Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার ২০ মে ২০১৯, ০৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৪ রমজান ১৪৪০ হিজরী।

বরিশালে পুলিশ ধর্ষিতা ছাত্রীর মামলা নিয়েছে ধর্ষণ চেষ্টার

বরিশাল ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ২৩ এপ্রিল, ২০১৯, ৮:১০ পিএম

বরিশালের হিজলা উপজেলায় ৮ম শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে মামলা দায়ের করতে গেলে হিজলা থানা পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগের পরিবর্তে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা নিয়েছে বলে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়েছে। সজিব গাজী (১৭) নামের প্রতিবেশী এক বখাটে গত ৩০ মার্চ ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে বলে ছাত্রীটি অভিযোগ করেছে। জেলা পুলিশ সুপার এ বিষয়টি জানতে পেরে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের পর ছাত্রী ও তার অভিবাবকদেরকে তার দপ্তরে ডেকে মেডিকেল পরীক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদেও বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন তিনি।
অভিযুক্ত ধর্ষক সজীব গাজী হিজলার চরমেমানিয়া গ্রামের নুরুল হক গাজীর ছেলে এবং মোস্তাফিজুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।
সংবাদ সম্মেলনে ওই ছাত্রীটি অভিযোগ করেন, ৩০ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সজিব ছাত্রীটির বাসায় ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। তখন ছাত্রীটি বাসায় একা ছিল। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে সজীব পালিয়ে যায়। পরদিন তার অভিভাবকরা স্থানীয়ভাবে বিচার দাবী করেন। ছাত্রীটি জানান, স্থানীয় এক ইউপি সদস্য ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে ধর্ষকের পরিবারের সঙ্গে আপোষরফার প্রস্তাব দেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছাত্রীর বাবা জানান, এব্যপারে গত ১৩ এপ্রিল হিজলা থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ তাদের কম্পিউটারে ধর্ষণ চেষ্টার এজাহার লিখে এনে স্বাক্ষর নেয়। পরে ছাত্রীটি বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইবুনালে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। এ মামলা আদালতে শুনানীর জন্য রাখা হয়েছে।
তবে ছাত্রীর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হিজলা থানার ওসি মাকসুদুর রহমান। তিনি বলেন, ছাত্রীটি যেভাবে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সেভাবেই এজাহার গ্রহন করা হয়েছে। থানার কম্পিউটারে এজাহার লিখে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি দাবী করেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ধর্ষণ


আরও
আরও পড়ুন