Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৩ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

ব্যাখ্যা চাইবে শ্রম মন্ত্রণালয়

টিআইবির প্রতিবেদন

স্টাফ রিপোর্টার : | প্রকাশের সময় : ২৮ এপ্রিল, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

নতুন কাঠামোতে পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বাড়েনি, উল্টো ২৬ শতাংশ কমেছে বলে দেয়া প্রতিবেদন প্রকাশ করায় এ বিষয়ে টিআইবির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান। গতকাল শনিবার সচিবালয়ে জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস উদযাপন নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ কখা বলেন। এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব উম্মুল হাছনা উপস্থিত ছিলেন। গত ২৩ এপ্রিল তৈরি পোশাক খাতে সুশাসন: অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আইন অনুযায়ী প্রতিবছর পাঁচ শতাংশ হারে মজুরি বাড়ানোর নিয়ম রয়েছে। এ হিসাবে পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বাড়েনি, কিন্তু সার্বিক ভাবে ২৬ শতাংশ কমানো হয়েছে। টিআইবির এ প্রতিবেদন নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে আমরা যখন মজুরি কাঠামো দেই, তখন শেষ পর্যন্ত বার্গেনিং প্রধানমন্ত্রীই করেন। মালিকরা তো মজুরি বাড়াইতেই চান না। সেই সময় ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করা হয় ৫ হাজার ৩০০ টাকা। ওই সময়ই প্রথম ৫ শতাংশ করে ইনক্রিমেন্ট যোগ করেছি।
তিনি বলেন, এবার মজুরি ৫ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ৮ হাজারে উন্নীত হয়েছে। এটাও কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে হয়েছে। আমি এবার আসার পর দেখলাম মজুরি ঘোষণা নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ আছে। আমি দেখলাম ৩, ৪, ৫ নম্বর গ্রেড পর্যন্ত মজুরি হিসাব অনুযায়ী কমে গেছে, বাড়েনি। আমরা এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিয়ে যাই এবং মালিকরাও সম্মত হয়। পরবর্তী সময়ে ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট যোগ করে দেয়া হয়। কিছু কিছু জায়গায় বাড়তিও দেয়া হয়। তিনি বলেন, মূল বেতন ৮ হাজারের সঙ্গে বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা ও যাতায়াত ভাতা যোগ হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: টিআইবি


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ