Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ২১ মে ২০১৯, ০৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৫ রমজান ১৪৪০ হিজরী।

বাজেট হবে সহজবোধ্য : অর্থমন্ত্রী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৩০ এপ্রিল, ২০১৯, ৯:৫৩ পিএম
  • রফতানি ও রফতানি পণ্য বহুমুখীকরণে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে -সালমান এফ রহমান
  • করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো, করপোরেট কর কমানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের
  • স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরনে অভিযোগ নম্বর চালু ও উচ্চতর পরামর্শ কমিটি করা হবে

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আসন্ন বাজেট সহজ ও বোধগম্য হবে। এবারের বাজেট নতুনভাবে যেন সবাই বুঝে সেদিকে লক্ষ্য রেখে নতুনত্ব আনা হবে। তিনি বলেন, আমরা এবার বাজেটটিকে উপস্থাপন করব খুব সংক্ষিপ্ত আকারে এবং সহজবোধ্যরূপে, যাতে করে বাজেটটি সকলের বোধগম্য হয়। যাদের জন্য বাজেট সেই সর্বস্তরের মানুষ যাতে সহজে বাজেটটি বুঝতে পারে। বাজেট দেখলেই যেন তাদের কাছে দূর্বোধ্য কিছু, ভীতিকর কিছু মনে না হয়। একই সঙ্গে আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন বাস্তবায়নের বিষয়টি মাথায় রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে। সার্বিকভাবে বাজেট এক বছরের আয়-ব্যয়ের হিসেব হলেও মূলত এতে ৪১’ সালের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে নেয়া হয়েছে। কারণ ওই সময়ের মধ্যে জাতির জনকের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বর্তমান সরকারের।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সবসময় উদাহরণ সৃষ্টিকারী দেশ। স্বাধীনতার পর পর আমরা বিশ্বের দরবারে বিধ্বস্ত, ভুখা-নাঙা, হতদরিদ্র ও অনুন্নয়নের উদাহরণ ছিলাম। একসময় বিশ্বের খ্যাতনাম অর্থনীতিবিদরাও বলেছেন, যদি বাংলাদেশে উন্নয়ন হয় তাহলে পৃথিবীর সর্বত্রই উন্নয়ন সম্ভব। এমন তাচ্ছিল্যভরেই বাংলাদেশকে তখন দেখা হতো। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ এখন আবার উদাহরণ হয়েছে, তবে এখন বলা হয়ে থাকে যদি অবিশ্বাস্য রকম উন্নয়ন দেখতে চাও তবে বালাদেশে যাও। বিশ্বব্যাপী চলমান অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশ গত ১০ বছরে সরকারের ধারাবাহিক সাফল্যে ৭ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি অর্জনে সমর্থ হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় দাড়িয়েছে ১৯০৯ মার্কিন ডলার। আমরা ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা করছি। জাতির জনকের সুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসার পর তার দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বে জাতির জনকের অসমাপ্ত কাজের দায়িত্ব নিয়েছেন। জাতির জনক যেমনটি বলেছিলেন “তোমরা আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবানা”, ঠিক তেমন করেই বাংলাদেশ তার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) শেরে বাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরামর্শক কমিটির ৪০তম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রতিবছরের মতো এবারও আসছে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেটকে সামনে রেখে যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে

বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ। এফবিসিসিআইয়ের পক্ষে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, এবার আমাদের রাজস্ব আহরণ টার্গেট দুই লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকা। এটা অর্জন করতে হবে। তবে কাউকে কষ্ট দিয়ে ট্যাক্স আহরণ করা হবেনা। সবার সঙ্গে উইন উইন অবস্থানে রাজস্ব আদায় করা হবে। সরকারের চাহিদা বেড়েছে। দেশের উন্নয়নে আমাদের রাজস্ব আহরণ বাড়াতে হবে। আমাদের প্রায় ৪ কোটি মানুষ মধ্যম আয়ের। কিন্তু তাদের ১০ শতাংশও কর দেয়না। কর দেওয়ার যোগ্যতা সম্পন্ন সবাই যদি কর দিলে পরিমান আরো অনেক বেশী হত, প্রায় দ্বিগুণেরও বেশী হয়ে যেত। দূর্ভাগ্য আমাদের যে যারাই কর প্রদান করেন, তারাই কর প্রদান করে যাচ্ছে। যারা কর প্রদান করেনা তারা অনেক বেশী আর্থিকভাবে শক্তিশালী হওয়া স্বত্ত্বেও কর না দিয়ে ক্রমাগতভাবে অব্যাহতি পেয়ে যাচ্ছে। আমি জাতিকে এ অপবাদ থেকে মুক্তি দিতে চাই। যারা এতদিন অনেক বেশী মাত্রায় আয়কর দিয়েছেন তাদের জন্য বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। উন্নত দেশের মত আগামীতে প্রয়োজন হলে ব্যবসায়ীদের ট্যাক্স ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। আর যারা দেননি তাদেরকে এবার কর প্রদান করতে হবে- তাদেরকে অবশ্যই করের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এবারের কর ব্যবস্থায় মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে কোন ভাবেই কোন খাতে কর না বাড়িয়ে করের ক্ষেত্র প্রসারিত করে রাজস্ব বাড়ানো। কর নেওয়া হবে কারো উপর করের বোঝা বাড়িয়ে নয় বরং করের আওতা বাড়িয়ে পরিমান বৃদ্ধি করা হবে, খেয়াল রাখা হবে কেউ যেন কষ্ট না পায়। বিষয়টি এরকম যেন রাজহাসের পালক তুলে নেওয়া হবে যতদূর সম্ভব তবে খেয়াল রাখা হবে যেন রাজহাস ব্যাথা না পায়।

আগামীর চাহিদা পূরণে শিক্ষা সংস্কারের উপর জোর দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই শিক্ষার উপর অধিক গুরুত্ব দিয়ে আসছেন, এবং এ খাতে বর্তমানে আমরা মানসম্মত অবস্থানে পৌছেছি। সব ছেলেমেয়েরা স্কুলে যায়, আধুনিক মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে বর্তমান এবং আগামীর চাহিদা পূরণ করতে গেলে আমাদের ক্লাসরুমগুলো সেভাবেই সাজাতে হবে। বর্তমান যুগ হলো আর্টিফিসিয়াল ইনটিলিজেন্স, ম্যাটরিয়াল সাইয়েন্স, বায়ো কেমিস্ট্রি, ব্লক চেইন টেকনোলজি, কোয়ান্টাম সাইয়েন্স, রবোটিক্স, ন্যানো টেকনোলজি ইত্যাদির যুগ। আমাদের ক্লাসরুমগুলোতে পর্যায়ক্রমে এসব বিষয় শিক্ষা প্রদান করতে হবে।

এফবিসিসিআই’র বিভিন্ন দাবীর প্রেক্ষিতে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, যে সমস্ত দাবী আপনারা করেছেন তার পরিমান অসংখ্য বরং নির্দিষ্ট কিছু দাবী হলে ভাল হতো। তবে এ নিশ্চয়তা দিচ্ছি দাবীর ক্ষেত্রে কোথাও আপনাদের উপর ন্যায় ছাড়া অন্যায় হবে না।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদেরই একজন, আমি এখানে এসেছি দায়বদ্ধতা থেকে। আগামী ৫ বছর কর কমবে ছাড়া বাড়বে না তবে করের আওয়তা বাড়বে। আমার দপ্তরে একটি অভিযোগ নম্বর থাকবে, যে কেউ যে কোন অভিযোগ যে কোন সময়ে করতে পারবে। আশাকরি প্রথম দিকে অভিযোগের ফোন আসতে পারে কিন্তু এক সময় আর ফোন আসার প্রয়োজন থাকবেনা। আপনাদেরকে অনুরোধ করি কোন প্রকার ঘুষ দিবেননা, এবং ঘুষ নিবেননা। পবিত্র কোরআনে ঘুষ দেওয়া নেওয়াকে হারাম করা হয়েছে। আশা করছি এখন থেকে আর দূনীতিতে কেউ সহায়তা করবেন না এবং কেউ দূর্নীতি করবেননা। পাশাপাশি আমাকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য এফবিসিসিআই সদস্য, সরকারের সদস্য, সাবেক এনবিআর কর্মকর্তাদের একটি পরামর্শ কমিটি থাকবে যারা আমাকে পরামর্শ দিবে কিভাবে স্বচ্ছতা নিশ্বিত করা যায়, কিভাবে সঠিক সেবাটি নিশ্চিত করা যায়। আমার সকলে দেশের জন্য কাজ করব, দেশকে তার অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছে নিয়ে যাবো। অর্থমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের আলোচনার জবাবে বলেন, পাটসহ বিভিন্ন উদীয়মান খাতে কোন প্রকার কর বৃদ্ধি করা হবেনা এই আশ্বাস দিচ্ছি।

ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, দু’টি বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। রফতানি ও রফতানির জন্য পণ্য বহুমুখীকরণ। আজকে পোশাক খাত এ পর্যায়ে আসার পেছনে বন্ড এবং ব্যাক টু ব্যাক এলসি সুবিধা কাজ দিয়েছে। তবে বন্ডের কিছু অপব্যহার হয়েছে। এরপরও তৈরি পোশাক খাত দাঁড়িয়ে গেছে। এ খাতে অনেক বেশি অর্জন হয়েছে। যে কারণে বন্ডের লিকেজ খুব বেশি সমস্যা হয়নি। তিনি বলেন, পোশাক খাতকে উদাহরণ হিসেবে দেখে এই বন্ড সুবিধা অন্যান্য পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে দেয়া যেতে পারে। আশা করছি এ ব্যাপারে সরকার একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিবে। তিনি বলেন, যারা বন্ডের অপব্যবহার করেছে তাদের ধরিয়ে দেয়ার দায়িত্ব ব্যবসায়ীদের ছিল। কিন্তু ব্যবসায়ীরা তা করছে না। এখানে ব্যবসায়ীদের নৈতিকতার অভাব রয়েছে।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে সালমান এফ রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দু’টি স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। এক ব্যবসা সহজীকরণ অপরটি হচ্ছে ওয়ানস্টপ সার্ভিস প্রদান। ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু হয়েছে। এখন অনলাইনে আবেদন করলে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির অনুমোদন মিলছে। তিনি বলেন, ডুয়িং বিজনেস পরিবেশ আরও উন্নত করা হবে। আশা করি ভবিষতে বাংলাদেশের এই স্কোর ১৭৬ থেকে নামিয়ে ১২৫ এ আনা হবে। কারণ বর্তমান সরকার ব্যবসা বান্ধব সরকার। আর কখনো এ ধরনের ব্যবসাবান্ধব সরকার আসবে না। এই সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী পর্যায়ে বসে আছেন বেসরকারি ব্যবসায়ী পর্যায়ের প্রতিনিধিরা। আমি নিজেও বেসরকারিখাতের একজন প্রতিনিধি। আমার জন্য সরকার নতুন পদ সৃষ্টি করে বসিয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অবস্থা ভাল হলে ২০৪১ সালে উন্নত দেশে যাবে। খুব শিগগিরই জি-২০ বৈঠকে বাংলাদেশ অংশ নিতে পারবে বলে আশা করছি। এনবিআর চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ভুইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে দু’ বছর এটি পিছিয়েন। আমরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেই তা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি। ভ্যাট আইন বাস্তবায়েনর ক্ষেত্রে শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আইনে যেখানে ১৫ শতাংশ ভ্যাট থাকবে সেখানে রিবেট সুবিধাও থাকবে। নতুন ভ্যাট আইনে অনেক ক্ষেত্রে ট্যারিফ ভ্যালু কমবে। তবে এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এদিকে আসন্ন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো ও করপোরেট কর কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে এফবিসিসিআই।

শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, গত চার বছর ধরে ব্যক্তি করমুক্ত আয়কর সীমা একই রাখা হয়েছে। অথচ এ সময়ে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়েছে। ফলে, এটি আড়াই লাখ টাকা রাখার কোনও যৌক্তিকতা নেই। তাই এটি বাড়িয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা করা হোক। তিনি সকল ক্ষেত্রে করপোরেট কর আড়াই শতাংশ কমানোর প্রস্তাব করেন।

এদিকে, পূঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে করপোরেট কর ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ২২ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর পূঁজিবাজারের তালিকা বহির্ভূত কোম্পানির ক্ষেত্রে ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ ও নন ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির ক্ষেত্রে সাড়ে ৩২ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। এছাড়াও, মার্চেন্ট ব্যাংকের করপোরেট কর সাড়ে ৩৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তবে, পূঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ও তালিকা-বহির্ভুত ব্যাংক বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করপোরেট কর অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে পূঁজিবাজারের তালিকাভূক্ত নয় এমন বিদেশী কোম্পানির প্রত্যাবসানযোগ্য মুনাফার উপর করপোরেট কর ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন ভ্যাট আইনের ক্ষেত্রে ১০টি প্রস্তাব দিয়েছে ব্যবসায়ীদের এই শীর্ষ সংগঠন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: অর্থমন্ত্রী


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ