Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।
শিরোনাম

আবার যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য উত্তেজনা

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১০ মে, ২০১৯, ১২:০৬ এএম

আবার যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বাণিজ্য আলোচনার চুক্তি ভঙ্গ করেছে চীন। বৃহস্পতিবার দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে সমঝোতামূলক আলোচনার আগে এমন মন্তব্য করেন তিনি। এতে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ কতটা প্রকট তার প্রকাশ পেয়েছে। ওদিকে বেইজিংও কড়া মন্তব্য করেছে। তারা বলেছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র চীনা পণ্যের ওপর শুল্কহার বাড়ায় তাহলে তারা প্রতিশোধ হিসেবে প্রয়োজনীয় পাল্টা ব্যবস্থা নেবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনের ২০০০০ কোটি ডলার মূল্যের ওপর শুল্কহার দ্বিগুণের বেশি করার প্রত্যয় ঘোষণা করেন। এরপরই চীন ওই মন্তব্য করল। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। বৃহস্পতিবার দু’পক্ষের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনার আগে ট্রাম্প চীনকে অভিযুক্ত করেছেন। বলেছেন, বাণিজ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যে দরকষাকষি করছিল সে বিষয়ক চুক্তি ভঙ্গ করেছেন চীনা নেতারা। ফ্লোরিডায় এক র‌্যালিতে তিনি সমর্থকদের বলেন, তারা (চীন) চুক্তি ভঙ্গ করেছে। তারা এটা করতে পারে না। তাদেরকে মূল্য পরিশোধ করতেই হবে। স¤প্রতি দৃশ্যত দু’পক্ষ বাণিজ্য যুদ্ধ শেষ করে এনেছিল বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু রোববার অকস্মাৎ ট্রাম্প টুইটারে বলেন, এ সপ্তাহ থেকে চীনা ২০০০০ কোটি ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর শুল্কহার বৃদ্ধি করবে যুক্তরাষ্ট্র। এক্ষেত্রে নতুন শুল্কহার চালু করা হতে পারে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লাইহাইজার চীনকে অভিযুক্ত করেন। বলেন, তারা তাদের প্রতিশ্রæতি থেকে পশ্চাতে সরে যাচ্ছে। তবু বেইজিংয়ের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। শুক্রবারেই কয়েকটি চীনা পণ্যে আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে বলে হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। আর শুল্ক আরোপ করা হয়নি এমন ৩২ হাজার ৫শ’ডলার মূল্যের পণ্যে খুব শিগগিরই ২৫ শতাংশ শুল্কারোপ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। অতিস¤প্রতি মনে হচ্ছিল, দুই পক্ষ একটি সমঝোতার খুব কাছাকাছি চলে এসেছে এবং তা বাণিজ্য যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটাতে পারে। কিন্তু রোববার এক টুইটে ট্রাম্প শুক্রবার ২০০ বিলিয়ন ডলারের চীনা পণ্যে শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণা এবং নতুন শুল্ক আরোপের কথা বলার পর পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে যায়। তার এ ঘোষণায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শেয়ার বাজারের সূচকে বড় ধরনের ধস নামে। ইউরোপীয় শেয়ার বাজারেও এর ধাক্কা লাগে। প্যারিস এবং জার্মানির ফ্র্যাঙ্কফুর্ট শেয়ার সূচকও প্রায় ২ শতাংশ নেমে যায়। ক্ষতির মুখে পড়ে গাড়ি নির্মাতারাসহ গাড়ির যন্ত্রাংশ এবং স্টিল উৎপাদনকারীরা। চীনে হংকং হ্যাং সেন সূচক প্রায় ২ দশমিক ৯ শতাংশ এবং সাংহাই কমপোজিট ৫ দশমিক ৬ শতাংশ নেমে যায়। বিবিসি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ