Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০২ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ সফর ১৪৪১ হিজরী

রাশিয়ান যুদ্ধ বিমানের বোমা বর্ষণ ইদলিবে তুমুল সংঘর্ষ

১ দিনেই নিহত ২৪০

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১২ জুন, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ইদলিবে সিরিয়ার সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহী দলগুলোর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছে। এতে একদিনেই নিহত হয়েছে কমপক্ষে ২৪০ জন। সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর। রোববার আসাদপন্থি সেনারা প্রদেশটির কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জালামিহ শহরটি পুনরুদ্ধারে সক্ষম হয়। এ সময় তাদেরকে সাহায্য করেছে রুশ বিমান বাহিনী। অভিযান পরিচালনার আগে রুশ যুদ্ধবিমান থেকে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত শহরটিতে ব্যাপক বোমা হামলা চালানো হয়। জালামিহ ছাড়াও এর পূর্বে অবস্থিত আল-মিলিহ শহরেও বিমান হামলা চালিয়েছে রুশ বিমান বাহিনী। এরপর সেখানে আসাদপন্থি সেনারা অভিযান চালিয়ে শহরটি পুনরুদ্ধারে সমর্থ হয়। এ সময় সেখানে বিদ্রোহী দলগুলোর সঙ্গে তুমুল যুদ্ধ হয় আসাদপন্থি সেনাদের। এতে প্রায় আড়াইশ’ মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস। এর আগে রেড ক্রসের মুখপাত্র আদনান হেজাম এক বিবৃতিতে বলেন, ইদলিবের বর্তমান মানবিক অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ। সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের পতন ঘটলেও এখনো দেশটির কিছু অংশের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে আসাদ বিরোধীদের হাতে। সেগুলো পুনরুদ্ধারের জন্য রাশিয়া, ইরান ও সিরিয়ার সম্মিলিত বাহিনী যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। এতে বহু বেসামরিক নাগরিক হতাহত হচ্ছেন বলে দাবি করেছে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে শুরু হওয়া সিরিয়া যুদ্ধে জয়ের দ্বারপ্রান্তে দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ। একসময় সিরিয়ার অতি সামান্য অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা আসাদ এখন পুরো দেশটিতেই নিজের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। ২০১৫ সালে সিরিয়ায় আসাদকে সাহায্য করতে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেয় রাশিয়া ও ইরানের সেনারা। এরপর থেকে দু’-একটি প্রদেশ ছাড়া সর্বত্রই এখন আসাদের নিয়ন্ত্রণে। ভয়াবহ এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার মানুষ। মিডল ইস্ট মনিটর।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন