Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬, ২১ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

শেখ হাসিনা বিভৎস দুঃশাসনের বৃত্তে জনগণকে আটকে রেখেছে -রিজভী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৬ মে, ২০১৯, ৯:১০ পিএম

মিডনাইট নির্বাচনের পর অবৈধ শাসকগোষ্ঠীর প্রধান শেখ হাসিনা আরও বেশী বেপরোয়া হয়ে এক বিভৎস দুঃশাসনের বৃত্তে জনগণকে আটকিয়ে রেখেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, দেশে এখন এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা। কথা বলা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা সম্পূর্ণরুপে হরণ করা হয়েছে। গুম, খুন, বিচার বহির্ভূত হত্যা তথা রক্তঝরানোর সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে জনগণকে ভয় দেখানোর জন্য। মহাদুর্নীতি ও অবাধে লুটপাট নিশ্চিত করার জন্যই একদলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসন কায়েম করা হয়েছে। রোববার (২৬ মে) বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ইফতার ও বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সন্ধ্যার পর জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এক্স স্টুডেন্টস এ্যাসোসিয়েশন (রুনেসা) ও ছাত্রদল-যুবদলের নেতৃবৃন্দসহ সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আবারও নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। মিছিলে নেতাকর্মীরা বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে শ্লোগান তোলেন।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দী করা হয়েছে অন্যায়ভাবে অসত্য মামলায়। বেআইনী শাসকগোষ্ঠী গণতন্ত্রের প্রতীক বেগম জিয়াকে কারাগারে আটকিয়ে রেখেছে তাদের ব্যর্থতা, অনাচার ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যাতে কোন প্রতিবাদ ধ্বণিত না হয়। এদিকে জনগণের ওপর চলছে তাদের স্টিম রোলার। কৃষকরা ক্ষেতের ধান পুড়িয়ে দিচ্ছে, শ্রমিকরা মুজুরী না পেয়ে ইফতারীর সময় শূণ্য থালা নিয়ে বসে আছে। চারিদিকে শুধু হাহাকার ও দীর্ঘশ্বাসের শব্দ শোনা যায়। এই নৈরাজ্যকর অবস্থা চলতে পারে না। আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যে বহুদলীয় গণতন্ত্রের কোন অস্তিত্ব নেই। জাতিকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করতে ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এমূহুর্তে মুক্তি দিতে হবে, অন্যত্থায় সরকারকে জনরোষের মুখোমুখি হয়ে যবনিকার অন্তরালে চলে যেতে হবে।

মিছিলে অংশগ্রহণ করেন-বিএনপি’র সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জল, জাসাস সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক হেলাল খান, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন ভুঁইয়া শিশির, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, রুনেসা’র সভাপতি বাহাউদ্দিন বাহার, জাসাস সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রিপন, জাসাস সহ-সভাপতি জাহেদুল আলম হিটো, মহানগর জাসাস আহবায়ক মীর সানাউল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রোকন, মাকসুদুর রহমান টিপু, রফিকুল ইসলাম স্বপন, ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী , মোকাম্মেল কবির প্রমূখ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রিজভী


আরও
আরও পড়ুন