Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৬, ১৬ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

প্রবাসী বান্ধব ঢাকা-সিলেটসরাসরি রেলপথ চালুতে সরকারের ইমেজ ও দেশের অথর্নীতিতে ঘটবে বিপ্লব!

ফয়সাল আমীন | প্রকাশের সময় : ২৯ এপ্রিল, ২০১৯, ৭:৩৩ পিএম

“যখন মোদের ছিল কিছু,তখন সরাসরি ছিল ট্রেন, এখন মোদের সবই আছে নেই কেন রেল“ এভাবে ঢাকা-সিলেট সরাসরি ট্রেন সার্ভিসের দাবী বিষয়ে মনের দীর্ঘ লুকায়িত ক্ষোভ ব্যক্ত করলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের ত্রান ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক হাবিুবুর রহমান হাবিব। অথচ দেশের জনগনের মতো প্রবাসীদের সার্বিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব এমন ঘোষনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রবাসীদের গুরুত্ব দিয়ে রেল ব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন ডিও লেটার দিয়েছিলেন সংশ্লিষ্টদের। তারপরও সরাসরি রেল সার্ভিস দাবী পূরণ হচ্ছে না সিলেটবাসীর। এহেন পরিস্থিতির মধ্যে রেল পথে সরাসরি সাভির্স চালু না করে ঢাকা-রাজশাহী সরাসরি ট্রেন সার্ভিস বনলতা ছুটে চলছে।ঢাকা-চাপাই নবাবগঞ্জ পথে সরাসরি ট্রেন সার্ভিস চালু শুধু ঘোষনার অপেক্ষায় কিন্তু সরাসরি ঢাকা-সিলেট রেল সার্ভিসের অশেষ গুরুত্ব থাকার পরও নির্লিপ্ত সংশ্লিষ্টরা। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিশেষ করে রেল পথ যুগোপযোগি সহ প্রবাসী বান্ধব না হ্ওয়ায় চরম হতাশায় ভূগছেন সিলেটের প্রবাসীরা। প্রবাসী প্রজন্ম দেশের কথা শুনলেই এক কথায় নো বলে উড়িয়ে দেয় অভিভাবকদের। টেকনোলজির দুনিয়ার বদৌলতে প্রবাসী প্রজন্মের নখ দর্পনে বিশেষ করে ঢাকা-সিলেট যোগাযোগ ব্যবস্থা। পিতৃ দেশের বদলে হলি ডে করছে ইউরোপ, তুরস্ক, মরক্ষো তথা যোগযোগ ও নিরাপত্তায় সুরক্ষিত কোন দেশ। সড়ক পথে ঝুঁকি, অভ্যন্তরীন বিমান পথের অপ্রতুল অনিশ্চিত সিডিউল, রেল পথের সমন্বয়হীন ও মানহীন চলাচল খুব ভালো করেই অবগত প্রবাসী প্রজন্ম। ফাস্ট ওয়ার্ল্ডে বসবাস করায়, হাতের নাগালে যোগাযোগ সুবিধার সকল প্রাপ্তিতে অভ্যস্ত তাদের যাপিত জীবন। যুক্তরাজ্যে হিথ্রো এয়ারপোর্টের সাথে ৫টি ট্রেন ট্রামিনাল। একই সূত্রে গাথাঁ ফ্লাইট ও ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থা। সম্ভব ও সম্ভাবনার ইচ্ছে মতো সুবিধায় চলছে তাদের নিত্যকার যাত্রা। সেই চিত্র ও বাস্তবতার বিপরীতে অবিশ্বাস্য করুন হাল ঢাকা-সিলেট যোগাযোগ ব্যবস্থায়।
সম্প্রতি ঢাকা-সিলেট পথে সিলেট-আখাউড়া রেলপথ আধুনিকায়নের জন্য একটি প্রকল্ড অনুমোদন দিয়েছে সরকার। একনেক সভায় ১৬ হাজার ১০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ঢাকা-সিলেট পথের সময় ঘন্টা প্রায় আড়াই ঘন্টা কমবে। মিটারগেজ থেকে ডুয়েলগেজে রূপান্তরিত হচ্ছে রেল পথটি। অথচ আড়াই বছর পূর্বে ডবল লাইনে সিলেট-আখাউড়া রূপান্তর করার উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে দুই বছর পূর্বে বাংলাদেশ রেল মন্ত্রনালয়ে চিটি প্রদান করেছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। ্এ স্বত্ত্বেও ডাবল লাইনের বাস্তবতা পাচ্ছে না সিলেট-আখাউড়া রেলপথ।
তেল, গ্যাস, ক্যালসিয়াম কার্বনেট খনিজ সম্পদের বড় উৎস বিভাগীয় শহর সিলেট। চা উৎপাদনেও সিলেট অঞ্চলের গুরুত্ব দেশের অর্থনীতির অন্যতম শক্তি। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান সবচেয়ে বেশ স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি ব্রনাই্এর দারুন সালাম বন্দর সেরি বেগাওয়ানে বাংলাদেশ হাই কমিশনের নতুন চ্যান্সেরি ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন কালে তার বক্তব্যে উল্লেখ করে বলেছেন, “প্রবাসীরা যাতে সেবা পায় সে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান সবচেয়ে বেশি। তাদের সার্বিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।“ গত ১৭ জানুয়ারী সিলেট-১ আসনের এমপি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে এম মোমেন রেল ব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে ডিও লেটার প্রদান করেন রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন বরাবরে। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর রেলমন্ত্রীকে ইস্যু করা প্রথম ওই ডিও লেটারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সিলেট বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক, প্রবাসীসমৃদ্ধ ও অন্যতম পর্যটন জনপদ। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রচুর সংখ্যক দর্শনার্থী এবং পেশাজীবী এ অঞ্চলসমূহে ভ্রমণ করেন। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রেল খাতের উন্নয়নে ৪ দফা সুপারিশ করে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহনের জোর দাবীও জানান তিনি।
সিলেট-ঢাকা পথে রেলের ইতিহাস বলেন, সিলেট-ঢাকা পথে সরাসরি রেল যোগাযোগ চালু করা হয়েছিল ১৯৮৫ সালে ৪ ডিসেম্বর। তৎকালীন এরশাদ সরকার ১ জোড়া যাত্রীবাহী লোক দিয়ে এই পারাবত ট্রেন উদ্বোধন করেছিলেন। পরবর্তীতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এই আন্ত:নগর ট্রেনটি। যাত্রা পথে আখাউড়াতে এসে ৪০ মিনিট সময় ব্যায় হতো ট্রেনের ইঞ্জিন বদলে। তারপর সরাসরি সিলেট ষ্টেশনে এসে থামাতো ট্রেনটি। কিন্তু মাত্র ৬ মাস পর ঢাকা-সিলেট ট্রেনটি সরাসরি চলতে পারেনি। বহুমুখি তদবির ও রাজনীতিক চাপে ট্রেনটির ঢাকা-সিলেট পথে সরাসরি চলাচল বাধাগ্রস্থ হয়ে উঠে। এরশাদ সরকারের পর বারবার এদেশে ক্ষমতায় এসেছেন গণতান্ত্রিক সরকার। কিন্তু তাদের কেউই সেই সরাসরি ট্রেন যোগাযোগ পুনরায় চালু করেননি সিলেটবাসীর জন্য। তুলনামুলক গুরুত্ব বিবেচনায় সার্বিক স্বার্থে সিলেট-ঢাকা পথে সরাসটি ট্রেন যোগাযোগ চালু করা বা রাখা অবশ্যই উন্নয়নের অনন্য দৃষ্টান্ত হতে পারতো। এর ইতিবাচক প্রভাব দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে সরকারের জনবান্ধব ও প্রবাসী বান্ধব ভূমিকা ইতিহাস হ্ওয়ার একটি মোক্ষম সুযোগ ছিল। কিন্তু সরাসরি ট্রেন সার্ভিস তথা প্রবাসী বান্ধব ট্রেন সার্ভিস চালুর বিষয়টি গুরুত্বহীন হয়ে উঠায় বিরূপ প্রভাব দেখা দিয়েছে জনমনে।
যুক্তরাজ্য প্রবাসী যুবলীগ নেতা রাজা মিয়া বলেন, দেশের টানে আমরা দেশমুখি একান্ত হলেও আমাদের প্রজন্ম দেশের পথে পা দিতে ভয় পায়। এর অন্যতম কারন ঢাকা-সিলেট যোগাযোগ ব্যবস্থা। ঘন্টা গুনে আকাশ পথে ঢাকা এয়াপোর্টে নামার নিশ্চিয়তা থাকলেও, ঢাকা-সিলেট পথ পাড়ি দিতে কত সময় লাগবে তা এক বিরাট অনিশ্চয়তা। সড়ত পথে ঝুঁকি বলা বাহুল্য। আর্ন্তজাতিক ফ্লাইটের সাথে সিলেট পথে অভ্যন্তরীন ফ্লাইটের ব্যাপক সমন্বহীনতা। এহেন পরিস্থিতিতে রেলপথ তুলনামুলক ঝুঁকিমুক্ত ও আরামদায়ক, সেই বিবেচনায় রেলপথকে ফ্লাইট তথা প্রবাসী বান্ধব করতে পারলে বৈপ্লবিক একটি পরিবর্তন সাধন হতো বলে তার বিশ্বাস। অনেক প্রবাসীদের মতে, ঢাকা-সিলেট পথে সরাসরি ট্রেন সার্ভিস সহ উন্নত মান ও পরিবেশ চালু করা সময়ের দাবী। সিলেট শুধু বাংলাদেশের একটি বিভাগীয় শহর নয়, এই সিলেটের পরিচয়, পরিচিতি বিশ্ব জুড়ে। নামের বিচার গুরুত্ব ছাড়া হয়নি, সেই গুরুত্ব বিবেচনায় এই নগরীর সাথে রাজধানীর যোগাযোগ, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী প্রবাসীদের যোগাযোগ সুবিধার আলোকে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। তা সম্ভব হলে, প্রবাসী প্রজন্ম হলি ডে করার জন্য অনন্ত পিতৃভূমিকে প্রাধান্য দিবে। তিনি বলেন, এই মুর্হুতে প্রবাসী প্রজন্মকে দেশমুখি করে রাখার সুযোগ মিস করলে তাদের পরবর্তী জেনারেশন নামেই মনে রাখতে পারে বাংলাদেশ, বাকী হয়ে যাবে বিলুপ্ত এক ইতিহাস। প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটের বেশিরভাগ লোক যুক্তরাজ্য, আমেরিকা সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাস করছে। শিক্ষা, রাজনীতি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান সুসংহত। দক্ষতা, মান, অভিজ্ঞতায় সাফল্যময় হয়ে উঠছে তাদের জীবনধারা। দেশের পথ অন্তহীন বিড়ম্বনা অপর নাম ঢাকা-সিলেট যাত্রা পথ। যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের ত্রান ও সমাজকল্যান বিষয় সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আমাদের প্রবাসী সন্তানরা দেশ বিমুখ। প্রথমত সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে যখন দেশের মাঠিতে পা দিয়ে বিড়স্বনায় পড়ি আমরা। নিদিষ্ট ঘন্টার প্রস্তুতি নিয়ে দেশের মাঠিতে বিমান চড়ে দেশে নামলে, সিলেট কখন ফিরবো সেই অনিশ্চয়তা ঝাঁপটে ধরে আমাদের।

কানাডা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, যোগাযোগ বিড়ম্বনা আমাদের প্রবাসী প্রজন্ম যোগাযোগ বিড়ম্বনা মানিয়ে নিতে অভ্যস্ত নয়। তাই স্ত্রী সন্তান রেখেই দেশে আসি। পেছনে টান রেখে দেশে আসার পরও মন পড়ে থাকে বিদেশের মাঠিতে। তারা দেশে না আসার পথে প্রধান বাধা ঢাকা-সিলেট যোগাযোগ ব্যবস্থা। ওই বলেন, প্রবাসী প্রজন্মের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, বিশ্বের সাথে তাল মিলয়ে চলার কলা কৌশলে তারা এখন সেরা। এই প্রজন্মকে দেশমুখী করতে পারলে দেশেল সার্বিক উন্নয়নে তারা বিশাল সহায়ক শক্তি হতে পারতো।
এখন ঢাকা-সিলেট পথে অন্তত ১০ টি লোকাল ষ্টেশনে থেমে থেমে সিলেট পৌছে পারাবত। সেকারনে গতিসীমাও অপ্রত্যাশিতভাবে গতিহীন করে চালানো হয়। এছাড়া ঢাকা-সিলেটে পথে জৈন্তিকা, কালনী, উপবন ট্রেন চালু রয়েছে। এ ট্রেন গুলোর মান ও গতি যাত্রী বান্ধবহীন, যাচ্ছে তাই।
এব্যাপারে ওভারসিজ সেন্টারের সাবেক কর্মকর্তা শামসুল আলম বলেন, প্রবাসী বান্ধব যোগাযোগ গড়ে না উঠলে, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভ্যস্ত আমাদের প্রবাসী প্রজন্ম দেশ বিমুখ হয়ে উঠবে। আমাদের অর্থনীতির পরিক্ষিত অংশ প্রবাসীরা। তারা যোগাযোগ বিড়ম্বনায় এখন ক্রমশ: দেশ বিমুখ। এতে করে সিলেট সহ দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভবিষ্যত হুমকিতে পড়বে।
সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরাম এর সভাপতি চৌধুরী আজাদুর রহমান আজাদ বলেন, আমাদের ফোরামের পক্ষ থেকে দীর্ঘ ৯০ বছর থেকে সিলেটের উন্নয়নে বিভিন্ন দাবীর মধ্যে সরাসরি ট্রেন যোগাযোগ অন্যতম। বিদেশী বায়াররা অংশ নেয় শ্রীমঙ্গলে চা নিলামে। রেল যোগাযোগের কারনে চরমভাবে বিরক্ত তারা। তিনি বলেন, দেশ ্ও অর্থনীতি বিরোধী সুবিধাভোগি সিন্ডিকেটের কারনে রুদ্ধ করে দেয়া হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থার স্বাভাবিক বাস্তবভিত্তিক উন্নয়ন। তাই প্রবাসী, পর্যটন ও আধ্যাতিœক সিলেটকে অর্থনীতির প্রাণ করতে হলে অবিলম্বে বিশেষ করে ট্রেন যোগাযোগ সরাসরি সহ সমুদয় সুবিধা নিশ্চিতে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে।
সুজন সিলেটের সভাপতি, বিশিষ্ট সংগঠক ফারুক মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অভিভাবকহীন হয়ে পড়ায় রাষ্ট্রিয় ন্যায্য প্রাপ্তি থেকে সিলেট আজ বঞ্চিত। দেশে বিদেশে থেকে এই সুর এখন আমরা শুনতে পাচ্ছি। সিলেটের মানুষ বিষয়টিকে ভাগ্য হিসেবে মেনে নিল্ওে প্রবাসী প্রজন্ম দেশ বিমুখ হয়ে যাচ্ছে। এর পরিণাম দেশের জন্য শুভ নয় বলে জানান তিনি।
সিলেট রেল ষ্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কাজী শহিদুর রহমান বলেন, চাহিদার বিপরীতে ট্রেনের সংখ্যা, মান প্রত্যাশিত নয়। চাকুরিরত কারনে নয়, সিলেটের বাস্তভিত্তিক চিত্রে মনে করছি সরাসরি ট্রেন সার্ভিস সহ সিলেট-ঢাকা পথে উন্নত পরিবেশ ও আর্ন্তজাতিক মানের ট্রেন সার্র্ভিস জরুরী। রেল পথের ব্যাপক উন্নয়নে প্রবাসী সিলেটীদের সম্পৃক্ত করতে পারলে আশাতীত বিপ্লব ঘটতে পারে । সেকারনে সংসদে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সোচ্চার ভূমিকা দরকার।
সিলেট চেম্বার এন্ড কমার্স ইন্ডা: সভাপতি ্ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী খন্দকার শিপার আহমদ বলেন, চরম অবহেলিত ঢাকা-সিলেট যোগাযোগ বিশেষ করে ট্রেন ব্যবস্থা। সিলেট-চট্রগাম ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুকূল না হওয়ায়, শ্রীমঙ্গলে চা নিলাম মাসে দু‘ বারের পরিবর্তে এক বার হচ্ছে। যা চা শিল্প তথা-অর্থনীতির জন্য খারাপ সংবাদ। দেশে উন্নয়নের মেগা প্রজেক্ট হচ্ছে, সেরকম ভাবে ট্রেনের সাথে বিমানবন্দর গুলো সর্ম্পকিত করে নিলে, যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হতো। আমাদের প্রবাসী প্রজন্ম্ও দেশমুখী হতে আগ্রহী হতো, তাদের অভিভাবকদের যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে বুক চাপা আফসোস লাগব হয়ে যেত। তাই সংশ্লিষ্টদের এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহন জরুরী বলে জানান।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রেলওয়ে


আরও
আরও পড়ুন