Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার ২৫ মে ২০১৯, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৯ রমজান ১৪৪০ হিজরী।

লিবিয়া সংঘাতে আক্রান্ত হবে ৫ লাখ শিশু -জাতিসংঘ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৯ এপ্রিল, ২০১৯, ৪:৫১ পিএম

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে সংঘাত বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির পশ্চিমআঞ্চলজুড়ে প্রায় ৫ লাখ শিশু সহিংসতায় আক্রান্ত হতে পারে বলে জাতিসংঘ জানায়। জাতিসংঘের কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) জানান, এদের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৮০০ শিশুকে এখনই সরিয়ে ফেলা উচিৎ, যারা যুদ্ধের একেবারে সামনের সারিতে অবস্থান করছে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের শিশু ও সশস্ত্র সংঘাতের প্রতিনিধি ভার্জিনিয়া গাম্বা এবং ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিকেট ফোর এক যৌথ বিবৃতিতে আরও জানায়, 'ইতোমধ্যেই ক্রমবর্ধমান সহিংসতার কারণে ৭ হাজার ৩০০ শিশু তাদের বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়েছে। যুদ্ধাঞ্চলে আটকা পড়া শিশুদের খাদ্যের মজুত শেষের দিকে থাকায় এবং প্রয়োজনীয় চিকিত্সা সেবা নিতে না পারায় ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এই এলাকাগুলি ছেড়ে দিতে অক্ষম, তারা নিরাপদে সুরক্ষা বা সহায়তা চাইতে পারে না।’

জাতিসংঘের এই দুই কর্মকর্তা জানায়, সহিংসতায় আটক প্রায় সহস্রাধিক শরণার্থী ও অভিবাসী শিশুদেরও ভয়াবহ হুমকির মুখে রাখা হয়েছে, যুদ্ধের কারণে শিশুরা শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘লিবিয়ায় সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘর্ষ প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার শিশুসহ কমপক্ষে ৮ লাখ ২০ হাজারের মতো মানুষের মানবিক সহায়তার ভীষণ প্রয়োজনে রেখেছে।’

ফোর এবং গাম্বা লিবিয়ায় আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে শিশুদের রক্ষা করার জন্য তাদের দায়বদ্ধতার সকল পক্ষের দলকে স্মরণ করিয়েছে, এবং প্রয়োজনে সকল শিশুদের মানবিক সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছে।

২০১১ সালে লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই লিবিয়া একটি গনতান্ত্রিক পরিবর্তনের জন্য সংগ্রাম করে আসছে। এই মাসের গোড়ার দিকে, জাতিসংঘের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সরকার আসনের বিরুদ্ধে যখন স্ব-ঘোষিত লিবিয়ান জাতীয় সেনাবাহিনী পশ্চিম ত্রিপোলিতে আক্রমণ চালায় তখন যুদ্ধ শুরু হয়। এই বাহিনী দেশের পূর্বের প্রতিদ্বন্দ্বী সরকারকে সমর্থন করছে।

 

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: জাতিসংঘ


আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ