Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০২ কার্তিক ১৪২৬, ১৮ সফর ১৪৪১ হিজরী

পানিবদ্ধতা নিরসনে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার

চসিক-সিডিএ বৈঠক

চট্টগ্রাম ব্যুরো : | প্রকাশের সময় : ১০ মে, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

নগরীর পানিবদ্ধতা নিরসনে একযোগে কাজ অঙ্গীকার ব্যক্ত করলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ও সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ। গতকাল বৃহস্পতিবার সিডিএ কনফারেন্স হলে নগরীর পানিবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পসহ অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প বিষয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। বৈঠকে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ও সিডিএ’র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পানিবদ্ধতা নিরসনে দ্বৈততা পরিহার ও সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে যৌক্তিক প্রস্তাবনা প্রস্তুত করার জন্য চসিক প্রধান প্রকৌশলী ও সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলীকে দায়িত্ব দেয়া হয়। সভায় চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন নগরীর পানিবদ্ধতা নিরসনে চসিক কাউন্সিলরদের সম্পৃক্ততা করায় সিডিএ চেয়ারম্যানসহ প্রকল্প পরিচালককে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সামনে বর্যার মৌসুম। জনদুর্ভোগ ও পানিবদ্ধতার প্রকোপ যত কমিয়ে আনা যায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে চট্টগ্রামের সকল জনপ্রতিনিধি সাথে পানিবদ্ধতা নিরসনে মতামত নেয়ার উদ্যোগ ইতিবাচক।
পানিবদ্ধতা নিরসনে সরকার ২০১৭ সালে চারটি প্রকল্পে ১০ হাজার ৪৯২ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এর মধ্যে সিডিএ বাস্তবায়ন করছে ৭ হাজার ৬১৬ কোটি টাকার দুটি প্রকল্প। আর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ১ হাজার ৬২০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে। এছাড়া চসিক ১ হাজার ২৫৬ কোটি বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী খাল খননের দায়িত্ব পেয়েছে।
সভায় সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ বলেন, পানিবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পটি সিডিএ’র আওতাধীন আসা ঠিক হয়নি। এ ব্যাপারে সিডিএ’র কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে। অপরদিকে সিটি কর্পোরেশনের পানিবদ্ধতা নিরসনে পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। রয়েছে যন্ত্রপাতি ও পর্যাপ্ত জনবল। তাই চসিককে দিয়েই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা গেলে অনেক সুফল বয়ে আসত বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ সময় সিডিএর বোর্ড সদস্য কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, গিয়াস উদ্দিন আহমদ, তারেক সোলায়মান সেলিম, জসিম উদ্দিন শাহ, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, সিডিএর সচিব তাহেরা ফেরদৌস বেগম, প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস, চিফ টাউন প্লানার শাহিনুল ইসলাম খান, এলিভেট এক্সপ্রেসের প্রকল্প পরিচালক মাহফুজুর রহমান এবং প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মজুমদার বক্তব্য রাখেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ