Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ০৩ ভাদ্র ১৪২৬, ১৬ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

রয়-বেয়ারস্টোর আলোকিত জুটি

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৪ জুলাই, ২০১৯, ১২:০৪ এএম | আপডেট : ১২:২২ এএম, ৪ জুলাই, ২০১৯

এবারের বিশ্বকাপে বিশেষ নজর কেড়েছে জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টোর ওপেনিং জুটি। গতকাল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সফল ছিলেন তারা। আসরে তাদের তৃতীয় সেঞ্চুরি জুটি ইংল্যান্ডকে এনে দেয় বড় সংগ্রহের ভীত। টানা শতক তুলে নেন বেয়ারস্টো। অবশ্য শেষ ২০ ওভারে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে কিউইদের লক্ষ্যটা নাগালের মধ্যেই রাখতে সহায়তা করেন বোলাররা।

লিগ পর্বে দুই দলেরই এটি শেষ ম্যাচ। দুই দলের সামনেই সুযোগ ছিল জয় দিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার। এজন্য নিউজিল্যান্ডকে পেরুতে হতো ৩০৬ রানের লক্ষ্য। তাদের সামনে প্রেরণা ছিল চেস্টার-লি স্ট্রিটের রিভারসাইড স্টেডিয়ামের আগের দুই ম্যাচের পরিসংখ্যান। এই মাঠেই শ্রীলঙ্কার দেওয়া ২০৩ রানের লক্ষ্য ১২.৪ ওভার ও ৯ উইকেট হাতে রেখে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে যে ম্যাচে শ্রীলঙ্কা হারিয়েছিল সেই ম্যাচেও আসে সাড়ে ছয়শ’র বেশি রান। পাকিস্তান তাই নিউজিল্যান্ডের রান তাড়ার ব্যাপারে আশাবাদী হতেই পারে।

ঠিকই ধরেছেন। এই ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের জেতাটা পাকিস্তানের জন্য খুব দরকার। তাহলেই যে বেঁচে থাকে তাদের শেষ চারের স্বপ্ন। আর যদি নিউজিল্যান্ড হেরে যায় এবং শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তান জেতে তাহলে দুই দলের পয়েন্টই হবে ১১ করে। সেক্ষেত্রে নেট রান রেটে অনেক এগিয়ে থাকায় শেষ চারে উঠবে নিউজিল্যান্ড। আর পাকিস্তান বাংলাদেশের কাছে হেরে গেলে কোনো সমীকরণ ছাড়াই শেষ চারে খেলবে নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড।

গত বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে ১২৩ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। গতকাল ইংল্যান্ড এই রান তোলে ওপেনিং জুটি থেকেই। সেটাও মাত্র ১৯ ওভারে। দারুণ খেলতে থাকা রয়ের (৬০) বিদায়ে জুটি বিচ্ছিন্ন হলেও বেয়ারস্টোর সঙ্গে রানের গতি ধরে রাখেন জো রুট। ৩০ ওভারেই স্কোর বোর্ডে জমা পড়ে ১৯৪ রান। এরপরই দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় কিউই বোলিং লাইন-আপ। শেষ ২০ ওভারে তারা মাত্র ১১১ রানের বিনিময়ে তুলে নেয় ইংল্যান্ডের ৭ উইকেট।

টানা দুই ওভারে ফেরেন রুট ও বেয়ারস্টো। রুট (২৪) আউট হন আসরের পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ঠিক ৫০০ রান সংগ্রহ করার পরপরই। বেয়ারস্টো আউট হন ৯৯ বলে ১৫ চার ও ১ ছয়ে ১০৬ রান করে। বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি।

এমন ভীতের উপর দাঁড়িয়ে উইকেটে থিতু হয়েও ভয়ঙ্কর হতে পারেননি জস বাটলার (১১) ও বেন স্টোকস। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা স্টোকস এদিন ২৭ বলে করেন ১১ রান। এসময় মিডিল অর্ডার আগলে রাখা ইয়ন মরগানের ব্যাট থেকে আসে ৪০ বলে ৫ চারে ৪২ রান। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ৩০৫ রান তুলতে পারে ইংল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের তিন বোলার ট্রেন্ট বোল্ট, ম্যাট হেনরি ও জেমস নিশাম প্রত্যেকেই নেন ২টি করে উইকেট।
চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যে এদিনও ব্যর্থ ছিল নিউজিল্যান্ডের ওপেনিং জুটি। ৬ ওভারের মধ্যে ১৬ রানে বিদায় নেন মার্টিন গাপটিল ও হেনরি নিকোলস। এরপর হাল ধরেন দুই আশার প্রতীক কেন উইলিয়ামসন ও রস টেলর। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের সংগগ্রহ ছিল ১৩ ওভারে ২ উইকেটে ৫১ রান।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বিশ্বকাপ ক্রিকেট

১৬ জুলাই, ২০১৯
১৫ জুলাই, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন