Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩১ ভাদ্র ১৪২৬, ১৫ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

রমজানে শ্রমিকদের কাজ কমানো হয় তুরস্কে

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৬ মে, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

রমজান সহমর্মিতা, ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার মাস। ইউরোপ-এশিয়ার মিলনস্থলে অবস্থিত তুরস্কে মুসলিমদের দীর্ঘদিন ধরে ইসলামি বিধিবিধান পালনে নিষেধাজ্ঞার কবলেও পড়ে থাকতে হয়েছিল। তবুও ইসলামের প্রতি তাদের অনুরাগ মোটেই কমেনি। রমজানের আবহ দেখলে বোঝা যায়।
রমজান যেন তুর্কিদের কাছে মুক্তির বারতা নিয়ে আসে। এ মাসে তারা প্রাণ খুলে দোয়া করে এবং ঘুরে ঘুরে একে অপরের বাড়িতে গিয়ে রমজানের শুভেচ্ছা জানায়। রমজানে তুরস্কে বেচাকেনার মাত্রা বহুগুণে বেড়ে যায়। কিন্তু দিনের বেলায় পর্যটন এলাকা ছাড়া অধিকাংশ এলাকার খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ থাকে বন্ধ।
রমজানে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি তুর্কি জনগণের নজরকাড়া সহানুভ‚তি চোখে পড়ে। অনেকেই শ্রমিকদের কাজের ভার কমিয়ে দেয়। শ্রমিক-মালিক একসঙ্গে ইফতার করে। সরকারের পক্ষ থেকে তুরস্কে রমজান মেলার আয়োজন করা হয়। এ মেলায় বাচ্চাদের বিনোদনের ব্যবস্থাও থাকে।
তুরস্কের অধিকাংশ মানুষই ধর্মপরায়ণ। খেজুর আর পানি দিয়ে ইফতার করেন দেশটির রোজাদাররা। তুরস্কের অনেক জায়গায় ‘রমজান কিবাবি’ নামক খাদ্যটির ইফতার হিসেবে আলাদা কদর রয়েছে। এটা বিশেষ ধরনের কাবাব। নানারকম শরবতের ব্যবহারও বেশ পুরোনো।
এছাড়া জলপাই, বিখ্যাত রমজান পাইড রুটি, পনির, মশলাদার গরুর গোশতের পাতলা স্লাইস, সসেজ, মিষ্টি মাখন, ফল, মধু, প্রচুর পরিমাণ টমেটো, শশা ইত্যাদি দিয়ে ইফতার করেন তুর্কিরা।
তুর্কিদের ইফতার আয়োজনে শুধু মুসলমানরাই নয়, ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরাও এক কাতারে বসে ইফতার করেন। এছাড়া বড় বড় মসজিদের চারপাশে শত শত দোকানদার নানারকম ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসে।
রাতের খাবারের পর তুরস্কের লোকজন শহরের বাইরে গিয়ে সান্ধ্য আয়োজন উপভোগ করে। এ সময় তারা বিভিন্ন ইসলামিক পোগ্রামে যোগ দেয় এবং বিভিন্ন আঙিনা ও পার্কে ঘুরে বেড়ায়। সূত্র : ওয়েবসাইট।

প্রবাস জীবন বিভাগে সংবাদ পাঠানোর ঠিকানা
probashjibon.inqilab@gmail.com



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মাহে রমজান


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ