Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬, ২৩ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

বিয়ের ফাঁদ, অতঃপর...

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২১ মে, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

পাকিস্তানি দুই যুবতীকে বিয়ে করেছিলেন চীনা দুই নাগরিক। দাবি করেছিলেন তারা মুসলিম হয়েছেন। নানা প্রলোভনে ওই দুই যুবতীকে বিয়ে করার পর তারা বুঝতে পারেন যে, তাদের স্বামীরা লাহোরে দেহব্যবসা পেতেছে। এটা জানতে পেরেই তারা স্বামীদের কাছ থেকে পালিয়েছেন। পাকিস্তানি ওই দুই যুবতীর বাড়ি কোট মোমিনে। তারা দাবি করেছেন, তাদেরকে বিয়ে করে ওই দুই চীনা নাগরিক চীনে পাচার করার চেষ্টাও করছিলেন। চীনা ওই দুই নাগরিক যে লাহোরে শুধু দেহব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন এমনই নয়। পাশাপাশি এতে পাকিস্তানি মেয়েদের টেনে নেয়ার জন্য সাজাচ্ছেন বিয়ের নাটক।
পালিয়ে আসা ওই দুই যুবতীর নাম সামিনা ও তাসায়ুর বিবি। তারা সাংবাদিকদের বলেছেন, গরীব পরিবারে তাদের জন্ম। তাদেরকে পরিবারের সদস্যরা চীনা পুরুষদের কাছে বিয়ে দেন। ওই চীনারা তাদের বাবা-মাকে নিশ্চয়তা দেয় যে, তাদের মেয়েকে লাহোর নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনা করবেন তারা।
কিন্তু সামিনা ও তাসায়ুর বিবি বলেন, তারা এক পর্যায়ে টের পান যে ওই চীনা নাগরিকরা মুসলিমও নন। সৎও নন। তারা আরো বুঝতে পারেন ওই চীনারা লাহোরে পতিতাবৃত্তি করে অর্থ উপার্জনে ব্যবহার করছে নারীদের। এ জন্য তারা লাহোরে ডিএইচএ ফেস-১ নামে একটি বিয়ের ব্যুরো স্থাপন করেছে। এর আড়ালে এমন শয়তানি ফাঁদ পেতেছে তারা।
সামিনা ও তাসায়ুর কথা, তারা উভয়েই বিষয়টি বুঝতে পেরে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেই দ্রুততার সঙ্গে পালিয়ে যান। পাশাপাশি তারা ওই বিয়ে বাতিল করে দেয়ার জন্য আইনজীবীদের সঙ্গেও সাক্ষাত করেছেন। পাঞ্জাবের পুলিশ ইন্সপেক্টরকে অনুরোধ জানিয়েছেন অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে। সূত্র : ডন অনলাইন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: পাকিস্তান


আরও
আরও পড়ুন