Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ০৫ ভাদ্র ১৪২৬, ১৮ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার দায়িত্ব মিয়ানমারের : লি

নিপীড়ন চালানো দায়ি কর্মকর্তাদের বিচারে ব্যর্থ জাতিসংঘ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৫ জুলাই, ২০১৯, ১২:০৮ এএম


মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পর বছরের পর বছর ধরে নিপীড়ন ও নিধনযজ্ঞ চালানো দেশটির কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনতে জাতিসংঘ ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির তদন্তকারী ইয়াংঘি লি। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক স¤প্রদায় ইতোমধ্যে পরিস্থিতি বিচারে ব্যর্থ হয়েছে। তবে মিয়ানমারে জাতিসংঘের এই বিশেষ দূতের অভিযোগ অস্বীকার করেছে মিয়ানমারের কর্মকর্তারা। জাতিসংঘে নিযুক্ত মিয়ানমারের দূত বরং দাবি করেছেন যেন ইয়াংঘি লিকে তার চলমান দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। গত মাসে অভ্যন্তরীণ এক প্রতিবেদনে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর সামরিক অভিযানে সৃষ্ট সংকটে নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা এই সংকট মোকাবিলায় ‘পদ্ধতিগতভাবে ব্যর্থ’ হয়েছে। সংকট মোকাবিলায় তাদের ঐক্যবদ্ধ কোনও কৌশল ছিল না। এছাড়া নিরাপত্তা পরিষদের পর্যাপ্ত সমর্থনেরও অভাব ছিল। ইয়াংঘি লি বলেন, বিশেষ দূতের দেওয়া প্রতিবেদন নিয়ে এই মুহূর্তে আলোচনা চলছে মানবাধিকার পরিষদে। ইয়াংঘি লি বলেন, তারা সবাই মানবাধিকার সংকটের মুখোমুখি। আর এর দায়ভার মিয়ানমারের। রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব তাদের। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে। মিয়ানমারে অবস্থা করা রোহিঙ্গাদেরও অধিকার নিশ্চিত করা হচ্ছে না। জাতিসংঘের হিসাবে ৪ লাখেরও বেশি মানুষ এখনও সেখানে রয়ে গেছে।

দ্য গার্ডিয়ানের হিসাব অনুযায়ী, রাখাইনে থাকা অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ। ২০১২ সালে রাখাইনে সহিংসতা শুরুর পর বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের জন্য স্থাপন করা হয় আইডিপি ক্যাম্প। তখন থেকেই এই ক্যাম্পে সহায়তা দিয়ে আসছে জাতিসংঘ। রোহিঙ্গা ও কামান জনগোষ্ঠীর প্রায় এক লাখ ২৮ হাজার সদস্য এসব ক্যাম্পে বসবাস করে। তবে তাদের চলাফেরায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে রেখেছে মিয়ানমার সরকার। ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাবিরোধী নতুন অভিযান জোরালো করার পাশাপাশি এসব ক্যাম্প বন্ধ শুরুর অঙ্গীকার করে মিয়ানমার সরকার। তবে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কোনও পদক্ষেপ দেখা যায়নি। উল্টো অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতদের পরিস্থিতি দিনকে দিন আরও অবনতির দিকে গেছে। লি বলেন, নিপীড়নের শিকারদের ন্যায়বিচার আদায়ে নিজেদের সক্ষমতা অনুযায় কাজ করেনি জাতিসংঘ কমিশন। রোহিঙ্গাদের অধিকারের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে অর্জন করা সম্ভব না। তিনি বলেন, আমি আগেও বলেছি। আবারও বলছি, তাদের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে। বিগত ৯ মাসের পরিস্থিতিতে আমি খুবই হতাশ। মিয়ানমারে স্বাধীন কমিটি কাজ করছে। মিয়ানমারে আন্তর্জঅতিক আিইন চরমভাবে লঙ্ঘন হলেও তদন্তে ফাক থেকে যাওয়ার ঝুকি রয়েছে। রয়টার্স, এএফপি।



 

Show all comments
  • Mohammed Kowaj Ali khan ৫ জুলাই, ২০১৯, ৪:৫২ এএম says : 0
    খোনি বারমাকে দুইদিনে ঠিক করা যায়। ইনশাআল্লাহ। পৃথীবীতে একটি দেশ ও পাইলাম না যে সত্যিকারের মানবতা আছে। আমাকে অস্ত্র দাও আমি বারমা খোনির বীরুদ্বে যুদ্ধ করিবো। ইনশাআল্লাহ।
    Total Reply(0) Reply
  • Alam ৫ জুলাই, ২০১৯, ৬:৩৩ এএম says : 0
    U N always unsuccessful about Muslim
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রোহিঙ্গা


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ