Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার ২২ জুলাই ২০১৯, ০৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৮ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।
শিরোনাম

দ্বিগুণ গতিতে বিলুপ্ত হচ্ছে উদ্ভিদ প্রজাতি

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১২ জুন, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

বিগত ২৫০ বছরে প্রায় ৬০০ প্রজাতির গাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। এই সংখ্যা প্রাণিকুলের প্রজাতির বিলুপ্তির চেয়েও দ্বিগুণ। বিজ্ঞানীরা বলেন, স্বাভাবিকের চেয়ে ৫০০ গুণ বেশি গতিতে উদ্ভিদ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। রয়্যাল বোটানিক গার্ডেন এবং স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানান, বিগত ২৫০ বছরে ৫৭১টি উদ্ভিদ প্রজাতি বিলুপ্ত হয়েছে। এই সময়ে পাখি, স্তন্যপায়ী আর উভচর মিলে বিলুপ্তির সংখ্যা ২১৭ প্রজাতি। ফলে উদ্ভিদ প্রজাতির বিলুপ্তির হার দ্বিগুণেরও বেশি। গবেষকরা বলেন, তারা এই বিলুপ্তির সংখ্যা নথিবদ্ধ করে তুলে ধরতে চেয়েছেন যে, ভবিষ্যতে আমাদের কী করা উচিত। আর আগে চলতি বছর মে মাসে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ১০ লাখ জীব প্রজাতি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. অ্যালিস হামফ্রেস বলেন, বিগত শতাব্দীতে বিলুপ্ত হওয়া প্রাণী বা পাখির নাম অনেকেই বলতে পারবেন। আমাদের গবেষণায় আমরা তুলে ধরেছি, কোন গাছগুলো ইতোমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং কত দ্রæত বিষয়টা ঘটেছে। উপকূলীয় অঞ্চল ও দ্বীপেই সবচেয়ে বেশি উদ্ভিদ প্রজাতি বিল্প্তু হয়েছে বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে। তবে গবেষকদের ধারণা, উদ্ভিদ প্রজাতির বিলুপ্তির ভয়াবহতা এই সংখ্যার মাধ্যমে তুলে ধরা সম্ভব নয়। এর মাঝে আশার বাণীও শুনিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলেন, চিলিয়ন ক্রোকাসের মতো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া উদ্ভিদ প্রজাতিকে আবারও কোথাও কোথাও দেখা গেছে। পৃথিবীর সমস্ত প্রাণিকুলই অক্সিজেন ও খাবারের জন্য উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। উদ্ভিদের বিলুপ্তিতে তার ওপর নির্ভরশীল প্রাণীও বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। যেমন কিছু কীট-পতঙ্গ, যারা গাছের পাতার ওপর নির্ভরশীল। রয়্যাল বোটানিক গার্ডেনের গবেষক ও বিজ্ঞানী ড. আইমার নিক লুগাদা বলেন, উদ্ভিদের বিলুপ্তি সবার জন্যই খারাপ খবর। তিনি বলেন, মানুষসহ লাখ লাখ প্রাণী উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। তাই কোনও উদ্ভিদের বিলুপ্তি হচ্ছে জেনে আমাদের বিকল্প প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হবে। এই বিলুপ্তি ঠেকাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার আহŸান জানিয়েছেন গবেষকরা। এরমধ্যে বিশ্বজুড়ে সব গাছের রেকর্ড রাখা, গাছের প্রজাতি সংরক্ষণ, আরও গবেষণা এবং শিশুদের গাছ চিনতে শেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ওয়েবসাইট।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন