Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ০৬ কার্তিক ১৪২৬, ২২ সফর ১৪৪১ হিজরী

প্রসঙ্গ : শবে বরাত ও নুযুলে কোরআন

এ. কে. এম. ফজলুর রহমান মুন্শী | প্রকাশের সময় : ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

মহান আল্লাহপাক আল কোরআন নাজিল হওয়া বা অবতীর্ণ হওয়া সম্পর্কে কোরআনুল কারিমে দু’টি ক্রিয়াপদ ব্যবহার করেছেন। যথা- ক. নাজ্জালা এবং খ. আনযালা। এবার এই দু’টি ক্রিয়াপদের ব্যবহারিক দিকের প্রতি নজর দেয়া যাক। ১. ‘নাজ্জালা’ ক্রিয়াপদটির অর্থ হলো, বারে বারে নাজিল করা, অল্প অল্প করে নাজিল করা।
ষোলআনা কোরআন দীর্ঘ ২৩ বছরে (মক্কায় ১৩ বছর এবং মদিনায় ১০ বছর) মক্কা এবং মদিনায় অল্প অল্প করে আল্লাহপাকের পক্ষ হতে নাজিল করা হয়। দশম হিজরীর বিদায় হজের দিন আরাফাতের মাঠে সর্বশেষ আয়াত ‘আল ইয়াওমা আখলাকতু লাকুম দীনাকুম... নাজিল হয়। এই ‘নাজ্জালা’ ক্রিয়াটি চারটি রূপে আল কোরআনে আল্লাহপাক ব্যবহার করেছেন। যেমন- ক. ‘নাজ্জালা’ রূপে ১২ বার। খ. ‘নাজ্জালনা’ রূপে ১০ বার। গ. ‘নাজ্জালনাহু’ রূপে ২ বার। ঘ. ‘নাজ্জালাহু’ রূপে ২ বার।
২. আর ‘আনযালা’ ক্রিয়াপদটির অর্থ হলো একসাথে ষোলআনা কোরআন নাজিল করা, একসাথে বৃষ্টি নাজিল করা, একসাথে কিতাব নাজিল করা, একসাথে ফেরেশতা নাজিল করা ইত্যাদি। লক্ষ করলে দেখা যায় যে, আল্লাহপাক একসাথে ষোলআনা কোরআন ২ বার নাজিল করেছেন। যথা ক. আল কোরআনের ৯৭ নং সূরা আল কাদরে ইরশাদ হয়েছে, ‘ইন্না আনজালনাহু ফী লাইলাতিল কাদরি’, অর্থাৎ আমি তা (আল কোরআন) মহিমান্বিত রজনীতে নাজিল করেছি। আর মহিমান্বিত রজনী সন্বন্ধে তুমি কী জানো?
মহিমান্বিত রজনী সহস্র মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। সে রাত্রিতে ফেরেশতাগণ ও রূহ (জিব্রাঈল আ.) তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে প্রত্যেক কাজে অবতীর্ণ হয়। শান্তিই শান্তি সেই রজনী ঊষার আবির্ভাব পর্যন্ত। মহান রাব্বুল আলামীন ‘আনযালা’ ক্রিয়াটি ৭টি রূপে আল কোরআনে ব্যবহার করেছেন। যথা- ক. ‘আনযালা’ রূপে ৬৩ বার। খ. ‘আনযালতু’ রূপে ৩ বার। গ. ‘আনযালতুমুহু রূপে ১ বার। ঘ. ‘আনযালনা’ রূপে ৪০ বার। ঙ. ‘আনযালনাহু’ রূপে ১৪ বার। চ. ‘আনযালনাহা’ রূপে ১বার। ছ. ‘আনযালাহু’ রূপে ৩ বার।
মোটকথা, কদরের রাত্রিতে কোরআনকে ‘লাওহে মাহফুজ’ হতে দুনিয়ার প্রথম আসমানে একসাথে নাজিল করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আল কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘রামজান মাস, এতে মানুষের দিশারী এবং সৎ পথের স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী রূপে কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে।’ আমরা জানি, রমজান মাসের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোর কোনো একটিকে লাইলাতুল কদর হিসেবে আল্লাহপাক মঞ্জুর করেছেন।
সে রাতটি ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ তারিখের যে কোনো একটি হতে পারে। এ জন্যই পিয়ারা নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সা.) সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, ‘তোমরা রমজান মাসের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে কদর রাত তালাশ করো।’ এতদপ্রসঙ্গে আল কোরআনের ৪৪ নং সূরা দুখানের ৩ নং আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি তো তা (কোরআন) এক মুবারক রজনীতে অবতীর্ণ করেছি। আমি তো সতর্ককারী।’
এ পর্যায়ে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে এই যে, ষোলআনা কোরআন একসাথে নাজিলের ব্যাপারে আল্লাহপাক দু’টি রজনীর কথা উল্লেখ করেছেন। এর একটি হলো ‘লাইলাতুল কদর’ মহিমান্বিত রজনী এবং দ্বিতীয়টি হলো, ‘লাইলাতুন মুবারাকাতুন’ অর্থাৎ বরকতময় রজনী। তাহলে কি এই উভয় রজনী এক ও অভিন্ন?
এ প্রশ্নের উত্তরে তত্ত¡জ্ঞানীরা দুইভাগে বিভক্ত হয়ে গেছেন। তাদের এক দলের অভিমত হলো এই যে, বর্ণিত দু’টি রাত অর্থাৎ লাইলাতুল কাদর ও লাইলাতুন মুবারাকাতুন এক ও অভিন্ন। কিন্তু দ্বিতীয় দলের অভিমত হলো এই যে, উল্লিখিত দু’টি রাত ভিন্ন ভিন্ন। লাইলাতুন মুবারাকাতুন হলো শাবান মাসের ১৪ তারিখের দিবাগত রাত।
হাদিস শরীফে যে রাতটিকে শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাত বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। যাকে আরবিতে লাইলাতুন মুবারাকাতুন বা লাইলাতুল বারাআত বলা হয় এবং ফার্সি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় শবে বরাত বা সৌভাগ্য রজনী বলা হয়। এই রাতে মহান আল্লাহপাক স্বীয় এলেম হতে ষোলআনা কোরআনকে ‘লাওহে মাহফুজে’ বা সংরক্ষিত ফলকে লিপিবদ্ধ করেছেন। এ কথারই সাক্ষ্য পাওয়া যায় আল কোরআনের ৮৫ নং সূরা বুরুজের ২১ ও ২২ নং আয়াতে।
ইরশাদ হয়েছে, ‘বস্তুত তা সম্মানিত কোরআন, যা সংরক্ষিত ফলকে লিপিবদ্ধ আছে।’ আল্লাহপাক ষোলআনা কোরআনকে সংরক্ষিত ফলকে সংরক্ষণ করেছিলেন শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাতে অর্থাৎ ‘লাইলাতুন মুবারাকাতুন’-এ। যা মুক্তি লাভ ও সৌভাগ্যের রাত বলে সুপরিচিত।
উপরোক্ত আলোচনার দ্বারা স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে, ‘লাইলাতুন মুবারাকাতুন’-এ আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত স্বীয় এলেম হতে ষোলআনা কোরআনকে একসঙ্গে ‘লাওহে মাহফুজে’ লিপিবদ্ধ করেছেন। দ্বিতীয়বার লাওহে মাহফুজ হতে মাহে রমজানের কোনো এক কদরের রাতে ষোলআনা কোরআনকে প্রথম আকাশের বাইতুল ইজ্জতে নাজিল করেছেন। বাইতুল ইজ্জত হতে দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে কোরআনুল কারিম মক্কা এবং মদিনায় সূরা বা অল্প অল্প করে নাজিল হয়েছে। আল কোরআনে ব্যবহৃত ‘নাজ্জালা এবং ‘আনযালা’ ক্রিয়াপদদ্বয় এ কথার সাক্ষীই বহন করে।



 

Show all comments
  • Hafsa Akter ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ১:১৯ এএম says : 2
    "লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান"অর্থাৎ অর্ধ শাবানের রাত্রি। আল্লাহ তার সমস্ত সৃষ্টির দিকে শাবানের মধ্য রাতে দৃষ্টি দেন।অতপর তার সমস্ত সৃষ্টিকে মাফ করে দেন।শুধুমাত্র মুশরিক ও হিংসা-বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত। (সহীহ-ইবনে হিব্বান) #হযরত আবু বকর (রাঃ)ও হযরত আলী (রাঃ)হতে বর্ণিত রাসূল (সাঃ) এরশাদ করেন,মধ্য শাবান এলে তোমরা রাত্রিতে ইবাদাত করো ও দিবসে ছিয়াম পালন কর।(সহীহ-ইবনে মাজাহ)।
    Total Reply(0) Reply
  • Hafsa Akter ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ১:২০ এএম says : 1
    গুরুত্ত্বপূর্ন কথা!
    Total Reply(0) Reply
  • Mahfuzur Rahman ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ১:২০ এএম says : 1
    মা শা অাল্লাহ। খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং উত্তম পোস্ট। জাযাকা অাল্লাহু খাইরান।
    Total Reply(0) Reply
  • Khadija Khusi ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ১:২০ এএম says : 1
    দারুন পোস্ট।তবে আমি মুমিনদের দলে থাকতে চাই।
    Total Reply(0) Reply
  • Khadija Khusi ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ১:২০ এএম says : 1
    শবে বরাত হল স্পেশিয়াল একটা রজনী। এই রজনী কে ভাগ্য রজনী বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।অর্থাৎ এই রাতে মানুষের ভাগ্যে অনেক কিছু লিখা হয়ে থাকে।তাই এই রাতে আল্লাহর কাছে যা চাওয়া হবে আল্লাহ'তায়ালা তা দিতে পারেন।তাই পবিত্রতার সহিত নামাজ পড়ে সবাই যার যার মন-বাসনা পুরনের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Shamim ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ১:২১ এএম says : 1
    ভাই আবার কিছু লোক বলে শবে বরাত নামে কিছু নেই
    Total Reply(0) Reply
  • সাইফ ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ৯:৫৬ এএম says : 1
    লেখক সাহেবকে ও ইনকিলাব সংশ্লিষ্ট সকলকে আল্লাহ্‌ এর উত্তম প্রতিধান প্রধান করুন। অত্যান্ত সময় উপযোগি এবং গুরুত্ব পূর্ন লেখা, সবে বারাত এর বিরোধিতা করে তারাই যারা রাসুল (সাঃ) এর প্রতি সালাম ও দরূদ এর বিরোধিতা করে। আল্লাহ্‌ সকলকে হিদায়েত নসিব করন।
    Total Reply(0) Reply
  • Sk Muhibbul Islam ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ৯:৫৭ এএম says : 1
    আল্লাহ পাক সকলকে ইবাদত করার তৌফিক দান করুক।
    Total Reply(0) Reply
  • মুরশাদ সুবহানী ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ৩:১৪ এএম says : 1
    দৈনিক ইনকিলাব-এ হযরত এ. কে. এম. ফজলুর রহমান মুন্শী সাহেবের ‘প্রসঙ্গ : শবে বরাত ও নুযুলে কোরআন।’ বিষয়ক লেখাটি যাঁরা এই নিয়ে তর্কে লিপ্ত রয়েছেন, শবে বরাত পবিত্র কোরআনে উল্লখ নেই এবং কোন আয়াত নাযেল হয়নি। অনেকে শবে বরাত পালন করতে আগ্রহী নন। শবে শব্দটি কোরআন পাকে থাকবে না, কারণ এটি ফার্সি শব্দ। আর পবিত্র কোরআন নাযেল হয়েছে আরবী ভাষায়। লাইলাতুন /লাইলাতুল মুবারাকাতুন সূরায় অবতীর্ণ হয়েছে। যার তফসির করে হযরত এ. কে. এম. ফজলুর রহমান মুন্শী সাহেব বুঝিয়ে দিয়েছেন। আশা করি শবে বরাত নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীগণ এটি পাঠ করে তাদের ভ্রান্ত ধারণা বুঝতে সক্ষম হবেন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন আমাদের নেক কাজ করার তৌফিক দান করুন এবং খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখুন। আমিন। - মুরশাদ সুবহানী, স্টাফ রিপোর্টার (দৈনিক ইনকিলাব), পাবনা । ২১.৪.১৯
    Total Reply(1) Reply
    • Md. Humaun Kader , ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ৪:৪৩ পিএম says : 2
      Asssalamu alikum apnar kotha vhul. quran ak kadorer rata nazil hoicha, ar sura dokhana ja acha ta sai kodorer rater kotha onno kichui noy, soba borat kotha thaka aslo saita aga janun tarpor likhun, na jana bola vhalo na, allah amader sobaika diner sothik gayan dan korun , amin
  • ripon ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ৩:০৬ পিএম says : 1
    ai post ta khub e valo . but bortomane onek alem somaj ata ke sompurno osikar kore . asa kore tader biruddhe o kisu post korben. sei sathe sobe barat er bepare aro sohi hadis post korben
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Islam ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ১০:২৩ পিএম says : 1
    এ রাত্রি কি ভাগ্য রজনী? উত্তর: না, এ রাত্রি ভাগ্য রজনী নয়, মূলতঃ এ রাত্রিকে ভাগ্য রজনী বলার পেছনে কাজ করছে সূরা আদ-দুখানের ৩ ও ৪ আয়াত দু’টির ভূল ব্যাখ্যা। তা হলোঃ আয়াতদ্বয়ের অর্থ হলোঃ “অবশ্যই আমরা তা (কোরআন) এক মুবারক রাত্রিতে অবতীর্ণ করেছি, অবশ্যই আমরা সতর্ককারী, এ রাত্রিতে যাবতীয় প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়”। এ আয়াতদ্বয়ের তাফসীরে অধিকাংশ মুফাসসির বলেনঃ এ আয়াত দ্বারা রমযানের লাইলাতুল ক্বাদরকেই বুঝানো হয়েছে। যে লাইলাতুল কাদরের চারটি নাম রয়েছে: ১. লাইলাতুল কাদর, ২. লাইলাতুল বারা’আত, ৩. লাইলাতুচ্ছফ, ৪.লাইলাতুল মুবারাকাহ। শুধুমাত্র ইকরিমা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, এ আয়াত দ্বারা শা’বানের মধ্যরাত্রিকে বুঝানো হয়েছে। এটা একটি অগ্রহণযোগ্য বর্ণনা। আল্লামা ইবনে কাসীর (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেন, আলোচ্য আয়াতে ‘মুবারক রাত্রি’ বলতে ‘লাইলাতুল ক্বাদর বুঝানো হয়েছে, যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেছেনঃ আমরা এ কোরআনকে ক্বাদরের রাত্রিতে অবতীর্ণ করেছি। [সূরা আল-কাদরঃ১] আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন: রমযান এমন একটি মাস যাতে কোরআন অবতীর্ণ করা হয়েছে। [সূরা আলবাকারাহঃ১৮৫] যিনি এ রাত্রিকে শা‘বানের মধ্যবর্তী রাত বলে মত প্রকাশ করেছেন, যেমনটি ইকরিমা থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি অনেক দূরবর্তী মত গ্রহণ করেছেন; কেননা কোরআনের সুস্পষ্ট বাণী তা রমযান মাসে বলে ঘোষণা দিয়েছে’। (তাফসীরে ইবনে কাসীর (৪/১৩৭)। অনুরূপভাবে আল্লামা শাওকানীও এ মত প্রকাশ করেছেন। (তাফসীরে ফাতহুল ক্বাদীর (৪/৭০৯)। সুতরাং ভাগ্য রজনী হলো লাইলাতুল ক্বাদর যা রমযানের শেষ দশদিনের বেজোড় রাত্রিগুলো। আর এতে করে এও সাব্যস্ত হলো যে, এ আয়াতের তাফসীরে ইকরিমা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) মতভেদ করলেও তিনি শা’বানের মধ্য তারিখের রাত্রিকে লাইলাতুল বারা’আত নামকরণ করেননি।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইসলাম

২২ অক্টোবর, ২০১৯
২০ অক্টোবর, ২০১৯
১০ অক্টোবর, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন