Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৬, ১৬ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

আঘাত করলে প্রতিটি রক্তবিন্দুর খেসারত দিতে হবে : এরদোগান

ইনকিলাব ডেস্ক : | প্রকাশের সময় : ১৮ মে, ২০১৯, ১২:১১ এএম

কেউ তুরস্কে আঘাত করলে প্রতিটি রক্তবিন্দুর খেসারত দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েপ এরদোগান। তিনি বলেন, খুনিরা যদি তুরস্ক জাতির ঐক্য, একাত্মতা ও জীবনযাত্রার ওপর আঘাত হানার চেষ্টা করে, তবে প্রতিটি রক্তবিন্দুর জন্য তাদের খেসারত দিতে হবে। বৃহস্পতিবার ইস্তাম্বুলে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের সঙ্গে ইফতারের সময় তিনি আরও বলেন, মাত্র আড়াই বছরে আমরা ৪২০ জনের মতো উচ্চস্তরের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছি। যাদের মধ্যে ১৬ জন ছিল রেড তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তুরস্ক কর্তৃপক্ষ তাদের বিবৃতিতে প্রতিরোধ গড়ে তোলা বলতে বুঝিয়েছেন সন্ত্রাসীর আত্মসমর্পণ অথবা তাকে মেরে ফেলা অথবা গ্রেপ্তার করা। ‘আমরা আমাদের সীমান্তে সন্ত্রাসীদের নির্মূলের মাধ্যমে তাদের সংখ্যা কমিয়ে ৭০০-তে নামিয়েছি, যা পূর্বে ছিল প্রায় দুই হাজারের মতো। এ ছাড়া সন্ত্রাসীদের দলে নতুন করে যোগদানের সংখ্যা সন্তোষজনকভাবে কমে এসেছে’ বলেন এরদোগান। খবরে বলা হয়, তুরস্ক গত আড়াই বছরে চার শতাধিকেরও বেশি উচ্চস্তরের সন্ত্রাসীকে নির্মূল অথবা তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে বলে জানিয়েছেন এরদোগান। তুরস্ক কর্তৃপক্ষ তাদের বিবৃতিতে প্রতিরোধ গড়ে তোলা বলতে বুঝিয়েছেন সন্ত্রাসীর আত্মসমর্পণ অথবা তাকে মেরে ফেলা অথবা গ্রেফতার করা। খবর আনাদোলু ও টিআরটির। অপর দিকে সিএনএন’র খবরে বলা হয়, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ হবে না বলে আশা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার মধ্যে বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। খবর সিএনএন ও আনাদোলুর। এদিকে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বুঝতে হবে যে, তিনি একতরফাভাবে কোনো যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন না। যুদ্ধ ঘোষণার একমাত্র এখতিয়ার রয়েছে কংগ্রেসের। তিনি বলেন, গত বছরই মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হওয়া এক বিলের মাধ্যমে ট্রাম্পের একক সিদ্ধান্তে যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা বাতিল করা হয়। বিলটির কারণেই কোনো যুদ্ধ ঘোষণার জন্য অবশ্যই কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। ইরান পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বের হয়ে যাওয়ার দুই সপ্তাহ পর ‹জাতীয় প্রতিরক্ষা অনুমোদন আইন-২০১৯›-এর অংশ হিসেবে বিলটি পাস হয়। তেহরান ও ওয়াশিংটনের চলমান উত্তেজনার মধ্যে সে কথা ফের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ও ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ন্যান্সি পেলোসি। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে ফিরিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষে সিরিয়া থেকেও মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু ইরান ক্রমেই ‹যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য হুমকি› হয়ে উঠছে দাবি করে ‹যুদ্ধবাজ›খ্যাত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্যাট্রিক শানাহান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক এফবিআইপ্রধান মাইক পম্পেওসহ পেন্টাগন কর্মকর্তারা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে তাকে অবিরাম কানপড়া দিয়ে যাচ্ছেন। কুশীলবদের মধ্যে আরও রয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, সউদী বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ও ছেলে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। বাহরাইন ও আরব আমিরাতও নিজেদের শিয়া সংখ্যালঘুদের ব্যাপারে ইরানের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট। আনাদোলু, সিএনএন, টিআরটি।



 

Show all comments
  • Rafsun Jani ১৮ মে, ২০১৯, ১:৩৪ এএম says : 0
    যারা বলে এরদোগান মুখে বলে কাজে করে না!! তাদের জন্য যেখানে সৌদ,আমিরাতী দেশগুলো আমেরিকার পা চাটে সেখানে তিনি সব নিপীড়ীত মুসলিম পাশে দাড়িয়ে কথা বলেন।। এমনকি এই কথা বলার কারনে আমেরিকা,সৌদরা ও পশ্চিমপন্থী তুর্কি রাজনীতিকরা টাকা দিয়ে তাকে ১৬ সালে তাকে হত্যার চেষ্টা করে!!! যেখানে পশ্চিমা বিশ্ব এমনকি আরব চামচাগুলো তার ঘোর বিরোধ শুধুমাত্র মুসলিমদের নৈতিক পক্ষে কথা বলা এবং পশ্চিমাদের কাছে মাথা না নোয়ানোর জন্য!!! সেখানে তিনি একলা কিভাবে সারাবিশ্বের সাথে যুদ্ধ করবে?? যেই আবালগুলা বলে ইজরাইলের উপর হামলা করেনা কেন তারা কি ইজরাইলরে বিএনপি মনে করে??চাইলেই ধোলাই দেওয়া যায়?? ইজরাইলের পক্ষে পশ্চিমাসহ সৌদিদের পূর্ন সমর্থন আছে।এগুলা নির্বোধরা জানে না।।। আরে এরদোগান অন্তত সারাবিশ্বের মুসলিমদের পক্ষে কথা বলে । কিন্তু এই মুসলিমদের পক্ষে কথা বলার সাহস এখন কার আছে বিশ্বে??যুদ্ধোতো দূরে থাক।।।।। এরদোগান যে তুরষ্কে বসে কথা বলছেন সে তুরষ্কে ধর্মপ্রান মুসলিমরা ৮০ বছর উইঘুরদের মতো ছিলো।কিন্তু তিনি ক্ষমতায় এসে সব বাতিল করেছেন।দিয়েছেন তুরষ্কের মুসলিমদের পূর্ন স্বাধীনতা। যে আবালরা গালাগাল করেন তারা কি জেনে বুঝে গালাগাল করেন?? নাকি সবাই নির্বোধ।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Mhamud ১৮ মে, ২০১৯, ১:৩৩ এএম says : 0
    এরদোগান এক জন শ্রেষ্ঠ চাপাবাজ....সারা বিশ্বব্যপি মুসলমান নিধন করা হচ্ছে, আর সে চাপার উপর চাপা মেরেই যাচ্ছে?
    Total Reply(0) Reply
  • Imtiaz Arman ১৮ মে, ২০১৯, ১:৩৪ এএম says : 0
    মুসলিম বিশ্ব এক না হলে পারবেন না এরদোগান। এখন সৌদি তো আমেরিকার গোলামী করে। মুসলিম দের এক করুন। ইরানের পাশে দাড়ান।এক সাথে সবাই আল্লাহ এর রুজ্জুকে আকড়ে না ধরলে আমেরিকা ইসরাইল, চীন,ভারত,আমেরিকা তো সুযোগ পাবেই
    Total Reply(0) Reply
  • Siam Khan ১৮ মে, ২০১৯, ১:৩৫ এএম says : 0
    এইতো সেদিন আপনাদের দেশে ইসরাঈল হামলা করলো।তখন পাল্টা আক্রমণ তো দূরের কথা আপনাকেই খুঁজে পাওয়া যায় নাই।আপনার ওপর থেকে আশা ভরসা সব উঠে গেছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Abu Bakar Siddique ১৮ মে, ২০১৯, ১:৩৫ এএম says : 0
    মহান নেতা এরদোয়ান মুসলিম জাতির জন্য যা করছেন তার জন্য তার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। তাকে খলিফা হিসাবে নিয়োগ দেয়া উচিত। তিনি গাজায় খাদ্য, পানি সহ সব সাহায্য দিয়েছেন। তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অনেক কিছু দিয়েছেন। তিনি ও আই সির যোগ্য মহা সচিব। আশাকরি তিনি মুসলিম জাতির একতার জন্য চেষ্টা করেই যাবেন। ইনশাআল্লাহ।
    Total Reply(0) Reply
  • Abu Bakar Siddique ১৮ মে, ২০১৯, ১:৩৬ এএম says : 0
    এর কথার কোনো মূল্য নেই আগে শুনলাম বিশ্বের মুসলমান যেখানে নির্যাতিত সেখানেই এরদোয়ান, এখন কুনুই ব্যাংঘের মতে নিজের দেশ নিয়া ভাবতে ভাবতে হচ্ছে পায়ের নিচে মাটি নেই।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Kowaj Ali khan ১৮ মে, ২০১৯, ৯:৪৩ এএম says : 0
    Lesten Mr Eardugan ,if I have power like you same time first I will Atack Burma to arest all the Burmis killer. INSALLAH. and bring them for proper jujment for punishment. Arkan must free from killer Burmis regime. INSALLAH.
    Total Reply(0) Reply
  • raihan ২০ মে, ২০১৯, ৫:৪০ পিএম says : 0
    সব মুসলিম দেশ কে এক হতে হবে না হলে সব জাইয়গায় মাইর খাইতে হবে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: এরদোগান


আরও
আরও পড়ুন