Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।
শিরোনাম

‘অবৈধ রিকশা-ইজিবাইক বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত’

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৫ জুলাই, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

রাজধানীর প্রধান তিন সড়কে রিকশা ও ভ্যান চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, এখন থেকে রাজধানীতে অবৈধ রিকশা বন্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে প্রধান সড়কগুলোতে ধীরগতির সব যানবাহন পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হবে। এ ছাড়া রাজধানীবাসীর যাতায়াত নির্বিঘœ করতে রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড-নতুন বাজার-বাড্ডা-রামপুরা-সায়েদাবাদ সড়কে বিআরটিসির নতুন ২০টি বাস নামানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। গতকাল রোববার দুপুরে ডিএসসিসি’র নগর ভবনে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) ও রিকশা মালিক-শ্রমিক পক্ষের সাথে সমন্বয় সভা শেষে এ কথা বলেন তিনি।

মেয়র বলেন, ডিটিসিএ’র প্রথম সভায় প্রধান তিন সড়কে রিকশা বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু কিছু রিকশাচালক, মালিক, সাংবাদিকসহ অনেককে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক। তিনি বলেন, রাজধানীর তিন সড়কে রিকশা ও ভ্যান চলাচল বন্ধ করার পর গণপরিবহনের গতি বেড়েছে। কিছু জায়গায় নাগরিকদের সমস্যা হচ্ছে। তবে ঢাকাকে বাসযোগ্য ও নাগরিকবান্ধব করতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ সময় রিকশা মালিক সমিতি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলী জামান অবৈধভাবে নেমপ্লেট বসিয়ে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও রিকশা চলাচল বন্ধের দাবি জানান। এ ছাড়া, মেয়র সাঈদ খোকন কুড়িল-সায়েদাবাদ সড়কে রিকশা বন্ধ করার অনুরোধ জানালে রিকশাচালক সমিতির সভাপতি ইউনুস আলী এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ডিএসসিসি মেয়র বলেন, রিকশাচালক ও মালিক সমিতির নেতাদের অনুরোধে সব অবৈধ রিকশা চলাচল বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এ দিকে রাজধানীবাসীর যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড-নতুন বাজার-বাড্ডা-রামপুরা-সায়েদাবাদ সড়কে বিআরটিসির নতুন ২০টি বাস নামানোর কথা বলেন মেয়র সাঈদ খোকন। তিনি বলেন, রাজধানীর তিন সড়কে রিকশা ও ভ্যান চলাচল বন্ধ করার পর গণপরিবহনের গতি বেড়েছে। প্রয়োজনে আরো বাস নামানো হবে। এ সড়কে বাসের নির্দিষ্ট স্টপেজ থাকবে। রাজধানীবাসী নির্ধারিত স্টপেজে নামবেন। সবাই মিলে ঢাকাকে একটি যানজটমুক্ত শহর উপহার দেবো। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, দুই সিটির সমন্বয়ে একটি সুন্দর নগর গড়ব। এ ছাড়াও ফুটপাথ দখলমুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত গাড়ি পর্যায়ক্রমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যত্রতত্র পার্কিং বন্ধ করাসহ নাগরিকবান্ধব একটি শহর গড়ে তুলতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।

সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিটিসিএ-এর নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান, বিআরটিসি চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভ‚ঁইয়া, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ