Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০১৯, ০১ শ্রাবণ ১৪২৬, ১২ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

টিআইবির উদ্বেগ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৮ মে, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

প্রস্তাবিত স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৯ এর খসড়ায় নিবর্তনমূলক, অস্পষ্ট ও অনেক ক্ষেত্রে সাংঘর্ষিক ধারা সন্নিবিষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি এ ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এ ধরনের ধারাগুলো পরিবর্তন, পরিমার্জন ও বাতিলের দাবি জানিয়েছে। গতকাল এক বিবৃতিতে এই দাবি জানায়। টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী ও সমাজকল্যাণমূলক সংস্থার নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় একটি নতুন আইনের খসড়া প্রস্তাব করেছে। খসড়া আইনটি বেশ কয়েকটি ধারা-উপধারা এসব সংস্থাসমূহের কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যাপক বাধা তৈরি করবে। একইসাথে আইনের কয়েকটি ধারা-উপধারা ও শব্দের ব্যাখ্যায় অস্পষ্টতা থাকায় আইনটি অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। আইনের উপধারা ১১(১ ও ২)-এ নিবন্ধিত সমস্ত সংস্থাকে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন করে নিবন্ধন নবায়নের বিধান এবং যথাসময়ে নবায়নে ব্যর্থ হলে বা আবেদন প্রত্যাখাত হলে সংস্থাটির বিলুপ্তি ঘোষণার বিধান; উপধারা ১৭(১, ২, ৩) অনুযায়ী কোনো সংস্থার ‘কারণ দর্শানো’ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সে সংস্থার নিবন্ধন বাতিল এবং নিবন্ধন বাতিলের তারিখ থেকে সংস্থাটি বিলুপ্তির বিধান; এসব প্রতিষ্ঠানের জনকল্যাণমুখী উদ্যোগের অযাচিত অবসান এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উপকারভোগী ও কর্মীদের অধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করবে।
এছাড়া খসড়া আইনে বিদেশী সহায়তায় পরিচালিত এনজিওসমূহের ক্ষেত্রে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর পাশাপাশি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা বহাল রাখা হয়েছে। একই প্রতিষ্ঠানের উপর দুটি সরকারি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণের এই ব্যবস্থা দ্বৈত শাসন ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বৃদ্ধি করবে, যাতে সংশ্লিষ্ট এনজিওগুলোর কার্যক্রম স্থবির হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন