Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০১৯, ০১ শ্রাবণ ১৪২৬, ১২ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

বশেমুরবিপ্রবির ১৪ শিক্ষার্থীকে শোকজ

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ থেকে : | প্রকাশের সময় : ২ জুন, ২০১৯, ১২:০৫ এএম


 গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ১৪ জন শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ওই ১৪ শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানো হয়।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দিগন্ত লস্কর (৩য় বর্ষ), শেখ মেহেদী হাসান (৩য় বর্ষ), নিউটন মজুমদার (¯œাতকোত্তর), ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ইসমাইল হোসেন রিয়াদ (৩য় বর্ষ), সিকদার মাহবুব (৩য় বর্ষ), আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মো. নাজমুল হুদা (৩য় বর্ষ), রথিন্দ্রনাথ বাপ্পি (৩য় বর্ষ), মো. শিবলী সাদিক (৩য় বর্ষ), মো. সিরাজুল ইসলাম (৪র্থ বর্ষ), লোক প্রশাসন বিভাগের মো. মিথুন হোসাইন (৩য় বর্ষ), সৌরভ সমাদ্দার (২য় বর্ষ) পরিসংখ্যান বিভাগের রিসালাত আহমেদ অর্ণব (২য় বর্ষ), আইন বিভাগের এস এম আব্দুল্লাহ কাফি (৩য় বর্ষ), ইংরেজি বিভাগের বুলবুল আহমেদকে (স্নাতকোত্তর) এ নোটিস প্রদান করা হয় ।

নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ বিনষ্ট করার অভিপ্রায়ে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সরকার ও প্রশাসনবিরোধী প্লাকার্ড, ফেস্টুন বহন ও উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান করা এবং অত্যুৎসাহী হয়ে অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলন করার আগেই আপনাদের আন্দোলন করার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী একটি গর্হিত কাজ। এ ঘটনায় আপনাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তা জানানোর জন্য নোটিসে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, ‘ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দাবিতে গত ১৫ মে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত কৃষকের সন্তানরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে মানববন্ধন কর্মসূচী করেন। এতে শুধু ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দাবি করা হয়। তার ১৫ দিন পর গত ৩০ মে সরকার ও প্রশাসনবিরোধী প্লাকার্ড, ফেস্টুন বহন ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়ার দাবি করে ১৪ শিক্ষার্থীকে শোকজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। নোটিস প্রাপ্তরা আতঙ্কে রয়েছেন।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. আশিকুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারবিরোধী আন্দোলন করায় তাদের নোটিস দেয়া হয়েছে। তাছাড়া তারা আন্দোলনের পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোন অনুমতি নেয়নি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে প্রশাসন ও সরকারবিরোধী আন্দোলন করবে, উস্কানীমূলক বক্তব্য দেবে এটি আমরা প্রত্যাশা করি না। এ কারণেই ১৪ জনকে শোকজ করা হয়েছে। আমরা চাই এখানে শিক্ষার্থীরা সুন্দরভাবে পড়োশেনা করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ন পরিবেশ বজায় রাখবে।

 

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ