Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ০৬ কার্তিক ১৪২৬, ২২ সফর ১৪৪১ হিজরী

ভিন্নমাত্রায় এবারের কৃষকের ঈদ আনন্দে

বিনোদন ডেস্ক: | প্রকাশের সময় : ২৭ মে, ২০১৯, ১২:০৬ এএম

একটা সময় ছিলো যখন টেলিভিশনে ঈদ অনুষ্ঠান মানেই শহুরে মানুষের হাসি কান্নার গল্প। ছিলো তারকা শিল্পীদের অংশগ্রহণে নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষকে বিনোদিত করার চেষ্টা। সেইসব ঈদ আয়োজনে ঠিক কোথায় সেই গ্রামের কৃষকটি, যার শ্রমে ঘামে উৎপাদিত ফসলে নিবারিত হয় মানুষের ক্ষুধা? তাকেও যুক্ত করতে হবে এই আনন্দধারায়। সেও এ সমাজের, এ দেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সে চিন্তা থেকে সারাজীবন কৃষকের সামনে মাইক্রোফোন আর ক্যামেরা ধরে রাখা টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাতা শাইখ সিরাজ সিদ্ধান্ত নেন নিজেই বানাবেন কৃষক ও গ্রামীণ মানুষের জন্য তাদের অংশগ্রহণেই ঈদ অনুষ্ঠান ফার্মারস গেইম শো ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’। শাইখ সিরাজের পরিকল্পনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনায় ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ সারাদেশের মানুষের প্রাণের অনুষ্ঠানে রূপ নেয়। অনুষ্ঠানে কৃষকদের নিয়ে আনন্দ-বিনোদনের পাশাপাশি থাকে সমাজ উন্নয়নমূলক বিভিন্ন ভাবনার কথা। যার ফলে অনুষ্ঠানটি হাসি আনন্দের পাশাপাশি সমাজ উন্নয়ন ভাবনায় সংশ্লিষ্ট মহলকেও সজাগ করে তোলে। প্রতিটি অনুষ্ঠানে থাকে একটি থিম। যার ভিত্তিমূলে থাকে কৃষক সমাজ। প্রতিবারই কৃষকের ঈদ আনন্দের পরিবেশ ও পরিবেশনায় বেশ খানিকটা ভিন্নতা পাওয়া যায়। কিন্তু এবারের ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ একেবারেই অন্য প্রেক্ষাপটে নির্মিত। সারা বিশ্বেই কৃষক এক অনন্য পরিচয়। অথচ এই উপমহাদেশে কৃষক অবহেলিত। কেন? কৃষি এ দেশের অর্থনীতির মূল চালিকার একটি। এ দেশে কৃষক থাকবে মর্যাদার আসনে। যেখানে কৃষি ও কৃষককে কেন্দ্র করে রচিত হওয়ার কথা ছিলো রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো, সেখানে কৃষকের অবস্থান কোথায়? শাইখ সিরাজের অনুষ্ঠানে ক্যামেরার গতিপথ অনেক সময়ই ব্যাকরণ মেলে চলে না চললেও বাস্তবতার বাইরে এতটুকুও যায় না। তার ক্যমেরায় সারাক্ষণই ধরা পড়ে দেশ, দেশের মানুষ আর দেশাত্মবোধ। এবার কৃষকের ঈদ আনন্দ অনুষ্ঠানে সেদিকটিই আরো উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। দেশের সাধারণ কৃষকদের নিয়ে একটি বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান করার পাশাপাশি সচেতনতার একটি আয়নাও যে তৈরি করা যায় তা প্রকাশ পেয়েছে এবারের অনুষ্ঠানে। দর্শক অনুষ্ঠানটি দেখবেন, আনন্দের পাশাপাশি হাসবেন এবং ভাববেন অতীত ও বর্তমানকে নিয়ে, কোথায় ছিলাম, কোথায় আছি, কোথায় যাব ভবিষ্যতে এই ভাবনাও আচ্ছন্ন করে তুলবে দর্শককে একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ অনুষ্ঠানটি ঈদুল ফিতরের পরদিন বেলা সাড়ে ৪টায় চ্যানেল আইতে প্রচার হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: কৃষকের ঈদ আনন্দ
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ