Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার ২২ মে ২০১৯, ০৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৬ রমজান ১৪৪০ হিজরী।

জায়ানের দাফন সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৪ এপ্রিল, ২০১৯, ৬:৫৫ পিএম

মাত্র আট বছরের যে শিশুটি নানা-নানি, দাদা-দাদি, মা-বাবাসহ পরিবারের সবাইকে মাতিয়ে রাখত। যার চঞ্চলতায় মেতে থাকত পরিবারের সদস্যরা। মেতে থাকত বাসার সামনের রাস্তা ও পাশের মাঠটা। সেসব কিছু থেকে চিরতরে বিদায় নিল জায়ান। বুধবার বনানী চেয়ারম্যানবাড়ি মাঠে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয় জায়ান চৌধুরীর। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

এর আগে গত রোববার শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে সিরিজ বোমা হামলায় নিহত হয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নাতি জায়ান চৌধুরী। আজ দুপুর পৌনে ১টায় তার মরদেহ শ্রীলঙ্কা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

সেখান থেকে দুপুর দেড়টার দিকে শেখ সেলিমের বনানীর ২/এ’র ৯ নম্বর বাসায় নিয়ে আসা হয়। যেখানেই কেটেছে জায়ানের স্বল্প জীবনের বড় একটা অংশ। জায়ানের ছোট্ট দেহটি শেষবারের মতো দেখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেলা ২টা ৪০ মিনিটে শেখ সেলিমের বাসায় আসেন। সেখানে এক ঘণ্টার বেশি অবস্থান করেন। প্রধানমন্ত্রীর ফুফাতো ভাই শেখ সেলিম।

এরপর চলতে থাকে জায়ানের জানাজার প্রস্তুতি। বাদ আসর যে মাঠে সবসময় খেলাধুলা করত জায়ান, সেখানেই হয় তার জানাজা। জানাজা পড়ান বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম।

জানাজায় অংশ নেন আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, শেখ ফজলে নূর তাপস, আকবর খান পাঠান ওরফে ফারুক, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ডা. এনামুর রহমান, মেয়র আতিকুল ইসলাম প্রমুখ।

এরপর সন্ধ্যা ৬টার দিকে বনানী কবরস্থানে জায়ানকে দাফন করা হয়। সেখানে আওয়ামী লীগ ও তার বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনসহ বিভিন্ন সংগঠন জায়ানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে।

শ্রীলঙ্কার ভয়াবহ বোমা হামলায় জায়ানের বাবা মশিউল হক চৌধুরী গুরুতর আহত হয়ে সেখানকার একটি হাসপাতালে আইসিসিইউতে ভর্তি আছেন।

ওই হামলায় এখন পর্যন্ত ৩২১ জন নিহত হয়েছেন। এর দায় স্বীকার করেছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। ওই হামলায় আহত হন অন্তত পাঁচ শতাধিক মানুষ। সেদিনের সকালে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা, তিনটি বিলাসবহুল হোটেল ও দুটি স্থাপনায় সংঘবদ্ধ বোমা হামলা চালানো হয়। নিহতদের মধ্যে অন্তত ৩৮ জন বিদেশি নাগরিক।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ