Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ০৬ কার্তিক ১৪২৬, ২২ সফর ১৪৪১ হিজরী

পাকিস্তানের মেয়েদের কিনে নিচ্ছে চীন

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৭ মে, ২০১৯, ৭:২০ পিএম

মুকাদাস আশরাফ মাত্র ১৬ বছরের ছিল যখন তার বাবা-মা তাকে বিয়ে দিয়ে দেন এক চীনা যুবকের সঙ্গে। ওই চিনা যুবক পাকিস্তানে এসেছিল বিয়ে করার জন্যই। সন্তানসম্ভবা হয়ে পাঁচ মাসের মধ্যেই আশরাফ ফিরে আসে পাকিস্তানে। কারণ তাকে মারধর করত স্বামী। পাকিস্তানে আশরাফই প্রথম নয়। দেশের অসংখ্য দরিদ্র খ্রিস্টান মেয়েদের মধ্যে অন্যতম তিনি।

সমাজকর্মীরা জানাচ্ছেন, সম্প্রতি গোটা পাকিস্তান জুড়ে চীন থেকে স্ত্রী খোঁজার নাম করে এসে এমনই মেয়ে পাচার চলছে গত এক বছর ধরে। এর মাঝে ঢুকে পড়েছে কয়েকজন দালালও। তারা পাকিস্তানে চিনাদের জন্য মহিলা খোঁজে। এমনকী গীর্জার বাইরে দাঁড়িয়ে উপযুক্ত পাত্রীর জন্য জিজ্ঞাসাবাদও করে তারা। পাত্রীর পরিবারের সঙ্গে টাকার বিনিময়েও এই আদানপ্রদান চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

পরিবারকে বোঝানো হয়, তাদের জামাই অত্যন্ত ধনী পরিবারের ছেলে। সে কারণেই মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার বিনিময়ে শ্বশুরবাড়িতে কয়েক হাজার ডলার দিয়ে যান জামাই। তবে এর পরই চিনে নিয়ে গিয়ে সেই নতুন বউদের উপর শুরু হয় অত্যাচার। বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়ে এক গ্লাস পানি পর্যন্ত খেতে দেওয়া হয় না তাদের।

চীনে গিয়ে আশরাফ দেখতে পেয়েছিল একটি ছোট্ট ঘরের মধ্যে থাকে তার স্বামী। বড়দিনে গীর্জায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলায় বেধড়ক মারধর করা হয় তাকে। এমনকী তার ফোনও ভেঙে দেওয়া হয়। কেন সে গর্ভবতী হচ্ছে না তা নিয়েই ছিল স্বামীর সবচেয়ে বেশি রাগ। পরে পুলিশের ভয় দেখিয়ে কোনও মতে পাকিস্তানে ফিরতে পেরেছেন আশরাফ।

মানবাধিকার কমিশনের নজরে আসায় এ নিয়ে ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এপ্রিলের ২৬-এ পাকিস্তান সতর্কতাবাণী শুনিয়ে জানিয়েছে, চীনের বিরুদ্ধে মানব পাচারের এমন অসংখ্য প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। খুব শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্র: টিওআই।

পাকিস্তানের মেয়েদের কিনে নিচ্ছে চীন

​​

ইনকিলাব ডেস্ক

মুকাদাস আশরাফ মাত্র ১৬ বছরের ছিল যখন তার বাবা-মা তাকে বিয়ে দিয়ে দেন এক চীনা যুবকের সঙ্গে। ওই চিনা যুবক পাকিস্তানে এসেছিল বিয়ে করার জন্যই। সন্তানসম্ভবা হয়ে পাঁচ মাসের মধ্যেই আশরাফ ফিরে আসে পাকিস্তানে। কারণ তাকে মারধর করত স্বামী। পাকিস্তানে আশরাফই প্রথম নয়। দেশের অসংখ্য দরিদ্র খ্রিস্টান মেয়েদের মধ্যে অন্যতম তিনি।

সমাজকর্মীরা জানাচ্ছেন, সম্প্রতি গোটা পাকিস্তান জুড়ে চীন থেকে স্ত্রী খোঁজার নাম করে এসে এমনই মেয়ে পাচার চলছে গত এক বছর ধরে। এর মাঝে ঢুকে পড়েছে কয়েকজন দালালও। তারা পাকিস্তানে চিনাদের জন্য মহিলা খোঁজে। এমনকী গীর্জার বাইরে দাঁড়িয়ে উপযুক্ত পাত্রীর জন্য জিজ্ঞাসাবাদও করে তারা। পাত্রীর পরিবারের সঙ্গে টাকার বিনিময়েও এই আদানপ্রদান চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

পরিবারকে বোঝানো হয়, তাদের জামাই অত্যন্ত ধনী পরিবারের ছেলে। সে কারণেই মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার বিনিময়ে শ্বশুরবাড়িতে কয়েক হাজার ডলার দিয়ে যান জামাই। তবে এর পরই চিনে নিয়ে গিয়ে সেই নতুন বউদের উপর শুরু হয় অত্যাচার। বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়ে এক গ্লাস পানি পর্যন্ত খেতে দেওয়া হয় না তাদের।

চীনে গিয়ে আশরাফ দেখতে পেয়েছিল একটি ছোট্ট ঘরের মধ্যে থাকে তার স্বামী। বড়দিনে গীর্জায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলায় বেধড়ক মারধর করা হয় তাকে। এমনকী তার ফোনও ভেঙে দেওয়া হয়। কেন সে গর্ভবতী হচ্ছে না তা নিয়েই ছিল স্বামীর সবচেয়ে বেশি রাগ। পরে পুলিশের ভয় দেখিয়ে কোনও মতে পাকিস্তানে ফিরতে পেরেছেন আশরাফ।

মানবাধিকার কমিশনের নজরে আসায় এ নিয়ে ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এপ্রিলের ২৬-এ পাকিস্তান সতর্কতাবাণী শুনিয়ে জানিয়েছে, চীনের বিরুদ্ধে মানব পাচারের এমন অসংখ্য প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। খুব শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্র: টিওআই।


  1Attached Images
 Reply  Reply All 


 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চীন-পাকিস্তান


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ