কাজে ব্যবহার করছে। ওদের বয়কট করুন। বাংলার মানুষ বিজেপির হিংসার রাজনীতিকে সমর্থন করে না। কী সাহস! ওরা তরবারি নিয়ে মিছিল করছে! গত শনিবার দার্জিলিংয়ে এক নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এমন হুঁশিয়ারি দেন।
মমতা বলেন, কার গলা কাটতে চায় ওরা? আমি থাকতে এ বাংলায় কারও গলা কাটতে দেবো না। হাতের কাছে যা পাচ্ছে সেই অস্ত্র নিয়েই মিছিল করছে! লাঠি দিয়ে কার মাথা ভাঙতে চায় ওরা? অত সহজ? বড় বড় কথা বলছে! বাংলায় এনআরসি (নাগরিকপঞ্জি) চালু করবে! কেন্দ্র থেকে উৎখাত করে দিন ওদের! ভাবছে বাংলা দখল করবে! আমি থাকতে বিজেপি’র ক্ষমতা নেই বাংলায় এনআরসি চালু করার। এমন সময়ে মমতা এসব কথা বললেন, যার মাত্র দু’দিন আগে ভারতের মুসলমান অভিবাসীদের বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপি’র প্রধান অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে এক সমাবেশে এমন হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিজেপি প্রধান বলেন, অনুপ্রবেশকারীরা বাংলার মাটিতে উঁইপোকার মতো। বিজেপি সরকার তাদের এক এক করে তুলে বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলবে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, অমিত শাহ তার বক্তব্যে অবৈধ মুসলিম অভিবাসী বলতে তাদের বাংলাদেশি হিসেবে ইঙ্গিত করেছেন। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে ভারতে পাড়ি দেওয়া হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ও শিখ ধর্মাবলম্বীদের ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণারও পুনরাবৃত্তি করেন অমিত শাহ। সূত্র : পিটিআই, এনডিটিভি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মমতা

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন