Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০১৯, ০৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৫ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

৫ পোশাককে ‘জাতীয়’ স্বীকৃতির দাবি

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার : | প্রকাশের সময় : ৫ মে, ২০১৯, ১২:০৮ এএম

শাড়ি, ব্লাউজ, লুঙ্গী, গামছা ও পাঞ্জাবীকে বাঙালীর জাতীয় পোশাকের স্বীকৃতি দান এবং পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)’র এক কর্মচারী। বিল্লাল হোসেন মৃধা নামে এ ব্যক্তি ঢাবির মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারি। দাবির স্বপক্ষে চার সন্তানের জনক মৃধা পুরো ক্যাম্পাসে লিফলেট বিলি করেছেন, ব্যানার টাঙিয়েছেন। এছাড়া ডাকযোগে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে চিঠি পাঠিয়েছেন। গতকাল দুপুরে টিএসসির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বিল্লাল হোসেন মৃধা বলেন, আমরা কোমলমতি ছোট্ট শিশুদের বর্ণমালা শিক্ষাদানের সময় জাতীয় ফুল, ফল, মাছ, পশু-পাখি ও আরও অনেক কিছু শিখিয়ে থাকি। কিন্তু দুঃখের বিষয় সেখানে জাতীয় পোশাকের কথা উল্লেখ থাকে না। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪৮ বছর পার হলেও ঐতিহ্যগত বস্ত্রের কথা কারও মনে জাগ্রত হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সার্কভুক্ত দেশ নেপাল, ভ‚টানসহ মুসলিম-অমুসলিম রাষ্ট্রগুলো তাদের নির্দিষ্ট ঐতিহ্যগত পোশাক পরিধান করে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করে। আমরাও জাতীয় পোশাক পরিধান করে বিশ্ব ভ্রমণ করতে চাই।
বিল্লাল হোসেন মৃধা বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধে নর-নারী মুক্তিযোদ্ধারা লুঙ্গী-গামছা, শাড়ি-ব্লাউজ পরিধান করেই গেরিলাযুদ্ধ ও রণসংগীতে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি পাঁচটি পোশাককে জাতীয়করণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এসময় তিনি পাঁচটি পোশাককে জাতীয়করণ করতে বিভিন্ন যুক্তিও তুলে ধরেন। সেগুলোর মধ্যে-এসব পোশাক বাঙালির পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য, ছেলে-মেয়েরা বিদেশী সংস্কৃতি ও পোশাকের প্রতি অতিমাত্রায় ঝুঁকছে উল্লেখযোগ্য।
বিল্লাল হোসেন মৃধার বাড়ি চাঁদপুর জেলার দক্ষিণ মতলব থানায়। ১৯৮৮ সালে জিয়া হলের সূচনালগ্ন থেকে তিনি এ হলে কাজ করছেন। এ পাঁচটি পোষাককে জাতীয় পোষাক করার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে চিঠি পাঠালে সে চিঠির উত্তর পান নি বলে জানান তিনি। এছাড়া ঢাবির উপাচার্য. উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রারসহ গুরুত্বপূর্ণ দফতরে এমনকি কয়েকজন মন্ত্রীর দফতরেও তিনি চিঠি পাঠিয়েছেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন