Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯, ০৫ কার্তিক ১৪২৬, ২১ সফর ১৪৪১ হিজরী

চন্দনাইশে এখনো জমে ওঠেনি ঈদ মার্কেট

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) থেকে এম. এ. মোহসিন | প্রকাশের সময় : ২২ মে, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

পবিত্র রমজানের প্রায় অর্ধেক রোজা চলে গেলেও এখনো জমে উঠেনি ঈদের কেনাকাটা। গ্রীষ্মের তীব্র তাপদাহে মার্কেটে ক্রেতার আনাগোনা একেবারেই নগন্য। চন্দনাইশ উপজেলার পরিচিত মার্কেটগুলো হচ্ছে যথাক্রমে দোহাজারী মার্কেট, হাশিমপুর খাঁনহাট মার্কেট, বৈলতলী ইউনুছ মার্কেট, বরকল মৌলভী বাজার মার্কেট, বরমা ধামিরহাট মার্কেট, চন্দনাইশ সদর মার্কেট।
এদিকে খাঁনহাট গণি সুপাার মার্কেটের শাহ মজিদিয়া ক্লথ স্টোরের মালিক আবু নোমান জানান, এখনও অন্যান্য বছরের ন্যায় ঈদের কেনাকটা জমে উঠেনি। অন্যান্য বছরের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা একেবাই কম। মাস্টার হুমায়ন কবির ও মাস্টার এহসান জানান, শিক্ষক ও চাকরিজীবী অনেকে এখনো বেতন উত্তোলন করেননি। তারা বেতন তুলে পরিবার পরিজনের জন্য ঈদের কেনাকাটায় মার্কেটে নামবে।
মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা ইদ্রিছ মুন্সী জানান, প্রবাসীদের পাঠানো টাকায় রমজানের শুরু থেকে ঈদের কেনাকাটা আরম্ভ হয়। আর চাকরিজীবীরা মাসের বেতন পেলেই ঈদের কেনাকাটা করে এবং শ্রমজীবী ও দিনমজুর রমজানের শেষ সপ্তাহে অর্থাৎ ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকে কেনাকাটা করে।
চলতি রমজানে প্রচন্ড খরাতাপে দিনের বেলায় উপজেলার মার্কেটগুলোতে তেমন ক্রেতা দেখা যায় না। আবার বিকালে রোজাদারদের ক্লান্তিতেও মার্কেটে ক্রেতাদের আনাগোনা কম। সন্ধ্যায় ও ইফতার এবং তারাবির পর কিছু কিছু মার্কেটে ক্রেতার আনাগোনা দেখা যায়। প্রচন্ড খরতাপে মার্কেটে ক্রেতার সংখ্যা কম বলে কিছু কিছু ব্যবসায়ীরা জানান, রাতের বেলায় কাপড়ের দোকানগুলোতে কিছু কিছু কেনাকাটা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবসায়ীদের মনে হতাশা বিরাজ করেছে অন্যান্য বছরের ন্যায় এ বছর কেনাকাটা হবে কিনা তা নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন