Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০২ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ সফর ১৪৪১ হিজরী

রেজাল্টের আগে পুরীর বিচে অন্য মুডে মিমি

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৩ মে, ২০১৯, ১:২৪ পিএম

রূপালি পর্দা থেকে তাঁর রাজনৈতিক মহলে প্রবেশ৷ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হন তিনি৷ একসময়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র যাদবপুর থেকে লড়াই করেন টলি পাড়ার অতি পরিচিত মুখ মিমি চক্রবর্তী৷ তিনি এই গুরু দায়িত্ব নিয়ে নেমে পড়েন রাজনৈতিক ময়দানে৷

সুপ্রিমোর নির্দেশ মেনে শুরু করেন লোকসভার প্রচার৷ ২৩ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দু’দিন আগে তিনি চলে গেলেন পুরী৷ জগন্নাথ মন্দিরে পুজো দিয়ে জয় কামনা করেছেন বলেই মনে করছেন একাংশ৷ ফলাফলের দিন সকালের ট্রেন্ডেই অনেকটা এগিয়ে গিয়েছেন মিমি। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ছিলেন সিপিএমের বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য ও বিজেপির অনুপম হাজরা।

দু’দিন আগে থেকে ইনস্টাগ্রাম পেজে একের পর এক ছবি আপলোড করছেন মিমি৷ একের পর এক ভিন্ন মুডে ফোটো আপলোড করেছেন তিনি৷ কখনও বা কফির কাপ হাতে, কখনও আবার মুক্ত আকাশের নীচে নিজেকে মেলে ধরেছেন তিনি৷

কেউ বলছেন, পুজো দিতেই পুরী চলে গিয়েছেন তিনি। আবার কেউ বলছেন, নিজেকে রিলাক্স মুডে রাখতে বা ছুটি কাটাতে গিয়েছেন নায়িকা। আবার কেউ কেউ বলছেন সিনেমা করা আর ভোট প্রচার এক নয়৷ সেই চাপ না নিতে পেরেই তিনি চলে গিয়েছেন পুরী৷

একেবারে চুপিসাড়ে গণনার দু’দিন আগে তাঁর এই পুরী চলে যাওয়ার বিষয়ে মিমি নিজে কিছু বলেননি৷ যদিও বা দলের অনুমতি নিয়েই ২ মে পুরী যাওয়ার কথা ছিল মিমির৷ বাবা-মা’র সঙ্গে তিনদিন জগন্নাথধামে কাটানোর ইচ্ছে ছিল তাঁর৷ ঠিক হয়েছিল, পুরীতে জগন্নাথ দেবের মন্দিরে গিয়ে পুজো দেবেন। সেই মতো কলকাতা-ভুবনেশ্বরের বিমানের টিকিট কেটে ফেলেছিলেন তিনি। ৪ মে, ফেরার টিকিটও কেটে নিয়েছিলেন। কিন্তু ফণীর কারণে তখন তিনি যেতে পারেননি৷



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ভারতের নির্বাচন


আরও
আরও পড়ুন