Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৬, ১৬ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

রোজাদারের সম্মানে পানাহার বর্জন করেন অমুসলিমরাও

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৩ মে, ২০১৯, ১০:০১ পিএম

বেশিরভাগ অমুসলিম প্রবাসী জানেন যে, মুসলমানদের দিনে খাওয়া ও পান করার অনুমতি নেই। নির্ধারিত কিছু এলাকায় খাবার খাওয়ার অনুমতি পান অমুসলিমরা। তবে মুসলিম রোজাদারদের সম্মানে তারা প্রকাশ্যে পানাহার থেকে বিরত থাকেন।
কাতারের কথাই ধরা যাক। দিনের বেলা খাবারের দোকানগুলো থাকে বন্ধ। ইফতারের আগে সেগুলো খোলা হয়। যে কোন অফিসের ক্যান্টিন বন্ধ থাকে। তবে অমুসলিম কর্মীদের জন্য বিশেষ একটি স্থান রাখা হয় যেখানে তারা খাবার খেতে পারে।
আট বছর আগে দোহায় আগত একজন অমুসলিম বলেন, সে সময় আমার অভিজ্ঞতা ছিল ভিন্ন ধরনের। দিনের বেলা কোথাও খাবারের পরিবেশ নেই। মনে হয়েছিল যেন এমন এক দেশে এসে পৌঁছেছি যেখানে মানুষ খাওয়া-দাওয়া করে না। অবশ্য সে ভুল ভাঙতে সময় নেয়নি। সন্ধ্যার বেশ খানিকটা আগে সব খাবারের দোকানগুলো খুলে যায়। তাও আবার জাঁকজমকের সাথে। সেখানে বাহারি রকমের খাবার। দেখে মনে হয়েছে, দৈনন্দিন মানুষ যেসব খাবার খায় তার চেয়ে ভিন্নতর। মূলতঃ মুসলিমরা দিনভর রোজা রাখার পর এমন খাদ্য খান যা তাদের জন্য মুখরোচক হয়, একই সঙ্গে শরীরে প্রয়োজনীয় ক্যালরি গ্রহণে সহায়তা করে।
যে কোন অমুসলিম দিনের বেলা খাবার খেতে পারেন তাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে। কিন্তু দেখা যায় সহকর্মীদের সাথে সহমর্মিতা প্রকাশ করে অমুসলিমদের অনেকেই দিনের বেলা পানাহার থেকে বিরত থাকে। অনেকে এমনকি মুসলিমদের ইফতারে শরিকও হন। সূত্র : ওয়েবসাইট।

 

প্রবাস জীবন বিভাগে সংবাদ পাঠানোর ঠিকানা
probashjibon.inqilab@gmail.com



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রোজা


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ