Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার ২০ জুলাই ২০১৯, ০৫ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৬ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

ইহুদিবিরোধী আন্দোলনে শরিক হচ্ছেন ফিলিস্তিনি নারীরা

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২ জুন, ২০১৯, ১২:০৬ এএম | আপডেট : ১২:১৩ এএম, ২ জুন, ২০১৯

মধ্যপ্রাচ্যের মাটিতে সৃষ্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জারজ ইসরাইলের লাগাতার নির্যাতনে নিষ্পেষিত লাখ লাখ ফিলিস্তিনি। প্রায় প্রতিদিন নানা অজুহাতে হত্যা করা হচ্ছে যুবক, শিশু, বয়স্কদের। বাদ যাচ্ছে না নারীরাও। কারণ তারাও তাদের স্বাধীনতার জন্য, একটি পৃথক রাষ্ট্রের জন্য সবার সাথে কাঁধে কাঁধে মিলিয়ে আন্দোলন করে যাচ্ছে। সম্প্রতি উপরোল্লিখিত ছবিটি মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে ইহুদীবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে সংগ্রামে ফিলিস্তিনি নারীর ভ‚মিকা তুলে ধরা হয়েছে। হাজার হাজার ফিলিস্তিনি মসজিদুল আকসায় অবস্থান নিয়ে রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করছেন। তাদের জন্য আল-আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডে জড়ো করা হচ্ছে খাবার। আর স্বামীহারা, সন্তানহারা, ভাইহারা মহিলারা আন্দোলন-সংগ্রামে তাদের সহযোদ্ধাদের জন্য প্রক্রিয়াজাত করছেন ফিলিস্তিনের ঐতিহ্যবাহী খাবার।

জেরুজালেমে বড় বড় ট্রেতে আনা খাবারগুলোর ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। এ ঘ্রাণ যেন প্রেরণা যোগাচ্ছে ইসরাইলি নৃশংসতার বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে। সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর।



 

Show all comments
  • Saifee Noman Mahedi ২ জুন, ২০১৯, ১:৩৬ এএম says : 1
    Moteo tara ihudi birodhi ndolon kortesena. Zionism er birudhe tader andolon
    Total Reply(0) Reply
  • Hafiz Fokhrul Islam ২ জুন, ২০১৯, ১:৩৬ এএম says : 1
    আল্লাহ তায়ালা কবুল করুন
    Total Reply(0) Reply
  • Kamrul Hasan ২ জুন, ২০১৯, ১:৩৭ এএম says : 1
    আমিন আল্লাহ হেফাজত করুন।
    Total Reply(0) Reply
  • Abdullah Taque ২ জুন, ২০১৯, ১:৩৭ এএম says : 1
    মার খাইতে জানে মুসলমান এক হতে পারে না। আফসোস। মুসলমান ইফতার করবে চারপাশে ইহুদি ঘিরে রাখবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Ayesha Aktar ২ জুন, ২০১৯, ১:৩৭ এএম says : 1
    Allah hefajot korun. Ameen.
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammad Manik Meah ২ জুন, ২০১৯, ১:৩৮ এএম says : 1
    হে আল্লাহ, তুমি আমাদের অপরাধ ক্ষমা করো।
    Total Reply(0) Reply
  • মোহাম্মদ আব্দুস সালাম ২ জুন, ২০১৯, ৯:৩৬ এএম says : 1
    সারা বিশ্বের মুসলিম এখনও সময় আছে সকল ভেদাভেদ ভূলে এক হও। তানাহলে সামনের দিনগুলি কিন্তু আরও ভয়াবহ। আমি ব্যক্তিগতভাবে ভাবি চারদিকে সকল দেশ মুসলিম মাঝখানে কিভাবে একটা শয়তানের জন্ম হলো। কোন একটা মুসলিম রাষ্ট্র কি এর প্রতিবাদ করলো না। আরও অবাক হই কিছু দেশ প্রতিবাদতো করেইনি বরং ফিলিস্তিন ভাইদের পাশে না দাড়িয়ে তারা ঐ শয়তানের সাথে হাত মিলিয়েছে। তখন ভাবি কিভাবে সম্ভব তাদেরকে উদ্ধার করা। ভাবি আমাদের কত মিল। ভাই মরে যাক তাতে কোন আপত্তি নেই কিন্তু যুদ্ধ করতে রাজি নই যদি মরে যাই। অথচ আপনি কি একবার চিন্তা করেছেন ইহুদিদের বাচাতে সারা বিশ্বের খ্রিষ্টান চক্র কিভাবে তাদেরকে সাহায্য করছে। আরও অবাক হই যখন দেখি আমরাই যখন আমাদের শত্রু হয়ে যাচ্ছি। গত কয়েকদিনের আগে একটি ঘটনা পড়লাম তাজাখিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মোমিনজো নামের মেয়েটিকে শুধু তার আল্লাহর আদেশ পর্দ্দা করার কারনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক তাকে বহিষ্কার করে দিল। এবার বলুন আল্লাহ কিভাবে সহ্য করছেন। চিন্তা করে দেখুনতো কয়েকদিন আগে সস্কটল্যান্ডের একটি ঘটনা দেখলাম তারা তাদের পুলিশ বাহিনীতে লোক বিয়োগান্ত জন্য মুসলিম মেয়েদের হিজাবকে পোষাক হিসেবে পরিধান করার ঘোষণা দিলেন সেখানে আমরা তা বন্ধ করে দিচ্ছি। মনে হয় আমরা আল্লাহকে ভূলেই যাচ্ছি। সব শেষে শুধু বলবো আমরা যেন সবাই আল্লাহর রাস্তায় ফিরে আসি এবং সারা বিশ্বের নিপিড়িত মুসলিম ভাইবোনদের পাশে গিয়ে দাড়াই। মহান আল্লাহ আমাদের তৌফিক দান করুন।
    Total Reply(0) Reply
  • Md KawsarHosain ৩ জুন, ২০১৯, ৪:০৮ এএম says : 0
    amin,, Allah tader hefajot korun,,Amin
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মাহে রমজান


আরও
আরও পড়ুন