Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৬, ১৬ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

সান্তাহার জংশন ষ্টেশনে বন্ধ হচ্ছেনা টিকিট কালোবাজারী

টিকিট নিয়ে ভোগান্তিতে পরছে যাত্রীরা

আদমদীঘি (বগুড়া) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১২ জুন, ২০১৯, ২:২৮ পিএম

সান্তাহার জংশন ষ্টেশনে বন্ধ হচ্ছেনা ট্রেনের টিকিট কালোবাজারী। এ ষ্টেশনের ট্রেনের টিকিট যেন সোনার হরিণ। এ বৃহত্তর ষ্টেশনের সবগুলো ট্রেনের টিকেট চলে যায় টিকেট কালো বাজারীদের হাতে। ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানের কর্মস্থল থেকে প্রিয়জনদের সাথে ঈদ করে কর্মস্থলে ফেরা ট্রেন যাত্রীদের টিকিট নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে। টিকেট কালো বাজারীরা প্রকাশ্যে চরাদামে টিকিট বিক্রি করলেও রেল বিভাগের লোকজন নিরব ভুমিকা পালন করছে। দুর-দুরন্ত খেকে আসা ট্রেন যাত্রীরা টিকিট না পেয়ে নিরুপায় হয়ে আবার তারা বাড়িতে ফিরতে বাধ্য হচ্ছে।
ভুক্তভুগি যাত্রীসাধারন ও রেল সংশিষ্ট সুত্রে জানাযায়, মিলন, সবুজ,বাবু, আমিনুলসহ স্থানীয় কতিপয় টিকিট কালোবাজারী
দীর্ঘদিন যাবত সান্তাহার জংশন ষ্টেশনের টিকিট কাউন্টার নিয়ন্ত্রন করে আসছে। তারা কাউন্টারের বুকিং মাষ্টারদের সাথে যোগ সাজস করে সবগুলো ট্রেনের টিকিট হাতে নিয়ে টিকিট প্রতি ২ শো থেকে ৩ শো বেশী নিয়ে প্রকাশ্যে সেগুলো বিক্রি করছে। ট্রেন যাত্রী আদমদীঘি উপজেলার কায়েত পাড়া গ্রামের বাহার আলী সোমবার লাইনে দারিয়ে ও টিকিট পাননি। দুই এক জনকে টিকিট দেওয়ার পর কাউন্টার থেকে বলা হয় টিকিট শেষ। দীর্ঘিদিন ধরে এ জংশন ষ্টেশনের টিকিট কাউন্টার কালো বাজারীদের দ্বরা নিয়ন্ত্রীতিত হয়ে আসছে। এবিষয়ে দৈনিক ইনকিলাবসহ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় একাধিক প্রত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে রেলের পক্ষ থেকে একাধিক বার তদন্ত হবার পরও এ কারবার বন্ধ হচ্ছেনা। সংঘবদ্ধ টিকিট কালোবাজারীরা কাউন্টারের বুকিং মাষ্টারদের সাথে যোগ সাজস করে সবগুলো ট্রেনের টিকিট হাতে নিয়ে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশী দামে প্রকাশ্যে বিক্রি করছে। এব্যাপারে স্থানীয় ষ্টেশন মাষ্টার রেজাউল ইসলাম ডালিমের সাথে কথা বলতে একধিকবার ফোন করা হলেও ফোন রিছিভ না করায় কখা বলা সম্ভব হয়নি। এবিষয়ে সান্তাহার রেলওয়ে থানার ওসি মোঃ মনিরুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন এটা গোপন কাজ আমাদের লোকজন টিকিট কান্টারের আশেপাশে এরকম লোকজনকে খুজে পায়না। তবে কারোও বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
অপরদিকে বাস কাউন্টারগুলোতে ও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে দ্বিগুন মূল্যে বাসের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন নজরদারী না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে ভুক্তভুগিরা জানিয়েছেন। এবিষয়ে স্থানীয় বাস কাউন্টারের প্রতিনিধি ময়েন উদ্দীননের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমাদের গাড়ী সিমীত ঈদের কারনে যাত্রীর চাপ বেশী ফলে বাহিরে থেকে গাড়ী ভাড়া নেওয়া হচ্ছে এজন্য ভাড়া বেশী নেওয়া হচ্ছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বগুড়া


আরও
আরও পড়ুন