Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০৩ কার্তিক ১৪২৬, ১৯ সফর ১৪৪১ হিজরী

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

ফুলবাড়ি (দিনাজপুর) থেকে মো. আবু শহীদ | প্রকাশের সময় : ২১ জুন, ২০১৯, ১২:০৯ এএম


দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উপজেলার দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যানের দুর্নীতি ও ইউনিয়নবাসীর নিকট থেকে জোর করে অতিরিক্ত হোল্ডিং ট্যাক্স নেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ওই ইউনিয়নের বাসীন্দারা।
গত বুধবার বিকালে উপজেলা চত্তরে তারা এই মানববন্ধন করেন। মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালামের নিকট এলাকাবাসীর পক্ষে স্মারক লিপি প্রদান করেন ওই ইউনিয়নের সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম। এসময় দৌলতপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থরের বাসীন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

ইউপি সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, দৌলতপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পরিষদের মতামতকে উপেক্ষা করে বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি বেসরকারী সংস্থা (এনজিও)কে দিয়ে ইউনিয়ন বাসীর নিকট থেকে বাসা বাড়ির কর উত্তোলন করছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন জনসাধারণের স্বার্থের বাইরে ও সরকার কর্তৃক কর-রেজুলেশনের কোন প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে চেয়ারম্যান তার নিজ ইচ্ছাকৃত খেয়াল-খুশিমত ইউনিয়নবাসীর নিকট থেকে অতিরিক্ত কর উত্তোলন করছেন। তিনি বলেন প্রতিবছর চেয়ারম্যান তার ইচ্চা মত কর আদায় করলেও সেই করের টাকা ইউনিয়ন পরিষদের নামে ব্যাংকে জমা হয়নি। চেয়ারম্যান করের আদায় কৃত টাকা তার পকেটে রেখে ইচ্ছামত খরচ করে।

এই ইউপি সদস্য আরো বলেন চেয়ারম্যান সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির উপকার ভোগীর তালিকা করেন অর্থের বিনিময়ে, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা কার্ড করে দেয়ার জন্য এক একটি উপকার ভোগীর নিকট থেকে মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহন করেন, টাকা না পেলে কাউকে উপকার ভোগীর তালিকায় নেয়া হয়না। এছাড়া ৪০ দিনের কর্মসূচির কর্মি দ্বারা নিজ বাড়ির কাজ করে নেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ বলেন, করের টাকা ব্যাংকে রাখবো না পকেটে রাখবো তা সরকারকে বলবো, এছাড়া কাউকে হিসেব দিতে পারবো না। তিনি বলেন তার ইউনিয়নে বসবাস করতে হলে কর দিতে হবে।



 

Show all comments
  • Rafiq ২২ জুলাই, ২০১৯, ৬:৩২ পিএম says : 0
    সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতেছি। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশে।রাজনীতিকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে দলীয় নেতাকর্মীর আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে , বরগুনার রিফাত হত্যার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড এর মত, সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে বেড়াচ্ছে এই কথিত মেম্বার। এই সন্ত্রাসী রবিন চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি নষ্ট করে। দলের নাম ভাঙ্গিয়ে একের পর এক অপকর্ম করে যাচ্ছে এবং গ্রাম্য সালিশের নামে বিভিন্ন মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করা এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে বেড়াচ্ছে। সাদা পাঞ্জাবি পরা এই লোকটি,এর নাম রবিন চৌধুরী পিতা ফজলুল হক চৌধুরী গ্রামঃ মহিষার ৩ নং ওয়ার্ড থানা ভেদরগঞ্জ জেলা শরীয়তপুর, বাংলাদেশ।এই লোকটি ২১/৭/২০১৯ গ্রাম্য সালিশ করার নামে সাথে দুজন মহিলা নিয়ে এক নিরীহ মহিলার উপর বিভিন্নভাবে শ্রীলতাহানি করে। এক পর্যায়ে তার এ ঘটনা ভিডিও করতে গেলে এই কথিত মেম্বার ওই বাড়ির লোকজনকে জানে মেরে ফেলার ভয় দেখায় এবং তাদের গায়ে হাত তোলে। ভিকটিম যারা, তারা বিষয়টি প্রশাসনের কাছেও জানাতে ভয় পাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যার নিকট এবং মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নিকট এবং এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেছি যাতে এই সন্ত্রাসী রবিন চৌধুরী কে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয় এবং তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়। ইতিপূর্বে বাংলাদেশের প্রশাসন এবং বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে এইরকম সন্ত্রাসীদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করেছেন। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নিকট এবং বিভিন্ন প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি যাতে এই সন্ত্রাসী রবিন চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: স্মারকলিপি


আরও
আরও পড়ুন