Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ০৩ ভাদ্র ১৪২৬, ১৬ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

দেশের সব সেক্টরে চলছে সীমাহীন লুটপাট ও দুর্নীতি

সমাবেশে বাম নেতৃবৃন্দ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২ জুন, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (মার্কসবাদী) নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দেশের সব সেক্টরে সীমাহীন লুটপাট ও দুর্নীতি চলছে। তার প্রমাণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বালিশ ও কেটলি ক্রয়ের চিত্র। এটি দুর্নীতির বিন্দুমাত্র প্রকাশ হয়েছে। মূল দুর্নীতি পুকুরচুরি নয়, মহাসাগরচুরি হয়েছে। দেশের সব সেক্টরে সব খাতে এমন দুর্নীতি চলছে। সরকার কর্তৃক ঘোষিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কোথাও বাস্তবায়ন নেই। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ ও মিছিলে বাম নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
বালিশ কেলেঙ্কারির মূল হোতাদের গ্রেফতার, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সব আয়-ব্যয়ের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ, অর্থ পাচারকারী, ঋণখেলাপিদের ঋণ মওকুফ না করে কৃষকদের ঋণ মওকুফ করে ১২০০ টাকা মণ দরে সরাসরি কৃষকদের নিকট থেকে ধান ক্রয়ের দাবিতে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এম এ সামাদ।
তিনি বলেন, আমরা সরকারের ঘোষণার বাস্তবায়ন চাই। রূপপুর প্রকল্পের লুটপাটকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা হোক। তিনি আরো বলেন, অর্থপাচারকারী ঋণখেলাপিদের ঋণ মওকুফ জনগণ মেনে নেবে না। আমরা চাই, সারা দেশে কৃষকদের বিরুদ্ধে যে সার্টিফিকেট মামলা করা হয়েছে, সেই কৃষিঋণ মওকুফ করা হোক।
এম এ সামাদ বলেন, কৃষক সমাজ আজ দিশাহারা বিপদগ্রস্ত সহায়-সম্বলহীন হতে চলেছে। সরকার ঘোষণা দিলেও সরকারদলীয় লোকদের দুর্নীতির কারণে কৃষকরা সেই মূল্যও পাচ্ছেন না। তিনি অবিলম্বে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ১২০০ টাকা মণ দরে ধান কেনার দাবি জানান।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক হারুন চৌধুরী, কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় পলিট ব্যুরোর সদস্য সাহিদুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা সামসুল হক, মোস্তফা আল খালিদ বিন মাহমুদ, শহীদ আসাদ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান মিলন, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক সামছুল আলম, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ, সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন অর রশিদ, গণসংগঠক মাহাবুব খোকন প্রমুখ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: দুর্নীতি

১৬ জানুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন