Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ০৩ ভাদ্র ১৪২৬, ১৬ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ছেন ম্যাকাফি

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৮ জুলাই, ২০১৯, ৭:২৯ পিএম

বিখ্যাত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়ার ম্যাকাফির নির্মাতা জন ম্যাকাফি এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নয়, হাভানার পোতাশ্রয়ে নোঙর করা একটি প্রমোদতরী থেকে নির্বাচনী প্রচারণা চালাবেন এই ধনকুবের। রোববার বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে ম্যাকাফি বলেন, ‘এটা কোনো সাধারণ প্রচারাভিযান হবে না’, তিনি বলেন, ‘পলাতক অপরাধী হিসেবে সরকার আমাকে খুঁজছে। এ কারণে আমি প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’ ইতোমধ্যে সাতজন নির্বাচনী প্রচারণা সহকারীও নিয়োগ দিয়েছেন তিনি।

ম্যাকাফির প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে, লিবারেশন পার্টির পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়ন পাওয়া। এই দলটি মুক্ত বাণিজ্য ও উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষুদ্র আকারের ফেডারেল সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর আগে ২০১৬ সালে ম্যাকাফি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অংশ নিতে চেয়ে ব্যর্থ হন। সে সময় গ্যারি জনসন লিবারেশন পার্টি থেকে মনোনয়ন পাওয়ার পর সাধারণ নির্বাচনে মাত্র তিন শতাংশের কিছু বেশি ভোট পান।

ম্যাকাফি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট হতে না পারলেও আমার বিশাল সংখ্যক ফলোয়ার আছে এবং আমি আগামী নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারব।’ তবে তার স্বীকারোক্তি, ‘আমি প্রেসিডেন্ট হতে চাই না, আর হতে পারবও না।’

উল্লেখ্য, ম্যাকাফি তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন নাসার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। এরপর তিনি বিভিন্ন সফটওয়ার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। সেখান থেকে অ্যান্টিভাইরাস নির্মাণে আগ্রহী হন। ২০১০ সালে ম্যাকাফি তার প্রতিষ্ঠানটি ইন্টেলকে বিক্রি করে দেন। বর্তমানে তিনি ১০ কোটি ডলারের মালিক বলে ধারণা করা হয়। ২০১২ সালে মধ্য আমেরিকায় বসবাসের সময় প্রতিবেশীর খুন হওয়ার পর পুলিশ তার বাড়িতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র খুঁজে পায়। এরপর এক মাসের জন্য তিনি পুরোপুরি উধাও হয়ে যান, যা মিডিয়ায় ব্যাপক কাভারেজ পায়। ওই হত্যা রহস্যের এখনও সমাধান হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের আদালত ম্যাকাফিকে নিহতের পরিবারকে ২.৫ কোটিরও বেশি ডলার ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেয়।

১৯৮০’র দশকে অ্যান্টিভাইরাস তৈরি করে প্রচুর টাকার মালিক বনে যাওয়া ম্যাকাফি এখন নিজস্ব স্টাইলে ক্রিপ্টোকারেন্সি গুরু হয়ে উঠেছেন। প্রতিদিন ২ হাজার ডলার আয় করেন বলে দাবি করেন তিনি। টুইটারে তার ১০ লাখ ফলোয়ার রয়েছে। হাভানার মেরিনা হেমিংওয়ে পোতাশ্রয়ে বাঁধা ৭৩ বছর বয়সী এই সফটওয়ার নির্মাতার প্রমোদতরীর নাম ‘দ্য গ্রেট মিস্ট্রি’, যা তার চরিত্রের সঙ্গে খুবই মানানসই। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ