Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার ২৪ জুলাই ২০১৯, ০৯ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

বাজেট সময়োপযোগী ও ব্যবসা বান্ধব : বিপিজিএমইএ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৬ জুন, ২০১৯, ৯:১৯ পিএম

প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে সময়োপযোগী ও ব্যবসা বান্ধব বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক এসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ)। সংগঠনটির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন করা গেলে এসডিজির লক্ষ্য পূরণসহ মধ্যম আয়ের দেশে প্রবেশ সহজ হবে। তবে প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের দরিদ্র জনগোষ্টির নিত্য ব্যবহার্য প্লাস্টিকের তৈজসপত্রের উপর থেকে ভ্যাট সুবিধা প্রত্যাহার করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

রোববার (১৬ জুন) বিপিজিএমইএর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে। পাঠানো বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সরকার জাতীয় স্বার্থে বাজেটে জাতীয় প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ২ নির্ধারণ, মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ, ব্যাপক সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষার সম্প্রসারণ, শিল্প, ব্যবসা, বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বান্ধব পদক্ষেপ গ্রহন করায় আগামীদিনে দেশের অর্থনীতির চাকা গতিশীল হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ট্যাক্স নেট বৃদ্ধি, দেশীয় শিল্প বিকাশে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ এর ফলে অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় শনিবার (১৫ জুন) বিপিজিএমইএ কার্যালয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংগঠনের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি এ এস এম কামাল উদ্দিন, মো. ইউসুফ আশরাফ, সাবেক সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহেদ, সামিম আহমেদ, সহসভাপতি কে এম ইকবাল হোসেন, সৈয়দ তাহসিন হক, সাবেক সহ সভাপতি কাজী আনোয়ারুল হক, বিপিজিএমইএ উপদেষ্টা মনজুর আহমেদ প্রমূখ।

সভা শেষে এক প্রস্তাবে দেশের দরিদ্র জনগোষ্টির নিত্য ব্যবহার্য প্লাস্টিকের তৈজসপত্র আইটেম (প্লাস্টিকের তৈরি টিফিন বক্স ও পানির বোতল ছাড়া) এর উপর থেকে ভ্যাট সুবিধা প্রত্যাহার করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, প্লাস্টিকের এই সেক্টরে প্রায় ২০০ টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক লোক যুক্ত রয়েছে। বর্তমানে প্লাস্টিকের তৈজসপত্র ফেরিওয়ালারা পুরাতন জিনিসের বিনিময়ে দেশের প্রত্যন্ত গ্রামে গঞ্জে বিক্রি করে। এটি লাখ লাখ ফেরিওয়ালার একমাত্র আয়ের উৎস। এ সমস্ত ফেরিওয়ালাদের ভ্যাট আইনের আওতায় আনা সম্ভব নয়। অতএব এসমস্ত ক্ষেত্রে ভ্যাট এর কনসেপ্ট কার্যকর নয়। স্বল্প পুঁজির এসব প্রতিষ্ঠানের উপর আবারো ভ্যাট আরোপের ফলে অতি দরিদ্র জনগোষ্টি সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন যারা এসব পণ্য সামগ্রী ব্যবহার করে থাকেন।

আরো বলা হয়, তৈজসপত্র আইটেম এর উপর ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে যা রেয়াতযোগ্য নয়। এছাড়াও এসমস্ত পণ্যের কাঁচামাল আমদানী নির্ভর হওয়ায় অন্যান্য শুল্ককরাদি পরিশোধের কারণে করভার অনেক বেড়ে যাবে। এতে নতুন উদ্যোগ বাধাগ্রস্থ হবে। অর্থনৈতিক কর্মকান্ড স্থবির হয়ে পড়তে পারে। এমতাবস্থায় বিপিজিএমইএ অত্র খাতকে পূর্বের ন্যায় ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখার দাবী জানায় সংগঠনটি। 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বাজেট

২৯ জুন, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ