Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০১৯, ০৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৫ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

ঢাকা আবাহনীর কাছে বিধ্বস্ত মানাং মার্সিয়াংদি

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৯ জুন, ২০১৯, ৯:২৫ পিএম | আপডেট : ৯:৩২ পিএম, ১৯ জুন, ২০১৯

এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) কাপের অ্যাওয়ে ম্যাচে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন ঢাকা আবাহনী লিমিটেডের কাছে বিধ্বস্ত হলো নেপালের চ্যাম্পিয়ন মানাং মার্সিয়াংদি ক্লাব। বুধবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফিরতি লেগের ম্যাচে আবাহনী ৫-০ গোলে মানাং মার্সিয়াংদিকে হারিয়ে ‘ই’ গ্রুপের পয়েন্ট তালিকায় সবার উপরে জায়গা পেল। বিজয়ীদের পক্ষে স্থানীয় ফরোয়ার্ড নাবীব নেওয়াজ জীবন, হাইতির ফরোয়ার্ড কার্ভেন্স বেলফোর্ট, মিডফিল্ডার জুয়েল রানা, নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড সানডে চিজোবা ও স্থানীয় মিডফিল্ডার মামুনুল ইসলাম একটি করে গোল করেন। এই জয়ে আবাহনী ৫ ম্যাচে তিন জয় এবং একটি করে হার ও ড্র’তে ১০ পয়েন্ট পেয়ে ভারতীয় ক্লাব চেন্নাইন এফসি’কে পেছনে ফেলে তালিকার শীর্ষে উঠে আসলো। চেন্নাইন সমান ম্যাচে দু’টি করে জয় ও ড্র’তে এবং এক হারে ৮ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে দ্বিতীয়স্থানে। অন্যদিকে পাঁচ ম্যাচ শেষে ভারতের আরেক ক্লাব মিনারভা পাঞ্জাব পাঁচ ড্র’তে ৫ পয়েন্ট তৃতীয় এবং তিন হার ও দুই ড্র’তে মাত্র ২ পয়েন্ট পাওয়া মানাং মার্সিয়াংদি’র জায়গা হয়েছে সবার শেষে। সব দলের হাতেই আর একটি করে ম্যাচ রয়েছে। ২৬ জুন গৌহাটির ইন্দিরাগান্ধী স্টেডিয়ামে নিজেদের শেষ ম্যাচে মিনারভা পাঞ্জাবের মুখোমুখি হবে ঢাকা আবাহনী।

গত ৩ এপ্রিল কাঠমান্ডুর আনফা কমপ্লেক্সে প্রথম লেগের ম্যাচে ঢাকা আবাহনী ১-০ গোলে হারিয়েছিল মানাং’কে। হোম ম্যাচে নূন্যতম ব্যবধানে হারলেও অ্যাওয়ে ম্যাচে ভালো করার লক্ষ্য ছিল মানাং মার্সিয়াংদি’র। কিন্তু ঘরের মাঠে সেই সুযোগ দেয়নি আবাহনী। রীতিমতো নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে অতিথি দলকে। মানাং’কে বড় ব্যবধানে হারিয়ে এএফসি কাপের দ্বিতীয় রাউন্ডের পথে আরো এগিয়ে গেল বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নরা।

বুধবার ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলা উপহার দেয় আবাহনী। সাফল্য পায় তারা ১১ মিনিটেই। এসময় সানডের প্লেসিং শট ফেরাতে যান মানাংয়ের শহীদ আজিজ। কিন্তু তার কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে গোল করেন নাবীব নেওয়াজ জীবন (১-০)। ম্যাচের ২০ মিনিটে প্রায় ৪০ গজ দূর থেকে মানাংয়ের সুজল শ্রেষ্ঠা লম্বা শট নেন। আবাহনীর গোলরক্ষক শহিদুল আলম সোহেল সেই শট ধরতে গেলে বল তার হাত ফস্কে পড়ে যায়। কিন্তু দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় তা লুফে নেন সোহেল। ফলে বিপদের হাত থেকে রক্ষা পায় আবাহনী। প্রথমার্ধের যোগকরা সময়ে (৪৫+২ মিনিট) ব্যবধান দ্বিগুন করেন বেলফোর্ট। মাঝ মাঠ থেকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে একক প্রচেষ্ঠায় গোল করেন তিনি (২-০)। দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকে ম্যাচে ফিরতে অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় মানাং। উল্টো আরো তিন গোল হজম করে তারা। ম্যাচের ৬৩ মিনিটে প্লেসিং শটে গোল করেন সোহেল রানা (৩-০)। এর বারো মিনিট পর ছোট ডি-বক্সের ভেতর থেকে সানডে আলতো টোকায় গোল করে ব্যবধান ৪-০ তে নিয়ে আসেন। ম্যাচের যোগকরা সময়ে (৯০+৫ মিনিট) সানডে’র ব্যাক পাসের বল ধরে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে মামুনুল দারুণ শটে গোল করে আবাহনীর বড় জয় নিশ্চিত করেন (৫-০)।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন