Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০২ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ সফর ১৪৪১ হিজরী

নিষিদ্ধ হওয়ার পথে কোহলি!

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৪ জুলাই, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

কে না জানে মাঠে বেশ আক্রমণাত্মক থাকেন বিরাট কোহলি। ফিল্ডিংয়ের সময় এটাই তাঁর খেলার ধরন। কিন্তু সীমাও ছাড়িয়ে যান মাঝে-মধ্যে। কাল যেমন ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে নিজেকে নিয়ে ভক্তদের বেশ শঙ্কার মধ্যেই ফেলেছেন কোহলি। ভারত সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগে কোহলি সমর্থকদের ভাবতে হচ্ছে, ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাঁকে পাওয়া যাবে তো!

বাংলাদেশের ইনিংসে তখন ১২তম ওভার। সৌম্য সরকারের বিপক্ষে লেগ বিফোরের আবেদন করেন মোহাম্মদ শামি। মাঠের আম্পায়ার মার্ক এরাসমাস তা বাতিল করে দিলেও রিভিউ নেন কোহলি। টিভি আম্পায়ার আলিম দার ‘আল্ট্রা এজ’ ভিডিওতে দেখেন বল ইনসাইড এজ (ব্যাটের কানায় লেগেছিল) হয়েছিল। এ কারণে মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন টিভি আম্পায়ার। আর তাই ‘বল ট্র্যাকিং’ দেখার প্রয়োজন হয়নি। কারণ তার আগেই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো গেছে।

কিন্তু কোহলি এ সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তিনি মাঠের আম্পায়ারদের দিকে বেশ ক্রোধ নিয়েই ছুটে যান। যা দেখতে বেশ দৃষ্টিকটু লেগেছে। আম্পায়ারদের সঙ্গে কয়েক মুহূর্ত বাগ-বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন ভারতের এ অধিনায়ক। টিভির ধারাভাষ্যকারেরা তখন আলোচনা করছিলেন, কেন বল ট্র্যাকিং দেখানো হলো না মাঠের আম্পায়ারদের কাছে তার ব্যাখ্যা চাইতে পারেন কোহলি। কিন্তু তখন কোহলির আচরণ ছিল জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে বেশ দৃষ্টিকটু। তবে এ ঘটনার পরই কোহলির সেমিফাইনাল খেলা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন ভক্তরা। কারণ ভারতের পরের ম্যাচেও কোহলি এমন আচরণ ধরে রাখলে শঙ্কা সত্যি হতেও পারে।

বিশ্বকাপে এর আগে ভারত-আফগানিস্তান ম্যাচেও আম্পায়ারদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করে ম্যাচ ফি-র ২৫ শতাংশ অর্থ জরিমানা গুনেছেন কোহলি। সে ম্যাচে ১টি ডিমেরিট পয়েন্টও পান তিনি। গত বছর জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্টেও ১টি ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক। অর্থাৎ তাঁর ডিমেরিট পয়েন্ট এখন ২টি। দুই বছরের মধ্যে একজন ক্রিকেটার ন্যুনতম ৪টি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে তা সাসপেনশন (নিষেধাজ্ঞা) পয়েন্টে রূপান্তরিত হয় এবং সেই ক্রিকেটার নিষেধাজ্ঞায় পড়েন। গ্রুপপর্বে ভারতের এখনো একটি ম্যাচ বাকি আছে। শনিবার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে ভারত।



 

Show all comments
  • বাপি ৪ জুলাই, ২০১৯, ৪:৪৭ এএম says : 0
    বিরাটের রাগটা অন্য জায়গায় ছিল । বিরাটের রাগ ছিল মেইনলি রিভিউ নষ্ট করে দেবার জন্য । থার্ড আম্পেয়ার সিউর ডিসিশান দেয়নি । থার্ড আম্পেয়ার সফট ডিসিশান বহাল রেখেছেন । এই অবস্থায় ভারতের রিভিউ ফেরত পাওয়ার কথা ছিল যেহেতু এলবিটা আম্পেয়ার কল উইকেট লাগছে । কোহলির এটা জিজ্ঞাসা করাটা অমুলক নয় ।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ৪ জুলাই, ২০১৯, ৪:৪৭ এএম says : 1
    আইসিসির এতো বড় স্পর্ধা হবে বলে মনে হয়না। বিসিসিআই তো নিশ্চয় ছেড়ে কথা বলবে না!
    Total Reply(0) Reply
  • সৌমিক আহমেদ ৪ জুলাই, ২০১৯, ৪:৪৭ এএম says : 1
    অধিনায়ক এর দায়িত্ব সব কিছু বুঝে নেওয়া. সেটা অন্যায় কিছু নয়. মুখ বুঝে সব কিছু মেনে নেওয়াটাই অন্যায়
    Total Reply(0) Reply
  • Mohi Uddin ৪ জুলাই, ২০১৯, ৪:৪৮ এএম says : 0
    Just like Virat in the field - Indian's comments are rude and full of arrogance...
    Total Reply(0) Reply
  • Rawnak Mustafa ৪ জুলাই, ২০১৯, ৪:৪৮ এএম says : 0
    কোহলি কিংবা ধোনির এরকম করার নজির বেশ আছে। সাকিব বা মাশরাফি করলে আইসিসি ম্যাচেই on the spot সাজা দিয়ে দিত।
    Total Reply(0) Reply
  • মেহেদী হাসান ৪ জুলাই, ২০১৯, ৪:৪৯ এএম says : 0
    আইসিসি ভারতীয় খেলোয়াড়দের নিষিদ্ধ করবে না, বাংলাদেশী হলে এতক্ষণে কার্যক্রম শুরু হয়ে যেতো।।
    Total Reply(0) Reply
  • Mr. Finn ৪ জুলাই, ২০১৯, ৪:৪৯ এএম says : 0
    ক্রিকেট যে ভদ্র লোকদের খেলা, ব্যাপারটা বোধহয় ভুলেই গেছেন মি: বিরাট কোহলি । আম্পায়ারের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করা তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Mony ৪ জুলাই, ২০১৯, ৬:১৯ পিএম says : 0
    আই সি সি তো ইন্ডিয়ানদের দালাল তাই কিছু করবে না
    Total Reply(0) Reply
  • Mony ৪ জুলাই, ২০১৯, ৬:১৯ পিএম says : 0
    আই সি সি তো ইন্ডিয়ানদের দালাল তাই কিছু করবে না
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: কোহলি

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন