Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ০৪ কার্তিক ১৪২৬, ২০ সফর ১৪৪১ হিজরী

প্রেমিককে পুঁতে রাখার বর্ণনা দিল ফারজানা

হবিগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৪ এপ্রিল, ২০১৯, ১১:৪৬ এএম

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে কলেজছাত্র উজ্জ্বল মিয়া খুনের ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তার প্রেমিকা ফারজানা আক্তার (১৭)। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় এ জবানবন্দি দেন।

এ সময় তিনি ঘটনার আদ্যোপান্ত বর্ণনা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে ফারজানা আক্তার ও তার বাবা মঞ্জু মিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লাখাই থানা পুলিশের ওসি মো. এমরান হোসেন।


প্রেমিককে হত্যার দায়ে গ্রেফতার হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের ছাত্রী ফারজানা আক্তার আদালতকে জানান, মাধবপুর সৈয়দ সঈদ উদ্দিন কলেজের ছাত্র লাখাই উপজেলার মুড়াকরি গ্রামের শাহ আলমের ছেলে উজ্জ্বল মিয়ার (২২) সঙ্গে ফেসবুকে তার পরিচয় ও প্রেম হয়। দিনে দিনে প্রেম গভীর হয়ে ওঠে। ফারজানার মা-বাবা ঢাকায় অবস্থান করার সুযোগে প্রায়ই তাদের বাড়িতে যাতায়াত করতো উজ্জ্বল। তাদের মাঝে অসংখ্যবার দৈহিক সম্পর্কও হয়েছে। কিন্তু তাকে রেখে আরও কয়েকজন মেয়ের সঙ্গে একইরকম সম্পর্ক গড়ে তোলে উজ্জ্বল। সে খবর জানতো না ফারজানা।

২০ ফেব্রুয়ারি তারা ফারজানার বাড়িতে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। ওই রাতে অন্য প্রেমিকা বার বার উজ্জ্বলকে মোবাইলে ফোন করছিল। কিন্তু ফোন না রিসিভ করায় সে এক পর্যায়ে একটি ক্ষুদে বার্তা পাঠায়। তা দেখতে পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ফারজানা। সে তখন আত্মহত্যার কথা চিন্তা করে। পরক্ষণেই সিদ্ধান্ত পাল্টায়। নিজে কেন মরবে? বরং প্রেমিককে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাতেই ঘরে থাকা শিল দিয়ে প্রেমিক উজ্জ্বলের মাথায় প্রথমে আঘাত করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়। এরপর নিজের ঘরের মেঝেতে গর্ত করে লাশ পুঁতে রাখে।

পরদিন সকালে সে ঢাকায় গিয়ে মা বাবার কাছে ঘটনা সম্পর্কে জানায়। খবর পেয়ে মা বাবা ঢাকা থেকে বাড়িতে ছুটে আসেন। রাতে তার বাবা মঞ্জু মিয়া লাশ বস্তাবন্দি করে মেন্দি হাওরের একটি বিলে নিয়ে ফেলে আসেন।



 

Show all comments
  • শফিউর রহমান ২৪ এপ্রিল, ২০১৯, ১২:২৭ পিএম says : 0
    মাননীয় সরকার প্রধান/ধর্ম/শিক্ষা/তথ্য মন্ত্রনালয়ের কাছে বিশেষ অনুরোধ আর মাত্র কিছুদিন পর পবিত্র রমজানুল মোবারক । সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে সরকারী এবং বেসরকারী স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় গুলি রমজানের পবিত্রতার জন্য বন্ধ ঘোষনা করা হউক । আমার বয়স ৬০ বৎসর হয়ে গেলো বহু কিছু দেখেছি কিন্তু বর্তমান সামাজিক অবক্ষয় এত বেশী দেখা দিয়েছে তা কখনো ভাবিনি বা দেখিনি । রমজান মাস আসলে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকার কারনে ছেলে মেয়েরা যে ভাবে শরীর প্রর্দশন করে চলা ফিরা করে তা ভাষায় প্রকাশ করা যায়না । বেপর্দা অবস্তায় সিগারেট সহ খাদ্য সামগ্রি রোজাদারদের সমু্ক্ষে অহরহ চালায় যা রোজাদারদের মনে খোভ সন্চার হয় । মনে হয় যেন আমরা একটা পচ্সিমা দেশে বাস করতেছি । তার জন্য অনুরোধ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো রমজানের প্রথম হতে বন্ধ ঘোশনার জন্য । আমরা জানি পবিত্র কোরান হাদিচে কোথাও কোন যায়গায় মোহান আল্লাহর নাম খোদা লিখা বলে না্ ি । মোহান আল্লাহর ৯৯ টি নাম আছে তার মধ্যে খোদা লিখা না। খৃষ্ঠানরা খোদা ডাকে মুসলমানরা না । বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রায় শুনা/দেখা যায় খোদা উচ্চারন করে পর্ব শেষ করেন । এটা বন্ধ করার জন্য অনুরোধ রাখলাম । অন্তত রমজান মাষে রমজানের পবিত্রতার জন্য সমস্ত টেলিভীষন চেনেল গুলোকে শালিনতা বজায় রেখে অনুষ্ঠান মালা প্রচার করার জন্য এবং শালিনতা মাপিক পোশাখ পরিচ্ছেদ ব্যবহার করার জন্য । মোহান আল্লহ আমদের দেশের মুসলমানদেরকে ঈমান ধান করুন । ইনকিলাব পত্রিকার কাছে অনুরোধ কথাগুলো ভাল ভাবে প্রচার করার জন্য ।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ