Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০১৯, ৪ আষাঢ় ১৪২৬, ১৪ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

গাইবান্ধার মাছের ঘাটতি পূরণে ভরাট জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে পুন: খনন

গাইবান্ধা থেকে স্টাফ রির্পোটার | প্রকাশের সময় : ২২ মে, ২০১৯, ১০:০০ এএম

মাছের ঘাটতি পুরুনে ভরাট জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য চাষ উন্নয়নে ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে গাইবান্ধার ৭টি উপজেলাসহ উপ করতোয়া মরানদীর পুন: খননের কাজ এগিয়ে চলেছে। এ প্রকল্পের আওতায় ওমানীগঞ্জ ইউনিয়নের গুদারাঘাট ব্রিজ এলাকা থেকে শুরু করে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাট ইউনিয়নের সীমানা পর্যন্ত পুন: খনন করা হচ্ছে। ফলে ওই এলাকার করতোয়া ভরাট হয়ে যাওয়া সাড়ে ৪ কিলো মিটার অংশ পলি মুক্ত হবে। সারা বছর সেখানে পানি থাকবে। ওই এলাকায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আমিষ চাহিদা পুরুণ হবে এবং বিল, পুকুর ও বরোপিট পুন: খননের মাধ্যমে গাইবান্ধায় মাছের ঘাটতি পুরুন করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত উপ-করতোয়ার অংশটি দর্ঘ সংস্কার না করায় পলি দ্বারা ভরাট হয়ে গিয়েছিলো। ফলে বর্ষা মৌসুমে নদীটির পানি উপচে আশেপাশের ফসলহানি হতো,ভরাট হয়ে যাওয়ায় নদীতে বছরের অধিকাংশ সময় পানি শুকিয়ে মৎস্য শৃন্য হয়ে পড়ে। দেশি মাছের প্রচুরযোতা কমে আসে আর বেকার হয়ে পড়ে নদীর দু’ পারের মৎস জীবিরাও। তবে চলতি বছর নদীটির পলি অপসরনে পূণ:খননের উদ্যোগ নেয় সরকার। বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য অধিদপ্তর মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ওমানীগঞ্জ ইউনিয়নের গুদারাঘাট ব্রীজ এলাকা থেকে শুরু করে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাট ইউনিয়নের সীমানা পর্যন্ত সাড়ে ৪ কিলোমিটার অংশ পুন: খনন করা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান - এক সময় এই নদীতে খর¯্রােত ছিলো জেলেরা এই নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো। কৃষকরা পানি সেচের মাধ্যমে কৃষি কাজে ব্যবহার করতো। তাই নদীটি পূণ: খননে খুশি মৎস্য জীবি,কৃষক সহ স্থানীরা।

গাইবান্ধা জেলা মৎস্য কর্মকতা আবু দাইয়ান জানান, রংপুর বিভাগ মৎস্য উন্নয়ন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় মৎস্য চাষের উন্নয়নে করতোয়া মরানদী এবং জলাশয় সংস্কার কর্মসূচির আওতায় ৯টি বিল, ১১ টি পুকুর ও ১টি বরোপিট পুন:খননের ফলে এলাকার মানুষ নানা ভাবে উপকৃত হবে। মৎস্য জীবিদের আর্থ সামাজিক অবস্থার যেমন উন্নতি ঘটবে। স্থানীয় কৃষক পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন বাড়বে এবং জীব বৈচিত্র রক্ষায় ভুমিকা রাখবে। এছাড়া মৎস্য বিভাগের অধিনে সরকারের এস ডি জি বাস্তবায়নে ১শ ৬৯ টি টেকসই উন্নয়নের কয়েক টি সুচক পুরুন হবে।

প্রদীপ কুমার সরকার, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা - উপ-করোতায়া নদীটি পূন:খনন কার্জ সর্ম্পন্ন হলে নদীটি প্রচুরর্য্যতা আবার ফিরে পাবে। এতেকরে উম্মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বারবে সেই সাথে দেশিয় মাছ সহ নানা প্রজাতির মাছ বৃদ্ধি পাবে। নদীতে সরা বছর পানি থাকায় মৎস্য জীবিদের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন