Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০৩ কার্তিক ১৪২৬, ১৯ সফর ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

ঐশ্বরিয়া ও সালমান প্রসঙ্গে ক্ষমা চাইলেন বিবেক ওবেরয়

বিনোদন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২১ মে, ২০১৯, ৭:০৭ পিএম

তখন সবেমাত্র সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে ঐশ্বরিয়ার। দীর্ঘ মান, অভিমান, মন কাষকষির পর সালমানের সঙ্গে ব্রেক আপার কথা জনসমক্ষে বলতে শুরু করেন অ্যাশ। এরপরই ঐশ্বর্যর সঙ্গে ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে তৎকালীন বলিউডের ‘পিন আপ বয়য়’ বিবেক ওবেরয়ের। শোনা যায় তাদের সম্পর্ক ঘিরে কানাঘুষোও। সে সম্পর্কও বহু জটিলতার পর বিচ্ছেদের রাস্তায় চলে যায় এবং বিচ্ছেদ হয়। এরপর অ্যাশের জীবনে স্থায়ী ভাবে নোঙর করেন অভিষেক বচ্চন। ২০০৭ সালে অভিষেকের গলায় মালা পরিয়ে সাত পাঁকে ঘোরেন এই সুন্দরী।
সম্প্রতি এই সুন্দরীর অতীত জীবন নিয়ে আবারো ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই ঝড়ের সূত্রপাত হয়েছে ঐশ্বরিয়ার সাবেক প্রেমিক বিবেক ওবেরয়ের কাছ থেকে। ঐশ্বরিয়া রায় ও সালমান খানের প্রেমের ঘটনাকে সামনে এনে এক্সিট পোল নিয়ে মজার পাত্র বানান বিবেক ওবেরয়। কার্যত বিবেক তার প্রাক্তন বান্ধবী ঐর্শ্বয্য রায় ও সালমান খানের প্রেমের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে এক্সিট পোলের রেজাল্ট বলেছেন। যা সোশ্যাল মিডিয়াতে রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। বিবেক ছবি দিয়ে জানিয়েছেন যখন প্রেমের সম্পর্ক ছিল সালমান ও ঐশ্বরিয়ার সেটাকে ওপিনিয়ন পোল ও তার সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার রায়ের সম্পর্ককে বলছেন এক্সিট পোল। আর রেজাল্টের তালিকায় রেখেছেন ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন এবং অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে বিয়ে হওয়া নিয়ে।

এদিকে বিবেক এই ঘটনাটি মজার ছলে করলেও সঙ্গে সঙ্গেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল বিতর্কের জন্ম হয়। নেটিজেনদের আক্রমণে বিদ্ধ হয়েছেন এ অভিনেতা। কেউ বলেছেন এই ধরণের স্টুপিড জোক বন্ধ করুন। কেউ বা আবার বলেছেন এটি খুবই খারাপ একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিবেক। এ বিষয়ে কখনোই মজা করা উচিত নয়।

বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে ক্ষমা চাইতেও বাধ্য হয়েছেন বিবেক। এক সাক্ষাৎকারে বিবেক জানিয়েছেন, ‘আমি ক্ষমা চাইতেই পারি, কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু আপনারাই বলুন কী ভুল করেছি আমি। যদি কিছু ভুল করেই থাকি তাহলে আমি নিশ্চয়ই ক্ষমা চেয়ে নেব। কিন্তু আমার মনে হয়েছে কিছুই ভুল করিনি আমি। মানুষ এই ছোট বিষয়কে আরও বড় করে দেখাচ্ছেন কারণ ছাড়াই। যাদের নিয়ে মিম বানিয়েছি তাদের কোনও সমস্যা নেই কিন্তু বাকি সবার কেনো এতো সমস্যা আমার জানা নেই।’

বিবেক আরও জানান, ‘এখন মানুষের পরিস্থিতি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো হয়ে গিয়েছে। তিনি একজন বিজেপির সমর্থক প্রিয়াঙ্কা শর্মার মিম বানানো নিয়ে গারদে পাঠিয়ে দেন।’

বিবেকের ক্ষমা চাইবার আগেই বিষয়টি নিয়ে জাতীয় মহিলা সুরক্ষা কমিশনের তরফ থেকে অভিনেতার নামে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আইনি নোটিশ পাওয়ার পরপরই গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার আগেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়ার একাউন্ট থেকে ক্ষমা চেয়ে নিজের টুইট মুছে দিয়েছেন এই অভিনেতা।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বলিউড


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ