Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৩ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

বাংলাদেশীরা অচিরেই মালয়েশিয়ায় চতুর্থ বৃহত্তম জনগোষ্ঠীতে পরিণত হবে: ড. মাহাথির

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৭ এপ্রিল, ২০১৯, ৩:৩১ পিএম

বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ বাংলাদেশী কাজ করছে মালয়েশিয়ায়। খুব দ্রুতই তারা মালয়েশিয়ায় মালয়, চীনা ও ভারতীয়দের পর চতুর্থ বৃহত্তম জনগোষ্ঠীতে পরিণত হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ।

গত শনিবার দেশটির পারদানা লিডারশিপ ফাউন্ডেশনে তরুণদের সঙ্গে সরাসরি এক প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। খবর দ্য স্টার অনলাইন।

তিনি আরো বলেন, যদি স্থানীয় অধিবাসীরা তাদের কর্মক্ষেত্রগুলোতে কাজ করা থেকে বিরত থাকা অব্যাহত রাখে তাহলে বিদেশী শ্রমিকরা দ্রুতই মালয়েশিয়ার চতুর্থ শক্তিতে পরিণত হবে। কারণ স্থানীয়রা কাজ না করলে তো অন্যদের আসতেই হবে।

ড. মাহাথির বলেন, সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে সেই ব্রিটিশ সময়ের দিকে আমরা চলে যাচ্ছি। তখন স্থানীয়রা রবার স্টেটে ও মাইন খনিতে কাজ করতে না চাওয়ায় ব্রিটিশরা ভারত ও চীন থেকে অন্যদের নিয়ে আসতো। যদি স্থানীয়রা কাজ না করে তাহলে সেই ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি হবে।

উপস্থিত জনতাকে উদ্দেশ করে তিনি আরো বলেন, তিনি নবী মুহাম্মদ (স.) এবং পিটার দ্য গ্রেট রাশিয়ার ভূমিকাকে মডেল হিসেবে গণ্য করেছেন। কারণ তারা জনগণের মনসত্মত্বকে পুনরায় নতুন রূপে রূপান্ত্মরিত করতে সড়্গম হয়েছিলেন। ঠিক সেইভাবেই তিনি মালয়শিয়ানদের মনের পরিবর্তন ঘটাতে চান। যাতে তারা সরকারের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজেরাই স্বয়ংসম্পন্ন হন। কারণ তিনি মনে করেন আর্থিক সাহায্য মানুষকে দুর্বল করে দেয়।

তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের সঠিক মূল পরিমাপ করার প্রয়োজন। শৃঙ্খলা আর কঠোর পরিশ্রমের ফলেই আমরা উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছাতে পারি। আমাদেরকে ফের ইংরেজি ভাষায় গণিত ও বিজ্ঞান শেখার প্রবর্তনের জরুরি হয়ে পড়েছে। মালয়েশিয়ানরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠতে পারে। আমাদের অবস্থা এমন হয়েছে যে, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অস্ত্রের উন্নয়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিও নেই।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মালয়েশিয়া


আরও
আরও পড়ুন