Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৬, ১৬ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

বড় সংস্কার আসছে সঞ্চয়পত্রে

বাজেট ২০১৯-২০

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১২ জুন, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

পুঁজিবাজারের অস্থিরতা, বিনিয়োগের পরিবেশের অভাব, আর ব্যাংকে মেয়াদি হিসাবে সুদের হার কম থাকায় গত কয়েক বছর ধরেই সঞ্চয়পত্র সাধারণের কাছে ‘বিনিয়োগের নিরাপদ ক্ষেত্র’ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের উপকারভোগীদের অধিকাংশই হলেন- পেনশনভোগী, বৃদ্ধ, দুস্থ ও অসহায় নারী। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকগুলো আমানতের সুদ হার কিছুটা বাড়ানোর পরও বিনিয়োগের নিরাপদ মাধ্যম হওয়ায় সঞ্চয়পত্রের প্রতি মানুষের ঝোঁক কমেনি। তবে বর্তমানে একজন ব্যক্তি যে পরিমাণ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন, কিনছেন তার চেয়েও বেশি। আর এসব কিনছেন নামে বেনামে। একই সঙ্গে যাদের সুবিধা পাওয়ার কথা তারা পাচ্ছেন না। আর এরই অংশ হিসেবে সামাজিক নিরাপত্তা কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ এ খাতে কিছু সংস্কার করা হবে। তবে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমছে না। ইতোমধ্যে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হলেও ১ জুলাই থেকে এই গতি আরও বাড়বে।

সংস্কার কার্যক্রমে সঞ্চয়পত্রের ক্রেতাদের ডাটাবেজ তৈরি, কেনার সময় করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন), জাতীয় পরিচয়পত্র ও ফোন নম্বর দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। বর্তমানে একজন ব্যক্তি যে পরিমাণ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন, কিনছেন তার চেয়েও বেশি। আর এসব কিনছেন নামে বেনামে। বিনিয়োগ হচ্ছে অবৈধ টাকা। ফলে, এই খাতে স্বল্প আয়ের মধ্যবিত্ত, পেনশনে যাওয়া ব্যক্তিরা সুবিধা পাওয়ার কথা থাকলেও তারা পাচ্ছেন না। বরং নামে বেনামে ধনীরা কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে মুনাফা লুটে নিচ্ছেন। প্রকৃত বিনিয়োগকারীরা যাতে এর উপকারভোগী হয় সে জন্য সুদ না কমিয়ে সংস্কার করা হচ্ছে। অর্থ বিভাগ ও জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানান।

সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সামছুন্নাহার বেগম এ প্রসঙ্গে বলেন, সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কি হবে তা নীতি নির্ধারকরা ঠিক করেন। আমরা সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করি। তবে জনপ্রতি সঞ্চয়পত্র কেনার ক্ষেত্রে সরকারের বেঁধে দেওয়া অংকের বেশি যাতে কেউ বিনিয়োগ করতে না পারে সে জন্য কিছু সংস্কার কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকা অঞ্চলে এর কাজও শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ১ জুলাই থেকে সারাদেশে অনলাইন লেনদেন শুরু হচ্ছে। এছাড়া, স্থাপন করা হচ্ছে সঞ্চয়পত্র ক্রেতাদের তথ্য সম্বলিত ডাটাবেজ। পাশাপাশি সঞ্চয়পত্রের ক্রেতাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রণয়ন করা হচ্ছে কঠোর নীতিমালা। এরইমধ্যে এক লাখ টাকার উপরে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীর করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (ই-টিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত সব লেনদেন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে হবে। এর বাইরে নতুন করে আরও কিছু উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, গত কয়েক বছর থেকে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি হচ্ছে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি। কারণ, এই খাতে কালো টাকা বা অবৈধ টাকা বিনিয়োগ হচ্ছে। এসব কারণে নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসব সংস্কার কাজের পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে শুধু ঢাকা শহরে চলতি মাস থেকে অনলাইনে সঞ্চয়পত্র বেচাকেনা শুরু হয়েছে। প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ক্রেতাদের টিআইএন ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও মোবাইল ফোন নম্বর সংযুক্ত করা। এতে সঞ্চয়পত্র কেনাবেচায় কিছুটা ধীরগতি এসেছে।

ঢাকা অঞ্চলে অনলাইনে সঞ্চয়পত্র বিক্রি, এক লাখ টাকার উপরে সঞ্চয়পত্র কেনার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ই-টিআইএন জমা দেওয়ার নিয়ম কার্যকর হয়েছে। তবে এ নতুন পদ্ধতি পুরোনো সঞ্চয়পত্রধারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। আগামী ১ জুলাই থেকে সারাদেশে এ পদ্ধতি চালু করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। গত ১৫ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের সরকারী ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ কর্মসূচী বিভাগ থেকে জারি করা এ নির্দেশনায় বলা হয়, জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে জেলা শহরে সঞ্চয়পত্র স্কিম লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের সব কার্যালয় ও শাখাকে লেনদেন শুরু করতে হবে। ১ জুন থেকে অনলাইন ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতির বাইরে সঞ্চয়পত্র বেচাকেনা না করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, টিআইএন থাকলেই কর দিতে হবে না। করযোগ্য আয় হলেই কেবল কর দিতে হবে। সংস্কারের ফলে নামে বেনামে ডাকঘর, সঞ্চয় অফিস ও ব্যাংকের মাধ্যমে আলাদা আলাদাভাবে সঞ্চয়পত্র কেনা বন্ধ হবে। বিনিয়োগের উৎস জানতে না চাওয়ার কারণে এ খাতে যে কালো টাকা বিনিয়োগ হতো তা বন্ধ হবে। ভিন্ন ভিন্ন অফিসের মাধ্যমে ম্যানুয়ালি লেনদেন হওয়ায় তা ধরা যাচ্ছিল না। সঞ্চয়পত্র খাতে কালো টাকা বিনিয়োগ রোধ, ধনী ও কর্পোরেট শ্রেণীর হাত থেকে সঞ্চয়পত্রকে রক্ষা, ঋণ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরানো ও অধিক সুদ পরিশোধে বাজেটের ওপর থেকে অতিরিক্ত চাপকে কমাতেই মূলত নানামুখী সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

প্রসঙ্গত, সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকদের কমপক্ষে প্রতি দুই মাস অন্তর সুদ দিতে হয়। এ কারণে অর্থনীতির পরিভাষায় সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রিকে সরকারের ‘ঋণ’ বা ‘ধার’ হিসেবে গণ্য করা হয়। বর্তমানে পরিবার সঞ্চয়পত্রে একজন ব্যক্তি একক নামে সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ টাকা ও তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে একক নামে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা যৌথ নামে সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা যায়।

জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে চার ধরনের সঞ্চয়পত্রের মধ্যে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে সরকার। এ হার ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। পেনশনার সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারেন সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সশস্ত্র বাহিনী থেকে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারকরা।

এতে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা যায়। তবে, দেশে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ রয়েছে ‘পরিবার সঞ্চয়পত্রে’। এতে সুদের হার ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ। প্রাপ্তবয়স্ক যে কোনো নারী এই সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন একক নামে সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ টাকা পর্যন্ত। পাঁচ বছর মেয়াদী ও তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র দেশের যে কোনো নাগরিক কিনতে পারেন। একক নামে ৩০ লাখ ও যৌথ নামে সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করার সুযোগ রয়েছে এই দুই সঞ্চয়পত্রে। এছাড়া, পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ ও তিন বছর মেয়াদী তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ১১ দশমিক ০৪ শতাংশ। এর আগে ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদের হার গড়ে দুই শতাংশ করে কমানো হয়।#



 

Show all comments
  • Sopnumukhi Sopnumukhi ১২ জুন, ২০১৯, ১:০৬ এএম says : 0
    সঞ্চয় পত্র হতে কর্তনকৃত কর বিবরনীও গ্রাহককে অন লাইনে দেয়ার ব্যবস্থা হোক!!
    Total Reply(0) Reply
  • মাইন ১২ জুন, ২০১৯, ১:০৬ এএম says : 0
    অনলাইন সঞ্চয় পত্র আপডেট করে সার্বজনীন পেনশানের ব্যবস্থা করুন। সঞ্চয় পত্র যেন বড় লোকদের অবলম্বন না হয় এটা যেন সার্বজনীন হয়। সঞ্চয় পত্রের মাধ্যমে সার্বজনীন পেনশাম স্কীম চালু করুন। এখন মানুষ ভবিষ্যতের নিশ্চশতা চায়।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১২ জুন, ২০১৯, ১:০৭ এএম says : 0
    বর্তমানে সোনালি ব্যাংক স্থানীয় কার্যলয়, বাংলাদেশ ব্যাংক সহ ডাকঘর, সঞ্চয় পত্র কার্যলয় থেকে ইলেকট্রনিক্স সঞ্চয় পত্র ক্রয় করা হয় যা আগামী জুলাই থেকে সারা বাংলাদেশ থেকেই ডিজিটালাইজড সঞ্চয় পত্র ক্রয় করা যাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সচিব মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই ডিজিটাল সঞ্চয় পত্রকে আপডেট করে সার্বজনীন বেসরকারী পেনসন সঞ্চয় পত্র স্কীম চালু করেন যা হবে সরকারী পেনসনের অনুরুপ। দেশের সকল মানুষকে পেনশনের আওতায় আনতে সঞ্চয়পত্রকে আপডেট করে সার্বজনীন পেনশন চালু করা সময়ের দাবি। এখন মানুষের চাহিদা আর খেয়ে পরে বেচে থাকার মধ্যেয় সিমাবদ্ধ নয় এখন মানুষ ভবিষ্যতের নিরাপত্তা চায়। যা শুধু সরকারী চাকুরীজিবীদের জন্যয় নয় সকল আপামর জনগনের জন্য হতে হবে। তাই সার্বজনীন পেনশান প্রকল্লপ গ্রহন করতে সঞ্চয়পত্রকে আপডেট করে সম্পূর্ন ডিজিটালাইজড প্রকল্প গ্রহন করুন।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১২ জুন, ২০১৯, ১:০৭ এএম says : 0
    শেয়ার বাজারে গেলে লুটে নিবেন, ব্যাংকে টাকা রাখলে মেরে দিবেন, জমি- ফ্লাটের দাম এমন করে রেখেছেন যে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের মানুষেরা সারাজীবনের বৈধ আয় দিয়েও তা কিনতে পারবে না। তাদের জন্য একমাত্র অবলম্বন ছিল এই পোষ্ট অফিস ও সঞ্চয় পত্র। এবার এটার প্রতিও আপনাদের কুনজর পড়লো? গরীব ও সাধারণ পরিবারগুলোকে না মেরে যারা এই খাতে নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকা জমা রেখেছে তাদের ধরুন। আজ পর্যন্ত যত টাকা এই খাতে জমা আছে তাদের সবগুলোতে ন্যাশনাল আইডি নম্বর দিতে বাধ্য করুন। একটা সফটওয়্যার বানিয়ে তা এন্ট্রি দিন, দেখবেন কারা কারা এতে কোটি কোটি টাকা রেখে লিমিট ক্রশ করেছে? তাদের ডিপোজিট ফেরত দিন বা ব্যাংকে ট্র্যান্সফার করে দিন। টিআইএন নম্বর বাধ্যতামূলক করাটা ঠিক আছে। কিন্তু ধরুন- গ্রামের একজন বিধবা নারী তার কিছু টাকা জমা করবেন, সে কি এতে হেনস্তার শিকার হবেন না? সরকার কি তার খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে না? বা তাকে কি ভুইফোঁড় এনজিওদের কাছে যেতে বাধ্য করবে না? অতএব টিন অবশ্যই বাধ্যতামূলক করতে হবে কিন্তু সেটা হোক একই নামে বা একই পারিবারের নামে ৫ লক্ষ বা ১০ লক্ষ টাকার পর।
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Khairul Islam ১২ জুন, ২০১৯, ১:০৮ এএম says : 0
    সঞ্চয়পত্র কেনার ক্ষেত্রে অনিয়ম খতিয়ে দেখেন তাতেই ফল পাবেন, অযথা সাধারন মানুষকে হয়রানি কইরেন না।অবশ্য সব সরকারকে তো জনগনের শত্রু হিসাবেই দেখছি।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১২ জুন, ২০১৯, ১:০৯ এএম says : 0
    অনেকেই সঞ্চয় পত্র কিনতে আসে কিন্তু তাদের টিন নাম্বার না থাকায় ফিরিয়ে দেয়া হয় বস্তুত টিন সার্টিফিকেট করতে এখন আর ট্যাক্স অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নাই আ এনআইডি নাম্বার ও মোবাইল নাম্বার দিয়ে অনলাইনে যে কোন খান থেকে টিন নাম্বার কিংবা সার্টিফিকেট নেয়া যা তাই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গুলোকে নির্দেশনা দিতে তবে কেউ যদি টিন নাম্বার দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকেই যেন টিন নাম্বার / সার্টিফিকেট নিতে সহায়তা করা হয় কাউকে যেন ফেরত না পাঠানো না হয়্
    Total Reply(0) Reply
  • tousif mizan ১২ জুন, ২০১৯, ১:০৯ এএম says : 0
    খুবই ভালো সিস্টেম. আমি মন থেকে অনেক খুশি হয়েছি এবং এই সিস্টেমে চালু হলে আমি মনে করব যে বাংলাদেশ উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় নতুন এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে সঞ্চয়পত্র হিসাব থাকায় জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ হিসাবে যে দেশে কত সঞ্চয়পত্র বিক্রি হচ্ছে সরকার একটি অর্থ ব্যবস্থাপনার একটি সঠিক দিক নির্দেশনা পাবে এবং এই অর্থ দিয়ে সরকার অবশ্যই ভালো কিছু করতে পারবে. শুভকামনা রইল নতুন এই সিদ্ধান্তের জন্য. সত্যিই এটি একটি উন্নয়নশীল যাত্রার অগ্র-পথিক.
    Total Reply(1) Reply
    • Rakib ১২ জুন, ২০১৯, ১১:৪৮ এএম says : 0
      its good for everyone

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সঞ্চয়পত্র


আরও
আরও পড়ুন