Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৩ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

চিকিৎসায় স্বচ্ছতা আনুন

| প্রকাশের সময় : ১১ জুন, ২০১৯, ১২:০৬ এএম

পল্লী অঞ্চলে ক্লিনিক নির্মাণ ও বিনা মূল্যে ওষুধ প্রদান সরকারের সফলতা। তদুপরি চিকিৎসা ক্ষেত্রে পুরোপুরি বাংলাদেশ সফলতা অর্জন করতে পারেনি। চিকিৎসার কথা শুনলেই সাধারণ মানুষ আতঙ্কে ভোগে। ভোগান্তির শিকার প্রধানত প্রসূতিরা। কর্তব্যরত ডাক্তারদের অবহেলায় সন্তান রাস্তাতেই ভূমিষ্ঠ হচ্ছে। গজ-কাপড় ভেতরে রেখেই তড়িঘড়ি অপারেশনের পর পেট সেলাই করা হচ্ছে। এমনকি ভেজাল যন্ত্রপাতি দিয়ে রোগ পরীক্ষা ও ভেজাল ওষুধ সেবনে রোগ আরও চরমে। সাধারণ জ্বর বা মাথাব্যথায় ক্লিনিকে গেলে ডাক্তাররা স্বার্থ উদ্ধারে হাজার হাজার টাকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। অনেক চিকিৎসক ওষুধ কোম্পানির স্বার্থ বিবেচনা করে ভেজাল ওষুধ ক্রয়ে প্রেসক্রিপশন করেন। নামিদামি ক্লিনিকের ডাক্তাররা রোগীদের সেবার পরিবর্তে টাকা হাতিয়ে নিতে প্রতিনিয়ত অপকৌশল অবলম্বন করছেন। সব হাসপাতালের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে। দরিদ্রদের উন্নত চিকিৎসা প্রদানের সঙ্গে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সুনজরই স্বাস্থ্যক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে। তাই সরকারি পদক্ষেপসহ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে।
তাইফুর রহমান মুন্না, মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চিঠিপত্র


আরও
আরও পড়ুন