Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার ২৬ মে ২০১৯, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২০ রমজান ১৪৪০ হিজরী।

আ.লীগকে নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে

কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথসভায় শেখ হাসিনা

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে একেবারে তৃণমূল থেকেই নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বিকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথসভার সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী করতে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, উপদেষ্টা পরিষদ এবং কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ একসঙ্গে বসেছি। সেইসঙ্গে আমরা আরও একটি কাজ করতে চাই, ইতোমধ্যে আমাদের প্রেসিডিয়াম মিটিং করেছি, ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং করেছি। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, প্রেসিডিয়াম কার্যকরী সদস্যের নিয়ে আটটি বিভাগে কমিটি গঠন করেছি।
তিনি বলেন, এসব কমিটির দায়িত্ব থাকবে আমাদের সংগঠনগুলি একেবারে তৃণমূল পর্যায় থেকে নতুন করে ঢেলে সাজানো; কোথায় কমিটি আছে না আছে সেগুলো দেখা; সাংগঠনিকভাবে আওয়ামী লীগকে আরও মজবুত করে গড়ে তোলা। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গেলে অনেক সময় সরকার ধীরে ধীরে মানুষের কাছ থেকে হারিয়ে যায়। আওয়ামী লীগ সরকার আসার পর থেকে জনগণের আশ্বাস বিশ্বাস আমরা অর্জন করেছি এবং জনপ্রিয়তা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এবারের নির্বাচন যেটা হয় গেল আমরা যদি সে নির্বাচনে তাকাই, দেখা যাবে সকল পেশার মানুষ আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেছে।
আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করে তখনই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হতে শুরু করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করা যা আমাদের সংবিধানে রয়েছে। দেশের মানুষ তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। গ্রামগুলো দারিদ্রমুক্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশে দারিদ্র মুক্ত হোক। আগামীতে জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন করব। এই উদযাপনকে লক্ষ্য নিয়ে আমরা দীর্ঘ কর্মসূচি নিয়েছি। পার্টির পক্ষ থেকে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি, একটা কমিটিও করেছি। সেই কমিটির কার্য কলাপ ২০২০ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত। ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী। ২০২১ সালে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করব।
আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি মোটা অংক কামাই করে নিয়েছে। নির্বাচনের দিকে তাদের খুব একটা নজর ছিল না। তাই তারা সিট বিক্রি শুরু করে, অর্থ সংগ্রহ করাকে গুরুত্ব দিয়েছে। যার জন্য তাদের এই ভরাডুবি।
বক্তব্যের শুরুতেই আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ঐতিহাসিক ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন বলেন, সেই স্বাধীন রাষ্ট্র, একটা যুদ্ধবিধস্ত দেশকে গড়ে তুলে দেশকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে যখন জাতির পিতা যাত্রা শুরু করেন। ঠিক সেই ১৫ আগস্টের ঘটনা ঘটে এবং জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এরপর ২৯ টি বছর, প্রথমে ২১ বছর। এরপর আবার ৭বছর। এই জাতির জীবনে অমানিশার অন্ধকার নেমে আসে। কাঙ্খিত কোন অগ্রগতি দেশের মানুষের জীবনে হয়নি। কেবলমাত্র আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করেছে, তখনই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হতে শুরু করেছে।
দলটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফের সঞ্চলনায় সভায় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের প্রায় সকল সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের প্রায় সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে ব্যাপক শো-ডাউন করেছে যুবলীগ।
বিকাল চারটা ২৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী দলীয় কার্যালয়ে আসেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রেসক্লাবের সামনে কদমফোয়ারা থেকে গুলিস্তানের নূর হোসেন চত্বর পর্যন্ত রাস্তার দুইপাশে ব্যাপক শোডাউন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ।
যুবলীগের লাল-সবুজের পতাকা, সবুজ ক্যাপ ও গেঞ্জি পরিহিত হাজার হাজার নেতাকর্মী রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে ‘রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম, নেত্রী তোমার দুই নয়ন, বাংলাদেশের উন্নয়ন’ শেখ হাসিনা-যুবলীগ,-যুবলীগ-শেখ হাসিনা’ স্লোগান দিতে থাকে।
এছাড়াও পতাকা নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান নেতাকর্মীরা। নূর হোসেন চত্বরে দাঁড়িয়ে এই শোডাউনের নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ ছাড়াও ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। চোখে পড়ার মতো শোডাউন ছিল যুবলীগ দক্ষিণের।
১০ টাকায় টিকেট কেটে চিকিৎসা নিলেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল সকালে সাধারণ রোগীদের মত ১০ টাকার টিকিট কেটে আগারগাঁওয়ে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী সাধারণ রোগীদের মতো ১০ টাকা ফি দিয়ে গতকাল সকালে চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। তিনি বলেন, এর আগেও এখানে এভাবে তিনি চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসক ও নার্সদের ধন্যবাদ জানান।
এর আগেও একই হাসপাতালে এভাবে তিনি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছিলেন। এছাড়া২০১৭ সালের ৯ ডিসেম্বর সাধারণ রোগীর মতোই লাইনে দাঁড়িয়ে ৫ টাকার টিকিট কিনে গাজীপুরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালে ‘নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ করিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সময় তার সঙ্গে বোন শেখ রেহানাও ছিলেন।



 

Show all comments
  • Kazi Akther ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ১:০৪ এএম says : 0
    গঙ্গার জলে ধুইলেও আওমীলীগ, পরিশুদ্ধ হবে না।
    Total Reply(0) Reply
  • জান্নাতুল নাঈম মনি ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ১:০৪ এএম says : 0
    মেকাপ যতই লাগানো হোক না কেন, রং বা চেহারার তো পরিবর্তন হবার কথা না! তবে প্লাস্টিক সার্জারি করালে অবশ্য ভিন্ন কথা
    Total Reply(0) Reply
  • Arponuzzaman Toru ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ১:০২ এএম says : 0
    প্রতিবারই বলে
    Total Reply(0) Reply
  • Shakib Khan ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ১:০২ এএম says : 0
    নতুন বোতলে সেই পুরাতন মদ। টেষ্ট সেই আগের মতনই
    Total Reply(0) Reply
  • msIqbal ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ১:০৩ এএম says : 0
    যতই নতুন করে ঢেলে সাজানো হোক, 'ছাচ' পুরোনো হলে ফলাফলের কোন পরিবর্তন হবে না!
    Total Reply(0) Reply
  • Istiaque ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ১:০৩ এএম says : 0
    যাদের বয়স ৭০ এর উপরে তাদের প্রথমে বাদ দিন। ৬০-৭০ এর মধ্যে তাদের উপদেষ্টা । ৪৫-৬০ এর মধ্যে মন্ত্রী সভায় রাখুন।
    Total Reply(0) Reply
  • ম নাছিরউদ্দীন শাহ ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ২:৪০ এএম says : 1
    মাননীয় প্রধান মন্থীর দক্ষ নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিশ্বে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। বিশ্বে বাঙ্গালী জাতির এই বিরল সম্মানের একমাত্র দাবিদার বিশ্ব মানবতার মা দেশ রত্ন মা জননী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী। বঙ্গবন্ধুর দর্শন বঙ্গবন্ধুর আদশ্য এই মহান নেতা জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো। ক্ষুদা দারিদ্র্য মূক্ত বাংলাদেশ। তাহার বুকের রক্তে রন্জিত লাল সবুজের পতাকা আজ তাহার শ্রেষ্ঠ সন্তানের হাতে। এই শহীদি পরিবারের ত্যাগ এই দেশ জম্মের আগে থেকে আজ অবদী। আমরা আটার কোটি কিছু অকৃতজ্ঞ ছাড়া। জাতির পিতার শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধুর আদশ্য স্বপ্নকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করতে দিন রাত পরিশ্রম অনেক প্রতিবন্ধকতা মাঝে আজ বিশ্বে প্রভাবশালী নেতাদের মাঝেই একজন। এই রকম নেতা আগামী শতাব্দীর পর শতাব্দী এই দেশ এই জাতি পাবেন না। তৃণমূল হতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গঠন মুলক পরিবর্তন আনতে পারেন। বিশাল ছাত্র সংগঠনের শৃংখলা আনতে পারেন। এই দেশের সরকারের বিরাট ভাবমুক্তি প্রকাশ পায়। আইন শৃংখলা বাহিনীর উপর সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা। জাতির পিতার অমর বাণী > য়ারা অপরাধ করবে তাদেরকে কঠোরভাবে দমন করবেন। কিন্তুু নিরঅপরাদ কেও যেন অত্যাচারীত না হয়। যদি নিরঅপরাদ কেও অত্যাচারীত হয়। আল্লাহ আরস কাপবে। তার জন্য আল্লাহর কাছে আমাকে জবাব দিহি করতে হবে। কারণ আমি আপনাদের জাতির পিতা। আপনাদের প্রধান মন্ত্রী। আপনাদের নেতা। বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রের প্রধান মন্ত্রী থাকা অবস্থান আল্লাহ ভয়ে পকৃত ঈমানদার ছিলেন। এই মহান নেতার সন্তান রাষ্ট্রের দায়িত্বে। এখনো পকৃত সময় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের। সালামান্তে। স্বাধীনতা সংগ্রামের খতিগ্রস্হ পরিবারের সদস্য
    Total Reply(0) Reply
  • Shamim Abusaleh ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ১:০৫ এএম says : 0
    আওয়ামীলীগ তো আওয়ামীলীগই, আওয়ামীলীগ এর আমলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছিলো, এক কথায় আওয়ামীলীগ হলো বাংলাদেশের জনগনের জন্য বিষফোড়া !
    Total Reply(0) Reply
  • Md Barkat Ullaha ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ১:০৬ এএম says : 0
    দেশে কি ধর্ষণের প্রতিযোগিতা চলছে? দেশ উন্নত কি শুধু ধর্ষণের দিগেই! দৈনিক কত গুলো ধর্ষণের নিউজ পড়ছি! দিন শেষে মনে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে! তাঁর পর ও বলবো! জয়া বাংলা! জয় বাংলার মা ক্ষমতাই আছে বলেই আজ এত উন্নত! গতকাল কে দেখলাম গত ১৫ দিনে শুধু শিশু ধর্ষণ হয়েছে ৫০ জন! সময়ের অপেক্ষা কখন যেন দেশের নাম হয়ে যায় (ধর্ষণ
    Total Reply(0) Reply
  • Imran Mahmud ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ১:০৬ এএম says : 0
    বাংলাদেশ বিনির্মাণে ১৭ এপ্রিল কে অস্বীকার করা যায় না।কিন্তু এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সভানেত্রী মেহেরপুরের মুজিব নগরে যায় নি কেন? মুজিবনগর সরকারের প্রধান ছিলেন তাজউদ্দীন আহম্মেদ আর শ্রদ্ধাভরে স্মরন করা উচিত তাকে কিন্তু আওয়ামী লীগ ১৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু কে স্মরন করে কি প্রমান করে?
    Total Reply(0) Reply
  • আহমেদ নাজির ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ১:০৭ এএম says : 0
    মেয়াদ উত্তীর্ণদের ছাটাই করুন।এরা দলের ভারসাম্য নস্ট করে।শেখ তন্ময় এর মত নবীনদের জায়গা দিন। দল থেকে নেশাখোর,মাদক ব্যবসায়ীদের বের করে দিন।কর্মী নেওয়ার আগে ড্রোপ টেস্ট করে দেখুন নেশাখোর কিনা।তাহলেই ভারসাম্য পূর্ন একটা আওয়ামীলীগ হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Ataullah ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ১:০৭ এএম says : 0
    সন্ত্রাসী, খুনী, ধর্ষকদের দল থেকে বের করে দেন। বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত আদর্শ যাদের কাছে আছে শুধু তারাই থাকবে। দুষ্টু গরুর চেয়ে শুন্য গোয়াল ভালো।
    Total Reply(0) Reply
  • Mokbul Hassan ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ১:০৭ এএম says : 0
    তেলবাজদেরকে আস্থা নিক্ষেপ করে ফেলুন প্রানপ্রিয় মানোনিয় প্রধানমন্ত্রী, তেলবাজ, সেল্ফিবাজদের কাছে আমাদের মতো সাধারণ জনগন বলি হচ্ছে।
    Total Reply(0) Reply
  • ম নাছিরউদ্দীন শাহ ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ২:৪০ এএম says : 0
    মাননীয় প্রধান মন্থীর দক্ষ নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিশ্বে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। বিশ্বে বাঙ্গালী জাতির এই বিরল সম্মানের একমাত্র দাবিদার বিশ্ব মানবতার মা দেশ রত্ন মা জননী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী। বঙ্গবন্ধুর দর্শন বঙ্গবন্ধুর আদশ্য এই মহান নেতা জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো। ক্ষুদা দারিদ্র্য মূক্ত বাংলাদেশ। তাহার বুকের রক্তে রন্জিত লাল সবুজের পতাকা আজ তাহার শ্রেষ্ঠ সন্তানের হাতে। এই শহীদি পরিবারের ত্যাগ এই দেশ জম্মের আগে থেকে আজ অবদী। আমরা আটার কোটি কিছু অকৃতজ্ঞ ছাড়া। জাতির পিতার শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধুর আদশ্য স্বপ্নকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করতে দিন রাত পরিশ্রম অনেক প্রতিবন্ধকতা মাঝে আজ বিশ্বে প্রভাবশালী নেতাদের মাঝেই একজন। এই রকম নেতা আগামী শতাব্দীর পর শতাব্দী এই দেশ এই জাতি পাবেন না। তৃণমূল হতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গঠন মুলক পরিবর্তন আনতে পারেন। বিশাল ছাত্র সংগঠনের শৃংখলা আনতে পারেন। এই দেশের সরকারের বিরাট ভাবমুক্তি প্রকাশ পায়। আইন শৃংখলা বাহিনীর উপর সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা। জাতির পিতার অমর বাণী > য়ারা অপরাধ করবে তাদেরকে কঠোরভাবে দমন করবেন। কিন্তুু নিরঅপরাদ কেও যেন অত্যাচারীত না হয়। যদি নিরঅপরাদ কেও অত্যাচারীত হয়। আল্লাহ আরস কাপবে। তার জন্য আল্লাহর কাছে আমাকে জবাব দিহি করতে হবে। কারণ আমি আপনাদের জাতির পিতা। আপনাদের প্রধান মন্ত্রী। আপনাদের নেতা। বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রের প্রধান মন্ত্রী থাকা অবস্থান আল্লাহ ভয়ে পকৃত ঈমানদার ছিলেন। এই মহান নেতার সন্তান রাষ্ট্রের দায়িত্বে। এখনো পকৃত সময় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের। সালামান্তে। স্বাধীনতা সংগ্রামের খতিগ্রস্হ পরিবারের সদস্য
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রধানমন্ত্রী


আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ