Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৬, ১৬ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

একটি মানবিক আবেদন ...

অভয়নগর (যশোর) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১২ জুন, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

চার মাসের শিশু সোহানা দুধের অভাবে প্রায় না খেয়ে থাকে। অর্থের অভাবে দুধ কিনে দিতে পারেন না মা শান্তা বেগম। সোহানার বাবা সোহেল গত এক বছর জেলে থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, নওয়াপাড়া গ্রামের শিল্পীর ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও শান্তা বেগম। সোহেল ঢাকা-কক্সবাজার রোডে ঈগল পরিবহনে সুপারভাইজার হিসেবে চাকরি করতো। গত বছর ২৪ মে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফেরার পথে রামু থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পরিবহনে তল্লাসী করে ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেন। ঈগলের সুপারভাইজার সোহেল রানার বডি থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে এ ব্যাপারে রামু থানায় একটি মামলা করে।

এই মামলায় পুলিশ সোহেল রানাকে কক্সবাজার জেল হাজতে প্রেরণ করেন। একমাত্র উপার্জনকৃত অভিভাবক সোহেল রানা জেলে থাকায় পরিবারটি অনাহারে অর্ধাহারে দিন যাপন করছে। এদিকে স্ত্রী শান্তা বেগমের কোল জুড়ে গত ৪ মাস আগে একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। কন্যার জন্মের পর তাদের কষ্টের বোঝা আরও ভারী হয়ে ওঠে। ৪ মাসের শিশু কন্যা সোহানার দুধ কেনার মত পয়সা পরিবারটির না থাকায় শিশুটি প্রায়ই না খেয়ে থেকে দিনদিন মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শান্তা বেগম শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য কাজের সন্ধানে ঢাকায় গিয়ে কাজের চেষ্টা করেছেন, কিন্তু ছোট শিশু সন্তান কোলে থাকায় কেউ তাকে কোন কাজ দেয়নি। সে এখনও ঢাকাতে অবস্থান করে শিশুটিকে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। স্ত্রী শান্তা বেগমের দাবি তার স্বামী সোহেল রানাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। এই মিথ্যা মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দিয়ে সন্তানসহ পরিবারের সকলের মুখে হাসি ফুটানো হোক।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন