Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০১৯, ০৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৪ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

গুপ্তচরবৃত্তিতে জড়িত পাক সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩১ মে, ২০১৯, ২:৩৮ পিএম | আপডেট : ৯:৫৫ পিএম, ৩১ মে, ২০১৯

গুপ্তচরগিরি ও বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার কাছে স্পর্শকাতর তথ্য পাচারের অভিযোগে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজন লে. জেনারেলকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার পাকিস্তান আইএসপিআরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষতি করে বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পক্ষে গুপ্তচরগিরি ও স্পর্শকাতর তথ্য ফাঁস করার দায়ে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল কমর জাভেদ বাজওয়া ওই অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসার এবং একজন বেসামরিক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন করেছেন। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আলাদাভাবে গঠিত ফিল্ড জেনারেল কোর্ট মার্শালে পাকিস্তানের সেনা আইন ও রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইনে সেনা অফিসারদের বিচার করা হয়।

সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং জানায়, দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন হলেন, অবসরপ্রাপ্ত লে. জেনারেল জাভেদ ইকবাল, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার রাজা রিজওয়ান ও ড. ওয়াসিম আকরাম। শেষোক্ত ব্যক্তি একটি স্পর্শকাতর সংস্থায় কাজ করতেন। তাদেরকে বিদেশী সংস্থাগুলোর পক্ষে গোয়েন্দাগিরি ও স্পর্শকাতর তথ্য ফাঁস করার দায়ে সাজা দেয়া হয়েছে। লে. জেনারেল (অব.) জাভেদ ইকবালকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ব্রিগেডিয়ার (অব.) রাজা রিজওয়ান ও ড. ওয়াসিম আকরামকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। তবে এই তিন জন ঠিক কি ধরনের অপরাধ করেছেন তার বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করেনি আইএসপিআর।

তবে এর আগে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুুয়ারি এক সাংবাদিক সম্মেলনে আইএসপিআরের ডিজি মেজর জেনারেল আসিফ গফুর এসব সিনিয়র অফিসারকে গ্রেফতার করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, গোয়েন্দাগিরি করার অভিযোগে দুই সেনা অফিসারকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কোর্ট মার্শাল গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন সেনা প্রধান। এর প্রত্যেকটি আলাদা মামলা। একটির সঙ্গে আরেকটির সম্পর্ক নেই। গফুর বলেন, দুটিই আলাদা মামলা। একটির সঙ্গে আরেকটির সম্পর্ক নেই। এটা কোন নেটওয়ার্ক নয়। 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: পাকিস্তান সেনাবাহিনী
আরও পড়ুন